অর্থনীতি
ঘোড়াঘাটে ৮১ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ
দেখা যায়, পেঁয়াজের রেতর্ড পরিমাণ আবাদ হয়েছে বাম্পার ফলনের রয়েছে বলে দাবি সংশ্লিষ্ট কৃষি বিভাগ ও চাষীরা। কাঙ্ক্ষিত লাভের চেয়ে দ্বিগুণ লাভ পাচ্ছেন কৃষকরা। বর্তমান পাইকারি বাজারে নতুন পেঁয়াজ মণ প্রতি ২ হাজার ২০০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৪ হাজার টাকা মণ বিক্রি হয়েছিল। বর্তমানে বাজারে দেশী মুড়ি কাটা পেঁয়াজ আমদানি হওয়ায় ভারতীয় পেঁয়াজ বাজারে আমদানি নাই বলে জানায় পেঁয়াজ ব্যবসায়ীরা।
পেঁয়াজ চাষিরা বলছেন, দেশী পেঁয়াজের চেয়ে ভারতীয় পেঁয়াজের চাহিদা বেশি হওয়ার কারণে নতুন পেঁয়াজ এর দাম কম। এ বছর পাইকারি বাজারে প্রতি মণ পেঁয়াজ তিন হাজার টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তাতেও উৎপাদন খরচ উঠিয়ে দ্বিগুণ লাভ পাচ্ছেন কৃষকরা। এ ব্যাপারে কয়েকজন পেঁয়াজ চাষির সাথে কথা বললে তারা জানান- জমি তৈরি, সার, বীজ, পরিচর্যা খরচসহ বিঘা প্রতি খরচ হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার টাকা। অল্প সময়ের কম পরিশ্রমে এবার পেঁয়াজের ফলন ভালো হয়েছে ও পেঁয়াজের চাহিদা বেশ ভালো হওয়ায় জমি থেকে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে।
পেঁয়াজ চাষি সাখোওয়াত হোসেন জানান, তিনি এ বছর প্রায় ২ বিঘা জমিতে এন ফিপটি-৩ কুষ্টিয়া থেকে পেঁয়াজের বীজ সংগ্রহ করেন এবং উপজেলা কৃষি অফিস থেকে কিছু বীজ সংগ্রহ করে চাষ করেন। জমি তৈরি, সার, বীজ,পরিচর্যা খরচ বাবদ তার প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আশা করেন ২ বিঘায় উৎপাদন ফসল পাবেন ১৪০ মণ। ইতোমধ্যে তিনি ১৪০ মণ পেঁয়াজ তিন হাজার টাকা দরে বিক্রি করেছেন। তবে এখন পেঁয়াজের বাজার দর আরও কমতে শুরু করেছে বলে জানান তিনি। মেজবাহুল নামে এক পেঁয়াজ চাষি জানান, প্রথমে যারা মাঠ থেকে পেঁয়াজ তুলে বিক্রি করেছেন তাদের বেশি লাভ হয়েছে। এখন তুলনামূলক পেঁয়াজের দাম কমেছে। তবে এখন বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি না করা হলে কৃষকরা বেশি লাভবান হবেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো: রফিকুজ্জামান বলেন, এই উপজেলার মাটি পেঁয়াজ চাষের উপযোগী নয় তবুও পেঁয়াজ চাষে কৃষকদের বীজ, সারসহ প্রয়োজনীয় প্রণোদনা প্রদান এবং প্রযুক্তির ব্যবহার ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভালো বাজারদরে পেঁয়াজ চাষিদের মাঝে আগ্রহ বাড়ছে। উৎপাদন খরচ কম এবং পেঁয়াজের দাম ভালো হওয়ায় চাষিরা এবার লাভবান হয়েছে । এ উপজেলায় কন্ড(মুড়িকাটা)পেঁয়াজ ২২ হেক্টর, চারা পেঁয়াজ ৪২ হেক্টর ও গ্রীষ্ম কালীন ১৭ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের চাষ হয়েছে।
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
অর্থনীতি থেকে আরও পড়ুন
আজকের স্বর্ণের দাম: ০৭ জুলাই ২০২৬
দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ২৯০ টাকা।

৪ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?
টানা দুই দফা কমার পর দেশের বাজারে ফের টানা দুই দফা স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

২ জুলাই ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত?
দেশের বাজারে টানা দুই দফা স্বর্ণের দাম কমার পর আবারও দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ভ্যাটসহ ২ হাজার ২১৬ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা।

৬৩ পয়সার লিজ প্রস্তাবে ৪৪ কোটি টাকা ক্ষতির ঝুঁকি তৈরি করেছিলেন বশির
অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে সাবেক উপদেষ্টা শেখ বশির উদ্দিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবস্থাপনায় স্বার্থের সংঘাত, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং রাষ্ট্রীয় আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি তৈরির অভিযোগ উঠেছে। সরকারি নথি, মূল্যায়ন প্রতিবেদন, সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে প্রকাশিত এক অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

.jpg)






