www.durbinnews.com::জানি এবং জানাই

ডেঙ্গুর মৌসুম কি দীর্ঘায়িত হচ্ছে?



 দূরবীন ডেস্ক    ১৯ আগস্ট ২০১৯, সোমবার, ১:০২   স্বাস্থ্য বিভাগ


ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছে না। বাড়ছে মৃত্যু, বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। ডেঙ্গুতে এ পর্যন্ত একশ’ মানুষের প্রাণহানি হয়েছে বেসরকারি হিসেবে। আর ডেঙ্গু নিয়ে সরকারি হিসেবেই হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ৫০ হাজারের বেশি মানুষ। আশঙ্কা দেখা দিয়েছে এবার ডেঙ্গু মৌসুম দীর্ঘায়িত হবে কিনা? সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের গবেষণা বলছে, জুলাই মাসে রোগীর সংখ্যা ছিলো ১৬ হাজার ২শ ৫৩ জন, যা আগস্ট মাসের ১৭ তারিখ পর্যন্ত হয়েছে ৩৩ হাজার ১৫ জন। বিশ্লেষকেরা বলছেন, ডেঙ্গুর প্রকোপ বেশি হওয়ার কারণে উদ্বেগ অনেক বেশি। কিন্তু ডেঙ্গুর মৌসুম দীর্ঘায়িত হবার সম্ভাবনা কম বলে মনে করেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণী বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক কবিরুল বাশার।ে বিবিসি বাংলাকে তিনি বলেন, বাংলাদেশে ১৯৫৩ সালের পর এ বছরের ফেব্রুয়ারিতে সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয়েছে। তার কারণে বছরের শুরুতে এডিস মশার ঘনত্ব অনেক বেড়েছে। সেটা ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত আরো বেড়েছে। ফলে জুন-জুলাইতে বাংলাদেশে এডিস মশার একটি বড় কম্যুনিটি ডেভেলপ করেছে। আর ডেঙ্গু ভাইরাস যেহেতু ঢাকায় আগে থেকেই ছিল, সেটা ছড়িয়ে পড়েছে। তবে ডেঙ্গুর এখন যা পরিস্থিতি, তার থেকে খুব বেশি বাড়বে বলে আমার মনে হয়না। তবে এটি খুব কমে যাবে এটাও বলা যাবে না।

ডেঙ্গু না বাড়ার কারণ হিসেবে তিনি সরকারের নেয়া নানা রকম উদ্যোগ এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াকে কারণ মনে করেন। যদিও সরকারের মশা মারার ওষুধ আনা এবং বিতরণ নিয়ে নানা রকম সমালোচনাও রয়েছে। তবে বাংলাদেশে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে। এর মধ্যে জুলাই মাসের শেষের দিকে ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার খবর পাওয়া যেতে শুরু করে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে আক্রান্ত রোগীদের প্রায় সবাই ঢাকা থেকে গেছেন, কিংবা তাদের মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে ডেঙ্গু ছড়িয়েছে এমনটা বলেছেন সংশ্লিষ্টরা। দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলা বরগুনার বাসিন্দা ময়না আক্তার গত পাঁচদিন থেকে বরিশালের শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন। এক মাসের মধ্যে ময়না আক্তারের পরিবারের অন্তত দশজন মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছেন, এদের মধ্যে একজন মারা গেছেন। আমার এক ভাই ডেঙ্গুতে মারা গেছে, তাকে দেখতে ঢাকা থেকে তার শ্যালক আর তার স্ত্রী এসেছিল। তার পর থেকেই আমাদের বাড়ির আট-নয়জনের ডেঙ্গু হইছে। গত রাতে আমার এক ভাইকে এখান থেকে ঢাকায় 'রেফার' করে পাঠাইছে। আরেকজন আছে বরগুনা সদর হাসপাতালে। এছাড়া আমাদের বাড়ির দুইটা বাচ্চা আছে এই হাসপাতালের শিশু ইউনিটে। আর আমি আছি, আমার এখনো জ্বর আছে, গায়ে দানা দানা আছে।




 এ বিভাগের অন্যান্য


ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল আরও এক মায়ের


ডেঙ্গুর মৌসুম কি দীর্ঘায়িত হচ্ছে?


ডেঙ্গু: জ্বর সেরে গেলে যা করবেন


শিশুদের ডেঙ্গু: কিভাবে বুঝবেন, যা করতে হবে


স্ট্রোক রুখতে মেনে চলুন এসব নিয়ম


ডেঙ্গু: ডা. সাকলায়েন রাসেলের ১৩ পরামর্শ


ডেঙ্গুতে পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু


বেসিনে হারপিকে মশা মরবে না, ক্ষতি হবে মানুষের


ডেঙ্গু পরীক্ষার মূল্য নির্ধারণ


ঢাবি ছাত্রের ডেঙ্গু চিকিৎসা: স্কয়ারে ২২ ঘণ্টায় বিল ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকা


ডেঙ্গুতে আরও এক চিকিৎসকের মৃত্যু


নগরপিতার ঐতিহাসিক উক্তি-ডেঙ্গুর সংখ্যা নিয়ে ছেলেধরার মতো গুজব হচ্ছে


ইয়েমেনে ৩,৬০,০০০ শিশু মারাত্মক অপুষ্টির শিকার


বাইরে বের হ, রেপ করে ফেলবো: নারী চিকিৎসককে ছাত্রলীগ নেতার হুমকিতে তোলপাড়


চিকিৎসক অসুস্থ, তবুও সেবা থেমে নেই





All rights reserved www.durbinnews.com