আজকের খবর


সংকট কাটাতে কেনা ১,১৪৮ কোটির ইঞ্জিন নিয়ে বিপাকে রেলওয়ে!


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:০৬ আগস্ট ২০২২, ১২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার

সংকট কাটাতে কেনা ১,১৪৮ কোটির ইঞ্জিন নিয়ে বিপাকে রেলওয়ে!

সংকট কাটাতে কেনা এগারোশো আটচল্লিশ কোটি টাকার ত্রিশটি মিটারগেজ ইঞ্জিন নিয়ে বিপাকে পড়েছে বাংলাদেশ রেলওয়েসম্ভাব্যতা যাচাই ছাড়াই দক্ষিণ কোরিয়া থেকে আমদানি করা নতুন ইঞ্জিন গুলো সব রুটে চলাচলের উপযোগী নয়ফলে রেলওয়ের সক্ষমতা বাড়িয়ে যাত্রী সেবার মান উন্নয়নে লক্ষ্যে কেনা নতুন ইঞ্জিন গুলোর পুরোপুরি সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে ওজন বেশি হওয়ায় পুরোনো সেতু সেগুলো এসবের ভার নিতে পারছে না। এছাড়া পুরাতন রেললাইন ও বিভিন্ন স্টেশনের শেডের চেয়ে উচ্চতা বেশি হওয়ার কারণে সব রুটে সেগুলো চালানো যাচ্ছে অথচ নিয়ম অনুযায়ী কেনার পূর্বের এসব বিষয়ের সম্ভাব্যতা যাচাই করা বাধ্যতামূলক ছিলো, কিন্তু এক্ষেত্রে তা করা হয়ন২০২১ নতুন মিটারগেজ ইঞ্জিন গুলো নিজেদের বহরে যুক্ত করে রেলওয়ে। 

কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের অর্থায়নে প্রথম ধাপে দুইশো সাতানব্বই কোটি তেষট্টি লাখ টাকা ব্যয়ে দশটি ইঞ্জিন কেনা হযপরে আরেকটি প্রকল্পে আটশো একচল্লিশ কোটি তেইশ লাখ টাকা ব্যয়ে বাকি বিশটি লোকোমোটিভ কেনা হয়।রেলের মেকানিক্যাল বিভাগের তথ্যমতে, পুরোনো ভারী ইঞ্জিন গুলোর গড় ওজন ছিলো সত্তর থেকে বাহাত্তর টন।


অন্যদিকে নতুন ভাবে আমদানি করা ইঞ্জিন গুলোর গড় ওজন প্রায় নব্বই থেকে পঁচানব্বই টন। যার কারনে পুরোনো ট্র্যাক এবং শতবর্ষী সেতুতে এগুলো চলতে পারছে না।কালুরঘাট রেলওয়ে সেতু, ভৈরব পুরাতন সেতু, কুশিয়ারা সেতু, ঘোড়াশালসহ সাতটি সেতুতে  নতুন লোকোমোটিভ চলতে পারছে না।


এছাড়া বিভিন্ন রুটের রেল ট্র্যাক পুরাতন হওয়ায় সেসব রুটেও চলাচল করতে পারছে নাঅন্যদিকে নারায়ণগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, দেওয়ানগঞ্জ ও কুলাউড়া স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম শেডের উচ্চতা নতুন ইঞ্জিনের উচ্চতা থেকে কম। ফলে এসব স্টেশনে সেগুলো চলাচল করতে পারছে রেলের পরিবহন বিভাগের তথ্যমতে, সংস্থাটির কাছে মিটারগেজ ইঞ্জিন রয়েছে একশো ঊনষাটটি। যার দুই-তৃতীয়াংশ মেয়াদোত্তীর্ণআবার পঞ্চাশ বছরের বেশি সময় ধরে চলে এমন কিছু ইঞ্জিন রয়েছে, যেগুলোর আয়ুস্কাল ছিলো মাত্র বিশ বছরবর্তমানে দৈনিক একশো ষোলোটি ইঞ্জিনের চাহিদা থাকলেও ত্রুটির কারনে মাত্র একশো থেকে একশো পাঁচটি ইঞ্জিন নিয়মিত চালাতে পারে রেলওয়ে।মূলত এই সংকট কাটাতে দক্ষিণ কোরিয়া থরকে কেনা হয়েছিলো নতুন লোকোমোটিভ গুলো।


বর্তমানে দেশের চুয়াল্লিশটি জেলায় রেল যোগাযোগ রয়েছে। জেলা গুলোকে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল ও পশ্চিমাঞ্চল নামে দুটি প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়েছরেলের দুই অঞ্চলে মোট দশটি মেইন লাইনের মিটারগেজ রুট রয়েছে। কিন্তু পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম-চাঁদপুর-চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম

এবং পশ্চিমাঞ্চলের ঢাকা-পার্বতীপুর-দিনাজপুর-পঞ্চগড়, ঢাকা-রাজশাহী এই চারটি রুটে চলছে নতুন যুক্ত হওয়া ইঞ্জিন গুলো।উপযোগীতা না থাকায় ছয়টি বড় রুট ঢাকা-ময়মনসিংহ-জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ, ঢাকা-ভৈরর-গৌরিপুর-ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম-সিলেট, চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ, ঢাকা-নোয়াখালী, ঢাকা-সিলেট ইঞ্জিনগুলো চলতে পারছে না।


সম্ভ্যবতা যাচাই না করেই ত্রিশটি ইঞ্জিন ক্রয় প্রকল্পের পরিচালক মোহাম্মদ হাসান মনসুর বলেন, 

"ত্রিশ টি ইঞ্জিন কেনা হয়েছিলো রিপ্লেসমেন্ট হিসেবে। ইঞ্জিনের পরিবর্তে ইঞ্জিন কেনার ক্ষেত্রে সেভাবে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয় না।"অন্যদিকে সব রুটে নতুন লোকোমোটিভ চলাচল করতে না পারার কারণ হিসেবে সময়মতো রেললাইন সংস্কার না হওয়াকে দায়ী করছেন তিনি।








ে। 






না।







়।



ি।


না।


না।






জনপ্রিয়