শেরপুর-১ (সদর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হাফেজ রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, তিনি শুধু তাকে ভোট দেওয়া ১ লাখ ২৭ হাজার মানুষের নয়, পুরো শেরপুর সদরের সাড়ে চার লাখ ভোটারের প্রতিনিধি।
শনিবার দুপুরে নওহাটা আলিয়া মাদরাসা মাঠে নির্বাচন-পরবর্তী নারী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রাশেদুল ইসলাম বলেন, “এবারের নির্বাচনে মানুষ ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে রায় দিয়েছে। আমি ১ লাখ ২৭ হাজার ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছি। তবে আমি শুধু ওই ভোটারদের এমপি নই, শেরপুর সদরের সাড়ে চার লাখ ভোটারের এমপি।”
তিনি আরও বলেন, “শহীদ কামারুজ্জামানের হত্যাকাণ্ড কেউ মেনে নিতে পারেনি। তার প্রতিশোধ হিসেবেই মানুষ দাঁড়িপাল্লার পক্ষে রায় দিয়েছে। আমরা ন্যায় ও ইনসাফের পক্ষে আছি বলেই মানুষ আমাদের সমর্থন করেছে।”
এ সময় তিনি শেরপুরে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও রাস্তাঘাটের উন্নয়ন, নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ইভটিজিং নির্মূল, মাদক ও জুয়ামুক্ত সমাজ গড়ার অঙ্গীকার করেন। পাশাপাশি কুটিরশিল্প গড়ে তুলে নারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
সদর উপজেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর মাওলানা নুরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুস সোবাহানের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা হাফিজুর রহমান, সূরা সদস্য হাফেজ মাওলানা জাকারিয়া আব্দুল বাতেন, সদর উপজেলা জামায়াতের বায়তুল মাল সম্পাদক শফিউল ইসলাম স্বপন, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের জেলা সভাপতি ডা. আব্দুল মতিন ও পৌর শহর জামায়াতের সেক্রেটারি ডা. হাসানুজ্জামান প্রমুখ। বিভিন্ন ইউনিয়ন জামায়াতের দায়িত্বশীল নারী কর্মীরাও সভায় উপস্থিত ছিলেন।


.jpg)


.webp)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)