www.durbinnews.com::জানি এবং জানাই

যে কারণে সংস্কার বা নতুন দল নিয়ে আগ্রহ নেই জামায়াতে



 জিয়া আহসান    ১৩ জুলাই ২০১৯, শনিবার, ৯:৪৭   রাজনীতি বিভাগ


সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে কমিটি হয়েছিল। বলা হয়েছিল, নতুন দল গঠন অথবা দলে সংস্কার আনা নিয়ে এ কমিটি কাজ করবে। কিন্তু এখন এটা খোলাসা হয়ে গেছে যে ওই কমিটি ছিল মূলত লোক দেখানো। ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক পদত্যাগ করায় উদ্ভূত পরিস্থিতি শামাল দিতেই মূলত ওই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছিল। তখন একই তরিকা অনুসরণের কারণে মজিবুর রহমান মঞ্জুকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। তিনি এখন জনআকাঙ্খার বাংলাদেশ নামে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরির চেষ্টা করছেন। এতে জামায়াত-শিবিরের সাবেক কিছু মধ্যম সারির নেতা যোগ দিয়েছেন। তবে জামায়াতের রাজনীতিতে প্রভাব পড়তে পারে এমন কোন নেতা এখনও পর্যন্ত নতুন দলে যোগ দেননি। যদিও জনআকাঙ্খার বাংলাদেশ নিয়ে জামায়াত বেশ সতর্ক অবস্থায় রয়েছে।যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে জামায়াতের রাজনীতি ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। যদিও জামায়াতের কোন কোন নেতা যুক্তি দেখান বিএনপির বিরুদ্ধেতো আর যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ নেই। বিএনপিরওতো সেই একই দশা। সে যাই হোক, জামায়াতের একাধিক পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে এই ধারণা পাওয়া গেছে, এখনই জামায়াতে সংস্কার বা নতুন দল গঠনের কোন সম্ভাবনা নেই। তারা মনে করেন, মজিবুর রহমান মঞ্জুর মতো কেউ কেউ আবেগতাড়িত। তবে রাজনীতিতে শেষ পর্যন্ত আবেগের কোন মূল্য নেই। এমনকি সংস্কারপন্থী বলে পরিচিত জামায়াত-শিবিরের যে অংশ তাদেরও মত হচ্ছে, নতুন দল বা সংস্কারের মতো পরিস্থিতি এখন দেশে নেই। তাদের মূল্যায়ন হচ্ছে, বাংলাদেশে ডানপন্থী রাজনীতিবিদেরা যে ছাতার নীচে আশ্রয় নিয়েছেন সেটি হচ্ছে বিএনপি। সমালোচনা থাকতে পারে, দোষত্রুটিও আছে তারপরও খালেদা জিয়ার জনপ্রিয়তা নিয়ে সংকট নেই। কিন্তু সেই জনপ্রিয়তা প্রমাণের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা খালেদার সামনে খোলা নেই। আর এই ব্যবস্থা তৈরির যে ম্যাকানিজম সেটি বিএনপি এখন হারিয়ে ফেলেছে। জামায়াত এই ব্যাপারে আরও অনেক দূর্বল অবস্থানে রয়েছে। এই অবস্থায় নতুন কোন দল বা সংগঠন গড়ে পরিস্থিতির পরিবর্তনের কোন সম্ভাবনা নেই।

যুদ্ধাপরাধের ইস্যু তাড়া করে ফিরছে জামায়াতকে। দলটির শীর্ষ নেতাদের প্রায় সবারই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়েছে। এক দশক ধরে জামায়াতের রাজনীতি কার্যত নিষিদ্ধ। দেশের তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ জামায়াতকে ঘৃণা করে। স্বাধীনতা বিরোধিতার যে দাগ তা থেকে মুক্তি পেতে ক্ষমা চাওয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই জামায়াতে আলোচনা চলে আসছে। এরআগে ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাকও এ নিয়ে দলে একাধিকবার প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন। আর বিশ্বের অন্যান্য দেশের আদলে জামায়াতের ভেতরে সংস্কার নিয়েও কম আলোচনা হয়নি। মীর কাসেম আলী, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান দলে সংস্কার প্রস্তাব উত্থান করেছিলেন। কিন্তু কট্টরপন্থী সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতৃত্ব এতে সাড়া দেয়নি। জামায়াতের রাজনীতির এক পরামর্শদাতা বলেন, জামায়াত যখন ক্ষমতার অংশিদার হয়েছিল তখন ছিল সংস্কারের জন্য সর্বোত্তম সময়। এখন সংস্কারের কোন উদ্যোগ নিয়ে লাভ নেই। যে লাউ সে কধুই হবে। এখন জামায়াতের দীর্ঘ অপেক্ষার প্রস্তুতি নিতে হবে এবং লোক তৈরি করতে হবে।




 এ বিভাগের অন্যান্য


নেত্রী বলেছেন আসেন, আবার এসে গেলাম


জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে খোকা


এবার ইবি ছাত্রলীগ নেতার চাঞ্চল্যকর অডিও ফাঁস


রাজনৈতিক দলের কোনো ধর্ম থাকতে পারেনা: মঞ্জু


যে গোয়েন্দা রিপোর্টে শোভন-রাব্বানীর ভাগ্য বিপর্যয়


কাদের না রওশন: জাপার চেয়ারম্যান আসলে কে?


নতুন জামায়াতের আমির হতে পারেন মিয়া গোলাম পরওয়ার


জামায়াতের সংস্কাপন্থীদের উদ্যোগে সাড়া নেই


কামাল-ফখরুল কি আতাত করে বিএনপিকে ভোটে রেখেছিলেন?


নিউজার্সি স্টেট বিএনপির কমিটি গঠিত


স্বৈরশাসক থেকে কিংমেকার


নতুন দলে যোগ দিতে রাজি হননি রাজ্জাক ও মাহমুদুর রহমান


জাপা কি দুই ভাগ হয়ে যাবে?


যে কারণে সংস্কার বা নতুন দল নিয়ে আগ্রহ নেই জামায়াতে


এরিক কি তার বাবাকে দেখতেও পাবে না?





All rights reserved www.durbinnews.com