আজকের খবর
ক্রিকেট দলের স্পন্সর হবে এমিরেটস এয়ারলাইন্স, আয় বাড়বে বিসিবির
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের স্পনসর হতে পারে, দুবাই ভিত্তিক বিমানসংস্থা এমিরেটস এয়ারলাইন্স। এমনটি হলে ভাগ্য খুলে যেতে পারে BCB-র।
নামী দামী কোনো ব্র্যান্ডের স্পন্সরশিপ না পাওয়া নিয়ে, বরাবরই আক্ষেপ ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেটে। তবে এবার সেই আক্ষেপ গোচাতে যাচ্ছে এমিরেটস।
বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তির বিষয়ে আগ্রহের খবরটি নিশ্চিত করেছেন, পশ্চিম এশিয়া ও ভারতীয় মহাসাগর অঞ্চলের, এমিরেটসের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, আহমেদ হাশিম খুরি।
টি-টোয়েন্টি ও টেস্টে ততটা সফলতা না আসলেও, গত কয়েক বছর ধরেই ওয়ানডে সংস্করণে, দুর্দান্ত খেলছে বাংলাদেশ দল।
গত ৮ বছরে ভারত, পাকিস্তান, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো টিমকে, ওয়ানডে সিরিজে পরাজিত করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা।
ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকাকে হারিয়েছে দুইবার। দক্ষিণ আফ্রিকাকে তো, তাদের মাটিতেই ,ওয়ানডে সিরিজ হারিয়েছে।
বড় দলগুলোর বিরুদ্ধে সিরিজ জেতার ফলে, টাইগারদের নামডাক আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে চাহিদা বেড়েছে স্পন্সরশিপেরও।
টি-টোয়েন্টি ও টেস্টে টানা সফলতা না আসলেও, মাঝেমাঝে ধরা দেয় অধরা সাফল্য।
এর মধ্যে নিউজিল্যান্ডকে সফরে টেস্ট, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়াকে দেশের মাটিতে টেস্ট হারিয়ে, সাদা পোশাকেও নিজেদের শক্তির জানান দিয়েছিল টাইগাররা।
অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডকে টি-টোয়েন্টিতে হারিয়েও, ইতিহাস গড়েছিল বাংলাদেশ। লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের এইসব সফলতা, নজর কেড়েছে এমিরেটসের।
বিশ্বখ্যাত এই এয়ারলাইনস কোম্পানি এখন পরিকল্পনা করছে, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের স্পন্সরশিপ নেওয়ার জন্য।
কোম্পানিটির বাণিজ্যিক বছর শুরু হয় ১ এপ্রিল থেকে। অর্থাৎ এক মাস পরেই শুরু হবে, তাদের বাণিজ্যিক বছর।
নতুন বছর শুরু হওয়ার পর, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের স্পন্সরশিপ নেওয়ার জন্য চেষ্টা চালাবে এমিরেটস।
তবে নভেম্বর পর্যন্ত দারাজের সাথে চুক্তি আছে টাইগারদের।
ভাইস প্রেসিডেন্ট আহমেদ হাশিম বলেন, "অবশ্যই এখন একটা সুযোগ আছে। এপ্রিলের ১ তারিখ থেকে আমাদের নতুন বাণিজ্যিক বছর শুরু হবে। আমাদের পরিকল্পনা আছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের স্পন্সরশিপ নেওয়ার ব্যাপারে।
আমি জানি, স্পন্সরশিপের জন্য বাংলাদেশ ক্রিকেট দল কেবল এমিরেটসেরই লক্ষ্য নয়। আমি নিশ্চিত যে আরো কিছু এয়ারলাইনস, বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের স্পনসরশিপ নিতে চায়।"
এমিরেটস এই দায়িত্ব পেলে, বিসিবির লাভ আরো বেশি হবে। কারণ এমিরেটসের মতো বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর্থিক দিক থেকেও, নিজেদেরকে সবার থেকে আলাদা করে চেনাবে।
তারা ইতোমধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বীদের নিয়েও সতর্ক। অন্যান্য এয়ারলাইনগুলোও যে স্পন্সরশিপ নেওয়ার পরিকল্পনায় আছে তা তারা জানেন। ফলে নিলামে বড় অঙ্ক হাঁকিয়েই, নিজেদের অবস্থানের জানান দিতে চাইবে এমিরেটস।
বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের স্পনসরশিপ হিসেবে বর্তমানে আছে দারাজ৷ এই অনলাইন মার্কেট প্লেসের সাথে, বিসিবির চুক্তির মেয়াদ ২০২৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত। ২০২১ সালের এপ্রিল মাসে দারাজ পেয়েছিল এই স্পন্সরশিপ।
এর আগে ২০১২ সাল থেকে যখন বাংলাদেশ ভালো ক্রিকেট খেলছিল, তখন ভারতীয় কোম্পানি সাহারা স্পন্সরশিপ নিয়েছিল।
তারপর আসে টেলিকম কোম্পানি রবি। দীর্ঘ দিন ধরেই রবি ছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের স্পন্সর। আবার ২০২০ সাল পর্যন্ত, ইউনিলিভার পেয়েছিল স্পন্সরশিপ।
তারপর সিরিজ ভিত্তিক আকাশকে দেখা গিয়েছিল টাইগারদের জার্সিতে। করোনা কালীন সময়ে, বেশ বেগ পেতে হয়েছিল স্পন্সরশিপ পেতে।
তবে আবারো সুদিন ফেরায় দারাজ। সেই পালে এখন আরো হাওয়া লাগালো এমিরেটস।
.jpg)
.jpg)


.webp)

.jpg)

.jpg)