www.durbinnews.com::জানি এবং জানাই

ফের আলোচনায় রাজনীতির রহস্য পুরুষ



 স্মৃতি রহমান    ১৬ জুন ২০১৯, রবিবার, ১১:৫৪   খবরের বাইরে বিভাগ


মুখে সফেদ দাড়ি। মাথায় লম্বা চুল। সেই ছাত্র জীবন থেকেই দুপুরে ভাত খান না। অল্পস্বল্প মুড়ি খান। বিয়ে করেননি। থাকেন একা। ভক্ত-অনুরাগীরা তাকে ডাকেন, দাদা ভাই। তাদের চোখে সিরাজুল আলম খান বাংলাদেশের  স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম প্রধান নায়ক। অন্যদিকে, সমালোচকরা মনে করেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে হাজার হাজার তরুণকে তিনি ভুল পথে পরিচালিত করেছেন। বিপদগামী করেছেন তাদের। হত্যা করেছেন একটি প্রজন্মের স্বপ্নকে। সেই সিরাজুল আলম খান ফের আলোচনায় এসেছেন। তার জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে লেখা বই ‘আমি সিরাজুল আলম খান‘ তাকে নতুন করে নিয়ে এসেছে আলোচনায়। তৈরি হয়েছে বিতর্ক। প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ অভিযোগ করেছেন, সিরাজুল আলম খান সত্য বলেননি। প্রকাশনা সংস্থা এরইমধ্যে বইটি বাজার থেকে তুলে নিয়েছে। নোয়াখালীতে জন্ম নেয়া সিরাজুল আলম খান নিজেও হয়তো রহস্য ভালোবাসেন। তাকে খুব বেশি জনসম্মুখে দেখা যায় না। নেপথ্যে কাজ করা তার নেশা। গত চার দশকে কোন সভা-সমাবেশে তাকে সেভাবে কথা বলতে দেখা যায়নি। তবে ভক্ত-অনুরাগীরা দেখা করতে গেলে মন খুলে কথা বলেন। তার বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করে রচিত হয়েছে একাধিক বই। লেখক-গবেষক মহিউদ্দিন আহমদ সিরাজুল আলম খানকে নিয়ে একটি গবেষণাধর্মী বই লেখার কাজ এগিয়ে নিচ্ছেন। আসল কথায় ফেরা যাক। ৬০ এর দশকে নিউক্লিয়াস গঠনে মুখ্য ভূমিকা রেখেছিলেন সিরাজুল আলম খান। মুক্তিসংগ্রামের জন্য তরুণদের প্রস্তুত করছিল যে নিউক্লিয়াস। বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতার সংগ্রামে তার অবদান অনস্বীকার্য। পরবর্তীতে অবশ্য আওয়ামী লীগের সঙ্গে তার বিচ্ছেদ হয়। জাসদ গঠনে নেপথ্যে থেকে মুখ্য ভূমিকা রাখেন তিনি। জাসদের অঙ্গ সংগঠন গণবাহিনীর বিরুদ্ধে সেসময় থানা লুটসহ নানা অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে মূলধারার রাজনীতি থেকে জাসদ হারিয়ে যায়। একেবারে নিভৃতে চলে যান সিরাজুল আলম খান। ৭ই নভেম্বর অবশ্য জাসদের জন্য সুবর্ণ সুযোগ এসেছিল। কর্নেল তাহেরসহ জাসদের নেতারা সেদিন জিয়াউর রহমানকে সামনে রেখে অভ্যুত্থান চেষ্টা চালান। কিন্তু জিয়াউর রহমান মুক্ত হওয়ার পর আর জাসদের সঙ্গে থাকেননি। জাসদের নেতারা বলে থাকেন, জিয়াউর রহমান বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। পরে অবশ্য তাহের জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান চেষ্টা চালান। এতোদিন পর এসে সিরাজুল আলম খান বলছেন, তিনি সেটা জানতেন না। সে যাই হোক। গত চার দশকে সিরাজুল আলম খান আর নতুন কোন দল বা সংগঠন তৈরির প্রকাশ্যে কোন চেষ্টা করেননি। ইতিহাস শেষ পর্যন্ত তাকে কিভাবে বিচার করে সেটাই দেখার বিষয়।




 এ বিভাগের অন্যান্য


বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এরশাদ-জিনাত


দুই বছর ধরে ঢামেকে শিশুটি, স্বজনদের খোঁজ নেই


হঠাৎ স্ক্রিন শট শেয়ার করলেন সাংসদ, কিন্তু কেন?


ফেসবুকের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন গোলাম মোর্তুজা


অবিশ্বাস্য পতন


মেকআপের যুগে অন্যরকম এক মানুষ


১৬ টাকা থেকে যেভাবে আজকের আকিজ গ্রুপ


ইতালিতে বাংলাদেশির সততার দৃষ্টান্ত


বিনা খরচে যেভাবে জাপান যাওয়া যাবে


ভারতীয় মন্ত্রীরা যেভাবে বদলে দিচ্ছেন বিজ্ঞানের ইতিহাস


সব সময় ইতিবাচক থাকার কয়েকটি উপায়


শাড়ি ও নারী নিয়ে লিখে সমালোচনার মুখে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ


মন্ত্রিত্ব-পুরস্কার ফিরিয়ে দেয়া কুঁড়েঘরের মোজাফফর


ভারতীয় হিসেবে গর্বিত নন অমর্ত্য সেন


একজন সুলতান সুলাইমান





All rights reserved www.durbinnews.com