আজকের খবর
ঢাকায় সালমান খানের ফ্যাশন ব্র্যান্ড!
বাংলাদেশে এলো বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের প্রতিষ্ঠিত ফ্যাশন ব্র্যান্ড 'বিয়িং হিউম্যান ক্লদিং'।
১৫ই সেপ্টেম্বর ঢাকার বনানীতে সালমান খানের ভাই অভিনেতা সোহেল খানের উপস্থিতিতে ব্র্যান্ডটির শোরুম উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশে এটিই হতে চলেছে বিয়িং হিউম্যান ক্লদিংয়ের প্রথম কোনো দোকান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সোহেল খানের সঙ্গে ঢাকায় এসেছিলেন সালমান খানের বোনের ছেলে আয়ান অগ্নিহোত্রী এবং বিয়িং হিউম্যান ক্লদিংয়ের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা সঞ্জীব রাও।
পূর্বঘোষণা অনুযায়ী বৃহস্পতিবার দুপুরে সোহেল খান হাজির হন প্রতিষ্ঠানটির বনানী আউটলেটে। এ সময় ‘বিয়িং হিউম্যান ক্লোদিং' বাংলাদেশ শাখার পক্ষ থেকে নেচে-গেয়ে সোহেলকে স্বাগত জানানো হয়। পরে ফিতা কেটে শোরুমটির উদ্বোধন করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভক্ত ও গণমাধ্যমকর্মীদের উদ্দেশে সোহেল খান বলেন, “বিয়িং হিউম্যান আমাদের একটি পারিবারিক ব্র্যান্ড। বাংলাদেশে ব্র্যান্ডটির একটি শাখা তৈরি করতে পেরে আমরা সকলেই খুবই গর্বিত বোধ করছি।''
এসময় বাংলাদেশের অভূতপূর্ব সৌন্দর্য ও ভক্তদের ভালোবাসা নিয়ে প্রশংসা করতেও ভোলেননি এই অভিনেতা।
ঢাকাই খাবারের প্রসঙ্গে এই তারকা বলেন, ‘আমি বাংলা খাবারের অপেক্ষায় আছি'। তবে এয়ারপোর্টে নেমেই সরাসরি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসায় তখনও সে খাবার মুখে তোলার সুযোগ মেলেনি তার।
২০০৭ সালে সালমান খানের পরিবারের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠা করা হয় বিয়িং হিউম্যান, যা মূলত একটি দাতব্য সংগঠন হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে। অসহায় মানুষের সাহায্যার্থে এর উপার্জিত অর্থ ব্যয় করা হয়।
তারই ধারাবাহিকতায় ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বিয়িং হিউম্যান ক্লদিং। বিশ্বের ১৫টি দেশে রয়েছে ব্র্যান্ডটির ৭৫টি বিশেষ শোরুম। এ ছাড়াও বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫০০টির মতো দোকানে মেলে বিয়িং হিউম্যানের ফ্যাশন সামগ্রী।
এই ব্র্যান্ড থেকে পাওয়া লভ্যাংশ চলে যায় সালমান খান ফাউন্ডেশনে, যা কাজ করে ভারতের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের পড়াশোনা ও স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে।
যদি ভালো সাড়া পাওয়া যায় তবে ঢাকায় প্রতিষ্ঠানটির আরো কিছু শাখা স্থাপনের ইচ্ছে আছে বলে জানান অভিনেতা সোহেল খান। বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম বিস্তৃত করাই তাদের মূল্য লক্ষ্য।
এসময় বাংলাদেশের গান সিনেমা দেখেছেন বলেও ভক্তদের জানান এ অভিনেতা। সবশেষে বাংলা উচ্চারণে 'ভালোবাসি বাংলাদেশ’ বলে বেলা ৩টা ১০ মিনিটে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন তিনি।
বলিউড তারকা চিত্রনাট্যকার সেলিম খানের ছেলে সোহেল খান নিজেও একাধারে অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক। ম্যায়নে দিল তুঝকো দিয়া, ডরনা মানা হ্যায়, কৃষ্ণা কটেজসহ বেশ কিছু চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন তিনি।
এছাড়াও প্যায়ার কিয়া তো ডরনা কিয়া, হ্যালো ব্রাদার, ম্যায়নে দিল তুঝকো দিয়াসহ কয়েকটি সিনেমার পরিচালনার কাজও করেছেন।
বেশ কিছুদিন থেকেই বিয়িং হিউম্যান ক্লদিং বাংলাদেশের ফেসবুক পেইজ থেকে ব্র্যান্ডটির ঢাকায় আসার খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছিলো।
তবে, প্রতিষ্ঠানটির মূল ফেসবুক পেইজ কিংবা সালমান খানের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না আসায় সে খবরের সত্যতা নিয়ে অনেকেই ছিলেন সন্দিহান।
অবশেষে উদ্বোধনের একদিন আগে ঐ পেইজ থেকে পোস্টকৃত সালমান খানের একটি ভিডিও বার্তা ভক্তদের মনের সকল ধোঁয়াশা দূর করে দেয়।
ভিডিও বার্তায় সালমান খান বলেন, ‘হাই বাংলাদেশ। ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে আপনাদের জন্য চমক নিয়ে আসছে বিয়িং হিউম্যান ক্লদিং। প্রথমবারের মতো ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুরে বনানীর ১০ নম্বর সড়কে উদ্বোধন হচ্ছে দোকানটি।’
ভিডিও বার্তায় সবাইকে সেই উদ্বোধনী আয়োজনে শামিল হতেও বলেন এই অভিনেতা।
তারই ধারাবাহিকতায় গতকাল ঢাকার বনানীতে উদ্বোধন হলো ব্র্যান্ডটির। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সালমান খানের এই ব্র্যান্ডের ম্যানেজিং পার্টনার হিসেবে থাকছে এমএসআর গ্রুপ।
.jpg)
.jpg)


.webp)

.jpg)

.jpg)