আজকের খবর
গ্রামে ৩৫ টাকার ডাব শহরে বিক্রি হচ্ছে দেড়শ টাকায়!
ব্যবসায়ীরা জানায়, গ্রাম থেকে শহরের একজন ক্রেতার হাতে এক একটি ডাব পৌঁছতে এর মাঝে প্রায়টি ১২টি হাত বদল হয়। প্রতিটি হাতেই থাকে লাভের হিসাব। এর মাঝে ডাব প্রতি ২০-৩০ টাকা লাভ নেয় শহরের মধ্যসত্ত্বভোগী কিংবা আড়ৎদার।
কোমলপানীয় হিসেবে অতীতে সব সময়ই কম বেশি ডাবের চাহিদা ছিল। চাহিদার সাথে সাথে ডাবের দাম নারিকেলের চেয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় চাষীরা এখন গাছ শুন্য করে ডাব বিক্রি করে ফেলছে। এতে নারিকেল উৎপাদন প্রায় শূন্য হয়ে গেছে। চাহিদা বৃদ্ধির সাথে দেশব্যাপী অস্বাভাকিভাবে বেড়ে গেছে ডাবের দাম।
একটি ডাব বাগান থেকে শহরের ক্রেতাদের হাতে পৌঁছতে প্রায় ১২টি হাত বদল করতে হয়। প্রতিটি হাতে গুণে গুণে টাকা দিতে হয়। প্রথমত তারা বাগানের বা বাড়ির মালিকদের থেকে বর্তমানে প্রতিটি ডাব গড়ে কিনছেন ৩৫-৪৫ টাকায়। দ্বিতীয়ত গাছ থেকে প্রতিটি ডাব নামাতে স্থানীয় পাড়িয়াদের (তরুণ যারা গাছ থেকে ডাব কাটে) দিয়ে খরচ করতে হয় ৩-৪ টাকা। তৃতীয়ত যারা গাছের গোড়ায় রশি ধরে এবং ঝরা ডাব এক স্থানে জড়ো করে তাদেরকে দিতে হয় ডাব প্রতি ৪০-৫০ পয়সা। চতুর্থত স্থানীয় ভ্যানচালক বা ছোট ট্রাক ড্রাইভারকে দিয়ে স্থানীয় আড়তে জড়ো করতে খরচ ২টাকা। পঞ্চমত ট্রাক যোগে ঢাকার আড়তে পৌঁছাতে খরচ ৪-৫ টাকা। ৬ষ্ঠ বার আড়তে লেবারদেরকে দিতে হয় ৪০-৫০ পয়সা। আড়তে পর্যন্ত পৌঁছতে একজন স্থানীয় ব্যবসায়ীর প্রতিটি ডাবে খরচ হয় ১০-১৪ টাকা। ৭ম লোক হিসেবে স্থানীয় একজন বিক্রেতা যখন ঢাকার বাজারে যখন ডাব নিয়ে পৌঁছান, তখন বাগানে কেনা ৩৫-৪৫ টাকা মূল্যর ডাবটির মূল্য দাঁড়ায় কমপক্ষে ৫০-৫৫ টাকা। এরপর নিজের খরচ, বিনিয়োগ এবং শারীরিক পরিশ্রম মিলে জেলার একজন স্থানীয় ব্যবসায়ী ৪-৫ টাকা লাভে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা আড়ৎদারদের নিকট ডাব বিক্রি করেন গড়ে ৬০ টাকায়। ৮ম হাত হিসেবে বড় শহরের আড়ৎদারদের নিকট ডাব পৌঁছে। এরপরে তা বিক্রি হচ্ছে ১০০-১৫০ টাকায়।
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
আজকের খবর থেকে আরও পড়ুন
ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শুক্রবারও ভাঙচুর অব্যাহত
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা শুরু হয়েছে, তার কিছু অংশ শুক্রবারও অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে অবস্থিত শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতেও ভাঙচুর চলতে দেখা গ
.webp)
আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে বিচারের আওতায় আনার দাবি নাহিদ ইসলামের
নাহিদ ইসলাম বলেছেন, আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের আওতায় আনা উচিত। শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চলমান মামলায় রোববার তার সাক্ষ্য ও জেরা শেষ হয়।
পাহাড়িদের ওপর হামলা, শাহবাগ অবরোধ বিক্ষুব্ধ জুম্ম ছাত্র-জনতার
পাহাড়িদের ওপর হামলা, শাহবাগ অবরোধ বিক্ষুব্ধ জুম্ম ছাত্র-জনতার
সচিবালয়ে প্রভাব বিস্তারকারী তানভীর সমন্বয়ক নয় : বাকের
সচিবালয়ে প্রভাব বিস্তারকারী তানভীর সমন্বয়ক নয় : বাকের
.jpg)







