www.durbinnews.com::জানি এবং জানাই

কামাল-ফখরুল কি আতাত করে বিএনপিকে ভোটে রেখেছিলেন?



 ওমর শরীফ    ২৭ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ১:২৩   রাজনীতি বিভাগ


বিএনপির অন্দরমহলে এ প্রশ্নটি এখন উচ্চারিত হচ্ছে?  দলটির বর্তমান কৌশল নিয়ে  কারাবন্দি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া যে সন্তুষ্ট নন তা এখন একেবারেই খোলাসা। তার পরামর্শ একাধিকবার উপেক্ষা করেছেন বিএনপির বর্তমান নেতৃত্ব। বিএনপির নীতির ব্যাপারে খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের মধ্যে নানা বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। সবসময়ই খালেদা জিয়ার কৌশল ছিল ইসলামপন্থী দলগুলোকে প্রাধান্য দেয়া। এরপর সম্ভব হলে জোট সম্প্রসারণ। কিন্তু তারেক রহমানের নীতি ছিল বরাবরই আলাদা। তিনি মনে করেন, ইসলামপন্থী দলগুলোর কারণে বিএনপি ভারতসহ কয়েকটি দেশের সমর্থন পাচ্ছে না। এ কারণেই মূলত গত নির্বাচনের আগে তারেক রহমানের পরামর্শেই ঐক্যফ্রন্ট গঠনের তৎপরতা শুরু হয়। সাবেক বামপন্থী নেতা, বিএনপির বর্তমান মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা রাখেন। তার প্রধান সহায়ক ছিলেন মনিরুল হক চৌধুরী। অনেক কিছুর বিনিময়ে এ জোট গঠিত হয়। ২০ দলীয জোটকে কার্যত অকার্যকর করে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ঐক্যফ্রন্ট গঠিত হয়। 

তারেক রহমান এবং মির্জা ফখরুলের ধারণা ছিল, ড. কামাল হোসেনকে পশ্চিমারা এবং ভারত পছন্দ করেন। যে কারণে নির্বাচনে এসব দেশের সমর্থন পাওয়া যাবে। তবে ড. কামাল হোসেন আসলে কী চেয়েছিলেন তা এখন বিরাট রহস্য। এমনকি রহস্যময় ভূমিকা ছিল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরেরও। তার খায়েশ ছিল তিনি বিরোধী দলের নেতা হবেন। মোটামুটি মাঝারি একটি বিরোধী দল। এ ব্যাপারে তাকে আশ্বস্তও করা হয়েছিল। যে কারণে বিএনপি যেন ভোটে থাকে তা নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক উদ্যোগ নিয়েছিলেন তিনি। ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদসহ ‍বিএনপির নেতৃত্বের একটি বড় অংশ ভোট বর্জনের পক্ষে ছিল। এ নিয়ে ভোটের আগে মওদুদ আহমদ একাধিকবার মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ফোনে কথা বলতে চেয়েও বলতে পারেননি। এমনকি বিএনপি মহাসচিব ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের ফোন রিসিভও করেননি।

ভোটের আগে রাতে কী হয়েছে তা বিএনপির সব প্রার্থীরাই তখন জানতেন। বিস্ময়কর ব্যাপার হলো জানতেন না কেবল ড. কামাল হোসেন ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। কারণ ভোটের দিন সকালেও তারা ভোট নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।বলেছেন, নির্বাচনের পরিবেশ ভালো। বিএনপির অন্দরমহলের একটি অংশ বলছেন, ফখরুল তখনও জানতেন তিনি বিরোধী দলের নেতা হবেন। যে কারণে ভোটে কী হয়েছে সেটা জানার পরেও তিনি দলকে ভোটে রেখে দেন। একইসঙ্গে সুষ্ঠু ভোটের সার্টিফিকেট দেন। তবে মাঝখানে তৃতীয় একটি দেশের আবির্ভাব ঘটে। তাদের প্রভাব এবং মাঠের নিয়ন্ত্রণহীন পরিস্থিতি ফখরুলের স্বপ্ন ভেঙ্গে দেয়। বিএনপির ওই অংশটি বলছে, খালেদা জিয়া নিজে আপসহীন ভূমিকা রাখলেও তিনি এমন একটি দল তৈরি করেছেন যে দলের নেতাদের তার প্রতি কোন কমিটমেন্ট নেই। নেতাদের প্রায় সবাই নিজের স্বার্থ রক্ষা করে গেছেন। নেত্রীর স্বার্থ দেখেননি। যে কারণে খালেদা জিয়া কারাগারে থাকলেও তার দলের প্রভাবশালী নেতারা সবাই মুক্ত।

 




 এ বিভাগের অন্যান্য


রাজনৈতিক দলের কোনো ধর্ম থাকতে পারেনা: মঞ্জু


যে গোয়েন্দা রিপোর্টে শোভন-রাব্বানীর ভাগ্য বিপর্যয়


কাদের না রওশন: জাপার চেয়ারম্যান আসলে কে?


নতুন জামায়াতের আমির হতে পারেন মিয়া গোলাম পরওয়ার


জামায়াতের সংস্কাপন্থীদের উদ্যোগে সাড়া নেই


কামাল-ফখরুল কি আতাত করে বিএনপিকে ভোটে রেখেছিলেন?


নিউজার্সি স্টেট বিএনপির কমিটি গঠিত


স্বৈরশাসক থেকে কিংমেকার


নতুন দলে যোগ দিতে রাজি হননি রাজ্জাক ও মাহমুদুর রহমান


জাপা কি দুই ভাগ হয়ে যাবে?


যে কারণে সংস্কার বা নতুন দল নিয়ে আগ্রহ নেই জামায়াতে


এরিক কি তার বাবাকে দেখতেও পাবে না?


কে এই মহুয়া মৈত্র?


জামায়াতের প্রশংসায় অলি


ছাত্রদলের ১২ নেতাকে বহিষ্কার করলো বিএনপি





All rights reserved www.durbinnews.com