বাংলাদেশের উন্নয়ন


আজ চালু হবে স্বপ্নের মেট্রোরেল


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:২৮ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার

আজ চালু হবে স্বপ্নের মেট্রোরেল

রাজধানীতে আজ বুধবার চালু হচ্ছে স্বপ্নের মেট্রোরেল। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকাল ১১টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে এর উদ্বোধন করবেন, হবেন প্রথম যাত্রীও। আর উদ্বোধনী যাত্রায় ট্রেনটি চালাবেন একজন নারী চালক, যার নাম মরিয়ম আফিজা। এর মধ্য দিয়ে দেশের গণপরিবহণে যুক্ত হবে বৈদ্যুতিক যানবাহন, যা দেশের সাধারণ মানুষের কাছে একেবারেই নতুন। উদ্বোধন উপলক্ষে এরই মধ্যে শেষ হয়েছে সবধরনের প্রস্তুতি। যদিও যানজটমুক্ত চলাচলের পুরো সুবিধা পেতে অপেক্ষা করতে হবে আরও একবছর। তারপরও রাজধানীবাসীর মনে বইছে আনন্দ।


২০১২ সালে প্রকল্প হাতে নিয়ে দশ বছরের মাথায় চালু হচ্ছে এই মেট্রোরেল। যদিও প্রথম ধাপে আজ উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনের পর সাধারণ যাত্রীদের কাছে টিকেট বিক্রি শুরু হবে। প্রথম টিকেটটি কিনবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সাধারণ যাত্রীরা পরের দিন (২৯ ডিসেম্বর) থেকে চড়তে পারবেন এই মেট্রোরেলে।

এ ছাড়া আগামী বছর আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত এবং ২০২৫ সালের মধ্যে চালু হবে মতিঝিল থেকে কমলাপুর সম্পূর্ণ মেট্রোরেল প্রকল্প।

ট্রেন চালানোর জন্য বিদ্যুৎ নেওয়া হবে জাতীয় গ্রিড থেকে। ঘণ্টায় দরকার হবে ১৩ দশমিক ৪৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ। এর জন্য উত্তরা, পল্লবী, তালতলা, সোনারগাঁও ও বাংলা একাডেমি এলাকায় পাঁচটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র থাকবে।






জনপ্রিয়


বাংলাদেশের উন্নয়ন থেকে আরও পড়ুন

পলি নেট হাউজ কৃষক ফজলুল হককে এনে দিয়েছে ব্যাপক সফলতা

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে পলি নেট হাউজ গড়ে তোলে কৃষক ফজলুল হকের ব্যাপক সফলতা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য মেট্রোরেলে ভাড়া ছাড়ের দাবি জানিয়েছেন উপাচার্যসহ শিক্ষকরা

সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মাকসুদ কামাল মনে করেন, মেট্রোরেলে শিক্ষার্থীদের জন্য ভাড়া কিছুটা কমিয়ে দেয়া উচিত। তারা টিএসসি স্টেশন থেকে উত্তরা উত্তর স্টেশনে যান।

কক্সবাজারে সাগরের বুকে রানওয়ে! চলতি বছরেই উঠানামা করবে বিমান

প্রকল্প বাস্তবায়নকারী চীনা কোম্পানি জানিয়েছে, আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যেই তারা বাকি অংশের কাজও সম্পন্ন করতে চাচ্ছে। এই সময়ের মধ্যে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে, ডিসেম্বরের মধ্যেই সমুদ্রের বুকে থাকা রানওয়েতে চলাচল করতে পারবে উড়োজাহাজ।

রূপপুর যেন বাংলাদেশের মাঝে এক টুকরো রাশিয়া!

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকে একটু একটু করে বদলে যেতে থাকে গ্রামের চেহারা। প্রকল্পের কাজের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলতে থাকে একের পর এক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড।