এক্সক্লুসিভ
ধূলিঝড়ে চিন্তিত ইরাকবাসী, সতর্ক হতে হবে বিশ্বকে
দেখে মনে হবে ঘন কুয়াশায় ছেয়ে আছে সম্পূর্ণ পরিবেশ। কিন্তু বাস্তব অর্থে ধূলিঝড়ের কারণে ইরাকের বেশিরভাগ শহর বিশেষ করে বাগদাদে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। শেষ একমাসে সাতবার ধূলিঝড়ের কবলে পড়ে দেশটি।
ধূলো ঝড় হলো মূলত মরু অঞ্চলের এলাকাগুলোতে গাছপালা কম এবং বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় ধুলো এবং বালির কণা বৃদ্ধি হওয়ায় এ ঝড়ের সৃষ্টি হয়। এ ঝড়টি ভারত উপমহাদেশে আঁধি নামে পরিচিত। এ ঝড়ের ফলে যেখান থেকে ঝড় শুরু হয় সেখানে আকাশ বাতাস পরিণত হয় ধূলোর চাদরে।
দেশটির গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি কয়েক বছর ধরে দফায় দফায় এ ধরণের ধূলোঝড়ের ফলে প্রচুর মানুষ অ্যাজমার মতো শ্বাস-প্রশ্বাসজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে। তাছাড়াও যাদের বয়স ষাটের ঊর্ধ্বে এবং যাদের হার্টের সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য এ ধূলোর ঝড়টি অতিরিক্ত ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
কি বলছে ঝড়ের পূর্বাভাস:
ঝড়ের মাত্রা তখনই বৃদ্ধি পায় যখন দেশটির পরিবেশগত ভারসাম্য নষ্ট হতে শুরু করে। একটি দেশ তখনই পরিবেশগত দিক থেকে ঠিক থাকে যখন দেশটির মোট ভূখন্ডের ২৫ ভাগ বনভূমি থাকে। কিন্তু বর্তমান বিশ্বে ৭৮৭.৫০ কোটি জনসংখ্যার অধিক চাপ এবং বনভূমি কমে যাওয়ায় পরিবেশগত ভারসাম্য দিনকে দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পৃথিবীর দ্বিতীয় ফুসফুসখ্যাত আমাজন জঙ্গল পুড়ে ধ্বংস হয়ে যাওয়া আরও ভাবিয়ে তুলেছে বিশ্ববাসীকে। ইরাকে ধূলোর ঘূর্ণিঝড়, সাইবেরিয়ার আগ্নেয়গিরি পরিবেশকে আঙ্গুল উচিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে পরিবেশ ভারসাম্য নষ্টের কথা।
.jpg)
.jpg)


.webp)

.jpg)

.jpg)