আজকের খবর
হবিগঞ্জে হত্যা মামলায় পাঁচ জনের মৃত্যুদণ্ড
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বোয়ালজুর গ্রামের কৃষক মোক্তাদির আলী (২৪) হত্যা মামলায় পাঁচজনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাফরুজা পারভীন এ রায় দেন। পাশাপাশি আদালত এ মামলায় অভিযুক্ত আরও ২৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদের কারাদণ্ড দিয়েছেন।
মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন আনিছ মিয়া, ফরাস মিয়া, জমশেদ মিয়া, বজলু মিয়া ও মো. নুরুল ইসলাম। তাঁদের মধ্যে প্রথম দুজন রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন। বাকি তিনজন পলাতক। সবার বাড়ি বোয়ালজুর গ্রামে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলার দিঘলবাগ ইউনিয়নের বোয়ালজুর গ্রামের মোক্তাদির আলীর জমিতে একই গ্রামের নুরুল ইসলামের গরু প্রবেশ করে ধান খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে মোক্তাদির আলীর সঙ্গে নুরুল ইসলামের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নুরুল ইসলামসহ সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা বল্লম ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে মোক্তাদিরকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় মোক্তাদিরের বড় ভাই মোশাহিদ আলী ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে নবীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলা তদন্ত শেষে পুলিশ ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। ৩৫ জনের মধ্যে তিনজন মামলা চলাকালীন মারা যান।
হবিগঞ্জের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি সালেহ উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, আদালত পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ২৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদের সাজা দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় সাজাপ্রাপ্ত ৩২ জনের মধ্যে ১৫ জন উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক। রায়ের পর আসামিদের হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বাদী মোশাহিদ মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, রায়ে তাঁরা খুশি। তবে মামলার অধিকাংশ আসামি পলাতক থাকায় তিনি ও তাঁর পরিবার শঙ্কিত। সাজাপ্রাপ্ত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।
মৃত্যুদণ্ডাদেশপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা হলেন আনিছ মিয়া, ফরাস মিয়া, জমশেদ মিয়া, বজলু মিয়া ও মো. নুরুল ইসলাম। তাঁদের মধ্যে প্রথম দুজন রায় ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন। বাকি তিনজন পলাতক। সবার বাড়ি বোয়ালজুর গ্রামে।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলার দিঘলবাগ ইউনিয়নের বোয়ালজুর গ্রামের মোক্তাদির আলীর জমিতে একই গ্রামের নুরুল ইসলামের গরু প্রবেশ করে ধান খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে মোক্তাদির আলীর সঙ্গে নুরুল ইসলামের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে নুরুল ইসলামসহ সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা বল্লম ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে মোক্তাদিরকে এলোপাতাড়ি আঘাত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
এ ঘটনায় মোক্তাদিরের বড় ভাই মোশাহিদ আলী ৪০ জনকে অভিযুক্ত করে নবীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। এ মামলা তদন্ত শেষে পুলিশ ৩৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। ৩৫ জনের মধ্যে তিনজন মামলা চলাকালীন মারা যান।
হবিগঞ্জের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি সালেহ উদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, আদালত পাঁচজনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি ২৭ জনকে বিভিন্ন মেয়াদের সাজা দিয়েছেন। রায় ঘোষণার সময় সাজাপ্রাপ্ত ৩২ জনের মধ্যে ১৫ জন উপস্থিত ছিলেন। বাকিরা পলাতক। রায়ের পর আসামিদের হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
মামলার বাদী মোশাহিদ মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, রায়ে তাঁরা খুশি। তবে মামলার অধিকাংশ আসামি পলাতক থাকায় তিনি ও তাঁর পরিবার শঙ্কিত। সাজাপ্রাপ্ত বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান তিনি।
.jpg)
.jpg)


.webp)

.jpg)

.jpg)