www.durbinnews.com::জানি এবং জানাই

নতুন দলে যোগ দিতে রাজি হননি রাজ্জাক ও মাহমুদুর রহমান



 নিজস্ব প্রতিনিধি    ১৮ জুলাই ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৯:৪১   রাজনীতি বিভাগ


এমনিতে বাংলাদেশের রাজনীতি এক জায়গায় স্থির হয়ে আছে। কোন নড়চড় নেই। এরই মধ্যে জনআকাঙ্খার বাংলাদেশ নামে একটি দল কিছুটা আলোচনায় এসেছে। মূলত জামায়াতের সংস্কারপন্থীদের নিয়ে গঠিত এ দল নিজেদের মঞ্চ বলে পরিচয় দিচ্ছে। এর নেতৃত্বে রয়েছেন শিবিরের সাবেক সভাপতি মজিবুর রহমান মঞ্জু। এ মঞ্চ রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের জন্য তাদের তৎপরতা অব্যাহত রেখেছে। ঢাকায় এবং ঢাকার বাইরে একাধিক বৈঠক করেছেন তারা। একাধিক সূত্র বলছে, জনআকাঙ্খার বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জামায়াতের সাবেক নেতা ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক এবং দৈনিক আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। কিন্তু নতুন কোনৃ রাজনৈতিক তৎপরতায় সংশ্লিষ্ট হতে নিজেদের অনিহা প্রকাশ করেছেন তারা।
জামায়াতের সাবেক সহকারি সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক বর্তমানে লন্ডনে অবস্থান করছেন। আইন পেশায় ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তিনি। তিনি ভবিষ্যতে আর কোন রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় জড়িত হতে চান না। জনআকাঙ্খার বাংলাদেশের নেতারা অনুরোধ জানালেও যে কারণে ব্যারিস্টার রাজ্জাক তাতে রাজি হননি। নতুন এই রাজনৈতিক উদ্যোগের পেছনে মাহমুদুর রহমান আছেন কি না তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা ছিল। আমার দেশ পত্রিকার সম্পাদক এবং বিএনপির অঘোষিত পরামর্শকদের অন্যতম মাহমুদুর রহমান বর্তমানে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। তিনি সহসা দেশে ফিরবেন এমন কোন সম্ভাবনা নেই। তারও এখন নতুন কোন রাজনৈতিক উদ্যোগে জড়িত হওয়ার ইচ্ছা নেই বলে সূত্রের দাবি। ওদিকে, জনআকাঙ্খার বাংলাদেশের সাফল্য নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন জামায়াতের অভ্যন্তরে সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত একাধিক নেতা। এই ধরনের একজন নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে দূরবীন নিউজকে বলেন, জামায়াতের সংস্কার ইস্যুতে অতীতে আমি সোচ্চার ছিলাম। বিশেষ করে জোট সরকারের সময়। জামায়াতে সংস্কার দরকার। কিন্তু এখন সংস্কারের কিংবা নতুন দল গড়ার কোন গণতান্ত্রিক পরিবেশ নেই। এমন পরিস্থিতিতে নতুন কোন দলের সাফল্য পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। যে নেতারা এসব করছেন তারা আবেগী। বাস্তবতা বুঝছেন না।  
জন আকাঙ্খার বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত জামায়াতের কোন শীর্ষ স্থানীয় নেতা যোগ দেননি। এ মঞ্চের সবচেয়ে পরিচিত মুখ মজিবুর রহমান মঞ্জু। যিনি শিবিরের সাবেক সভাপতি। জামায়াতের বহিষ্কৃত নেতা। বলা হচ্ছে, এটিই জামায়াতের সংস্কারপন্থীদের নতুন দল। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান অবশ্য বলছেন, জামায়াতে সংস্কারপন্থী বলে কিছু নেই। নতুন এই সংগঠন জামায়াতের ওপর কোন প্রভাব ফেলবে না। অনেকের মনেই প্রশ্ন কে এই মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জামায়াতের কোন হেভিওয়েট নেতা নন। তবে শিবিরের সাবেক সভাপতি হিসেবে তরুণ প্র্রজন্মের অনেকের ওপর তার প্রভাব রয়েছে। ১৯৮৮ সালে তিনি শিবিরে যোগ দেন। তার পরিবার এটা মেনে নিতে পারেনি। পরিবারের সদস্যরা সেসময় তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেন। দীর্ঘ দিন তিনি পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন ছিলেন। মঞ্জু শিবিরের চট্টগ্রাম কলেজ ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্র সংগঠনের হামলায় একবার তিনি গুরুত্বর আহত হয়েছিলেন। প্রতিপক্ষ অবশ্য তার বিরুদ্ধেও সন্ত্রাসের অভিযোগ এনে থাকে। ২০০৪ সালে মঞ্জু জামায়াতে যোগ দেন।

জামায়াতের রাজনীতিতে মজিবুর রহমান মঞ্জু ছিলেন মূলত মুহাম্মদ কামারুজ্জামান ও মীর কাসেম আলীর অনুসারী। এই দুই জন বরাবরই জামায়াতে সংস্কারের পক্ষে ছিলেন। দুই জনই শিবিরের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। মজিবুর রহমান মঞ্জুও জামায়াতে একাধিকবার সংস্কার ইস্যুতে কথা বলেছেন। এ নিয়ে দল তাকে সতর্কও করেছিল। কিন্তু সংস্কার প্রশ্নে অনঢ় থাকায় পরে তাকে বহিষ্কার করা হয়।




 এ বিভাগের অন্যান্য


নেত্রী বলেছেন আসেন, আবার এসে গেলাম


জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে খোকা


এবার ইবি ছাত্রলীগ নেতার চাঞ্চল্যকর অডিও ফাঁস


রাজনৈতিক দলের কোনো ধর্ম থাকতে পারেনা: মঞ্জু


যে গোয়েন্দা রিপোর্টে শোভন-রাব্বানীর ভাগ্য বিপর্যয়


কাদের না রওশন: জাপার চেয়ারম্যান আসলে কে?


নতুন জামায়াতের আমির হতে পারেন মিয়া গোলাম পরওয়ার


জামায়াতের সংস্কাপন্থীদের উদ্যোগে সাড়া নেই


কামাল-ফখরুল কি আতাত করে বিএনপিকে ভোটে রেখেছিলেন?


নিউজার্সি স্টেট বিএনপির কমিটি গঠিত


স্বৈরশাসক থেকে কিংমেকার


নতুন দলে যোগ দিতে রাজি হননি রাজ্জাক ও মাহমুদুর রহমান


জাপা কি দুই ভাগ হয়ে যাবে?


যে কারণে সংস্কার বা নতুন দল নিয়ে আগ্রহ নেই জামায়াতে


এরিক কি তার বাবাকে দেখতেও পাবে না?





All rights reserved www.durbinnews.com