অর্থনীতি


কর দিতে হবে না যেসব মোটরসাইকেলে


দুরবীন ডেস্ক

দুরবীন ডেস্ক

প্রকাশিত:১২ মে ২০২৬, ১০:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার

কর দিতে হবে না যেসব মোটরসাইকেলে

মোটরসাইকেলের ওপর নতুন করে অগ্রিম আয়কর (এআইটি) আরোপের পরিকল্পনা করছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। প্রস্তাব অনুযায়ী, ১১০ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে কোনো অগ্রিম আয়কর দিতে হবে না। তবে এর বেশি সিসির মোটরসাইকেলের জন্য ধাপে ধাপে কর নির্ধারণ করা হতে পারে।

 

সূত্র জানায়, আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে মোটরসাইকেলের সিসিভেদে ২ হাজার টাকা থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত অগ্রিম আয়কর আরোপের প্রস্তাব রাখা হতে পারে।

 

প্রস্তাবনা অনুযায়ী, ১১১ থেকে ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলের জন্য বছরে ২ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর দিতে হবে। ১২৬ থেকে ১৬৫ সিসি পর্যন্ত মোটরসাইকেলের জন্য কর নির্ধারণ করা হতে পারে ৫ হাজার টাকা। আর ১৬৫ সিসির বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে বছরে ১০ হাজার টাকা অগ্রিম আয়কর দিতে হতে পারে।

 

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ৭৮০।

 

এ বিষয়ে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক হাদিউজ্জামান বলেন, সড়ক আইনে মোটরসাইকেল একটি বৈধ বাহন। তাই ব্যক্তিগত গাড়ির মতো মোটরসাইকেলের ওপরও অগ্রিম আয়কর আরোপ যৌক্তিক হতে পারে। তার মতে, অনেক ক্ষেত্রে মোটরসাইকেল বাণিজ্যিকভাবেও ব্যবহৃত হয়। ফলে এ খাতকে করের আওতায় আনলে করজাল সম্প্রসারিত হবে এবং বিদ্যমান করদাতাদের ওপর চাপ কিছুটা কমবে।

 

বর্তমানে মোটরসাইকেলের মালিকদের কোনো অগ্রিম আয়কর দিতে হয় না। শুধু নিবন্ধন ফি ও নির্ধারিত সময় পরপর রোড ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়।

 

বর্তমান কাঠামো অনুযায়ী, ৫০ থেকে ১২৫ সিসি মোটরসাইকেলের নিবন্ধন ফি মোট ৯ হাজার ২৯১ টাকা। এরপর প্রতি দুই বছর পরপর ১ হাজার ১৫০ টাকা করে চার কিস্তিতে মোট ৪ হাজার ৬০০ টাকা রোড ট্যাক্স দিতে হয়।

 

অন্যদিকে, ১২৫ সিসির বেশি মোটরসাইকেলের জন্য নিবন্ধন ফি ১১ হাজার ৭৬৪ টাকা। এ ক্ষেত্রে প্রতি দুই বছর পরপর ২ হাজার ৩০০ টাকা করে চার কিস্তিতে মোট ৯ হাজার ২০০ টাকা রোড ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয়।

 

বিদ্যমান আয়কর আইন অনুযায়ী, মোটরসাইকেল মালিকরা প্রদত্ত অগ্রিম আয়কর ভবিষ্যতে আয়কর রিটার্নের সঙ্গে সমন্বয় করতে পারবেন।

 


জনপ্রিয়


অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন

১৬ আগস্ট উদ্বোধন হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি

পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষে আগামী ১৬ আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন হচ্ছে সরকারের ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। পর্যায়ক্রমে চার বছরের মধ্যে দেশের প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করে প্রকৃত দরিদ্রদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার কথা জানিয়েছে সরকার।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের মুনাফা কমেছে

পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি. ২০২৬ সালের এপ্রিল-জুন সময়ের দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা গেছে, আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ব্যাংকটির মুনাফা কমেছে।

দ্বিতীয় প্রান্তিকে লোকসানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ, শেয়ারপ্রতি ক্ষতি ৬ টাকা ৩৯ পয়সা

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি. ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুন সময়ের দ্বিতীয় প্রান্তিকের অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক বছরের ব্যবধানে মুনাফা থেকে লোকসানে গেছে ব্যাংকটি।

৫ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য নতুন সুবিধা

একীভূত হওয়া পাঁচটি শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য অর্থ উত্তোলনের নিয়ম আরও সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এখন থেকে শুধু নিজের চিকিৎসাই নয়, পরিবারের সদস্যদের চিকিৎসা এবং অন্যান্য জরুরি প্রয়োজনেও সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত উত্তোলন করা যাবে।