আজকের খবর
চাঁদের প্রভাবে বন্যা হতে পারে পৃথিবীতে!
চাঁদ তার নিদিষ্ট স্থান থেকে সরে যাচ্ছে। আর এ কারনে পৃথিবীতে নাটকীয় ভাবে ঘটবে রেকর্ড পরিমান বন্যা। টানা কয়েক মাস পানির নিচে থেকে যেতে পারে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার গবেষণায় উঠে এসেছে এ উদ্বেগ জনক তথ্য।
গবেষণায় দেখা যায়, বৈশিক উঞ্চতা আর চাঁদের কক্ষপথ পরিবর্তন,এই দুইয়ে মিলে বাড়বে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা। চাঁদের এই অস্বাভাবিক গতিবিধির কারণে ২০৩০ সালের পর থেকে ১০ বছর ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়বে উপকূলীয় অঞ্চলগুলো।বিশেষ করে আমেরিকা সহ বিশ্বের বিভিন্ন উপকূলীয় শহর বন্যায় প্লাবিত হতে পারে। এতে ভেসে যাবে হাজার হাজার ঘর বাড়ি আশ্রয়হীন হয়ে পড়বে লাখ লাখ মানুষ।
নাসার বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, জলবায়ু পরিবর্তন আর চাঁদের কক্ষপথ পরিবর্তনের প্রভাবে আগামী ২০৩০ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই বন্যা সংশ্লিষ্ট দুর্যোগ দুই-তিনগুণ বাড়বে। সমুদ্রের পানির উচ্চতাও বেড়ে যাবে। সব মিলিয়ে এক ভয়াবহ সময় অপেক্ষা করছে পৃথিবীবাসীর জন্য। মূলত চাঁদের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে জোয়ার-ভাটা ঘটে।আর চাঁদের অবস্থানের পরিবর্তন ঘটলে বাড়বে জোয়ার।
চাঁদ বর্তমানে যে অবস্থায় রয়েছে তাতে পৃথিবীর সব সমুদ্র ও মহাসাগরে জোয়ারের চেয়ে ভাটার পরিমাণ বেশি। কিন্তু ২০৩০ সালে এর বিপরীত পর্যায় দেখা যাবে। অর্থাৎ সে সময় জোয়ারের পরিমাণ ভাটার চেয়ে বেশি হবে।এমনটা হলে আশঙ্কা করা হচ্ছে সমুদ্রের ঢেউয়ের গড় উচ্চতা থেকে ২ ফুট বেড়ে যাবে।
নাসার মতে, নুইস্যান্স ফ্লাড নামের এ ধরনের বন্যা বর্তমানে শুধু উপকূলবর্তী এলাকায় দেখা যায়। কিন্তু এই নুইস্যান্স ফ্লাড ২০৩০ সালে ঘনঘন হবে।বন্যায় বহু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বাস্তুচ্যুত হবে অনেক মানুষ। বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের প্রভাবে টানা কয়েক মাস পানির নিচে থেকে যাবে আমেরিকাসহ সমুদ্র উপকূলবর্তী বহু দেশের অনেক শহর।সবমিলিয়ে বিজ্ঞানীরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ২০৩০ সাল থেকে টানা এক দশক ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়তে যাচ্ছে।
গবেষণায় জড়িত হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ফিল থম্পসন বলেছেন,যদি এক মাসে ১৫-২০ বার বন্যা হয় তাহলে ব্যবসা বাণিজ্য চালাতে পারবে না মানুষ।কারণ অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট পানির নিচে তলিয়ে থাকবে। মানুষ চাকরি হারাবে।আমেরিকার জাতীয় মহাসাগর ও বায়ুমণ্ডলীয় অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে,শুধুমাত্র ২০১৯ সালে আমেরিকাতে উচ্চ জোয়ারের কারণে ৬০০ বার বন্যা হয়েছিল। চীন-জার্মানির মতো উন্নত দেশগলোও ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হচ্ছে। চীনের হেনানা প্রদেশের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ। আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১৯ কোটি ডলার।২০৩০ সালের দিকে চাঁদ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সারা পৃথিবীর উপকূলবর্তী মানুষদের ভোগান্তি যে শুধুমাত্র কিছু সময়ের অপেক্ষা,সে কথা পরিষ্কার ভাবেই বলছেন বিজ্ঞানীরা।
গবেষণায় দেখা যায়, বৈশিক উঞ্চতা আর চাঁদের কক্ষপথ পরিবর্তন,এই দুইয়ে মিলে বাড়বে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা। চাঁদের এই অস্বাভাবিক গতিবিধির কারণে ২০৩০ সালের পর থেকে ১০ বছর ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়বে উপকূলীয় অঞ্চলগুলো।বিশেষ করে আমেরিকা সহ বিশ্বের বিভিন্ন উপকূলীয় শহর বন্যায় প্লাবিত হতে পারে। এতে ভেসে যাবে হাজার হাজার ঘর বাড়ি আশ্রয়হীন হয়ে পড়বে লাখ লাখ মানুষ।
নাসার বিজ্ঞানীরা আশঙ্কা করছেন, জলবায়ু পরিবর্তন আর চাঁদের কক্ষপথ পরিবর্তনের প্রভাবে আগামী ২০৩০ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই বন্যা সংশ্লিষ্ট দুর্যোগ দুই-তিনগুণ বাড়বে। সমুদ্রের পানির উচ্চতাও বেড়ে যাবে। সব মিলিয়ে এক ভয়াবহ সময় অপেক্ষা করছে পৃথিবীবাসীর জন্য। মূলত চাঁদের অবস্থানের উপর ভিত্তি করে জোয়ার-ভাটা ঘটে।আর চাঁদের অবস্থানের পরিবর্তন ঘটলে বাড়বে জোয়ার।
চাঁদ বর্তমানে যে অবস্থায় রয়েছে তাতে পৃথিবীর সব সমুদ্র ও মহাসাগরে জোয়ারের চেয়ে ভাটার পরিমাণ বেশি। কিন্তু ২০৩০ সালে এর বিপরীত পর্যায় দেখা যাবে। অর্থাৎ সে সময় জোয়ারের পরিমাণ ভাটার চেয়ে বেশি হবে।এমনটা হলে আশঙ্কা করা হচ্ছে সমুদ্রের ঢেউয়ের গড় উচ্চতা থেকে ২ ফুট বেড়ে যাবে।
নাসার মতে, নুইস্যান্স ফ্লাড নামের এ ধরনের বন্যা বর্তমানে শুধু উপকূলবর্তী এলাকায় দেখা যায়। কিন্তু এই নুইস্যান্স ফ্লাড ২০৩০ সালে ঘনঘন হবে।বন্যায় বহু অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি বাস্তুচ্যুত হবে অনেক মানুষ। বন্যা ও জলোচ্ছ্বাসের প্রভাবে টানা কয়েক মাস পানির নিচে থেকে যাবে আমেরিকাসহ সমুদ্র উপকূলবর্তী বহু দেশের অনেক শহর।সবমিলিয়ে বিজ্ঞানীরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্র ২০৩০ সাল থেকে টানা এক দশক ভয়াবহ বন্যার কবলে পড়তে যাচ্ছে।
গবেষণায় জড়িত হাওয়াই বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ফিল থম্পসন বলেছেন,যদি এক মাসে ১৫-২০ বার বন্যা হয় তাহলে ব্যবসা বাণিজ্য চালাতে পারবে না মানুষ।কারণ অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট পানির নিচে তলিয়ে থাকবে। মানুষ চাকরি হারাবে।আমেরিকার জাতীয় মহাসাগর ও বায়ুমণ্ডলীয় অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের মতে,শুধুমাত্র ২০১৯ সালে আমেরিকাতে উচ্চ জোয়ারের কারণে ৬০০ বার বন্যা হয়েছিল। চীন-জার্মানির মতো উন্নত দেশগলোও ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ বন্যার মুখোমুখি হচ্ছে। চীনের হেনানা প্রদেশের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ। আর্থিক ক্ষতি হয়েছে ১৯ কোটি ডলার।২০৩০ সালের দিকে চাঁদ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সারা পৃথিবীর উপকূলবর্তী মানুষদের ভোগান্তি যে শুধুমাত্র কিছু সময়ের অপেক্ষা,সে কথা পরিষ্কার ভাবেই বলছেন বিজ্ঞানীরা।
.jpg)
.jpg)


.webp)

.jpg)

.jpg)