আন্তর্জাতিক
লকডাউনের সময় পার্টি: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, ও অর্থমন্ত্রীকে জরিমানা !
করোনাকালীন সময়ে মহামারি ঠেকাতে দেওয়া হয়েছিল লকডাউন। যাতে মানুষের সমাগম কম ঘটে এবং প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্যদের আক্রান্ত করতে না পারে। পৃথিবীর যে সকল দেশে কঠোর লকডাউন দেওয়া হয়েছিল তাঁর মধ্যে অন্যতম ছিল যুক্তরাজ্য।
কিন্তু, আশ্চর্যের বিষয় খোদ দেশটির প্রধানমন্ত্রীই এই বিধিনিষেধ উপেক্ষা করেছিলেন। কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে ইংল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রীর অফিস ও বাসভবন এবং ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে কয়েক দফায় পার্টির আয়োজন করেছিলেন প্রভাবশালীরা।
এদের মধ্যে রয়েছেন বরিস ও তাঁর মন্ত্রী। অথচ ঐ সময় কোথাও জনসমাগম তো দূরের কথা, কাছাকাছি দাঁড়ানোর ওপরও আরোপিত ছিল কঠোর নিষেধাজ্ঞা।
লুকিয়ে পার্টি করার কারণে এবার জরিমানা করা হচ্ছে বরিস জনসনসহ তাঁর মন্ত্রীসভার অর্থমন্ত্রী ঋষী সুনাককে।
ইতোমধ্যে লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত নোটিশ দেওয়া হয়েছে। আরেকটি নোটিশ করা হবে যেটিতে জরিমানার অংক উল্লেখ থাকবে।
এদিকে এমন খবর প্রকাশের পর বিরোধী দল লেবার পার্টির নেতা স্যার কিয়ের স্টারমার বরিস জনসন ও ঋষী সুনাকের পদত্যাগ দাবি করেছেন।
জনপ্রিয়
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
নিরাপত্তা শঙ্কায় ইরান থেকে কূটনীতিকদের প্রত্যাহার করছে আজারবাইজান
নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে ইরান থেকে নিজেদের কূটনীতিকদের ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আজারবাইজান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেইহুন বাইরামভ জানিয়েছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

যুদ্ধে প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার
যুক্তরাষ্ট্র–এর ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সময় গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৮৯১.৪ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে।

পূর্বের বক্তব্য থেকে সরে ইরানে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সামরিক অভিযানের সময়সীমা নিয়ে নিজের আগের অবস্থান থেকে সরে এসে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ইঙ্গিত দিয়েছেন। শুরুতে অভিযান দ্রুত শেষ করার কথা বললেও এখন তিনি জানিয়েছেন, লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে।

মার্কিন স্থলবাহিনীর জন্য আমরা অপেক্ষা করছি: আরাঘচি
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযানের গুঞ্জনের মধ্যে কঠোর বার্তা দিয়েছেন সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। তিনি বলেছেন, সম্ভাব্য মার্কিন স্থলবাহিনীর জন্য ইরান প্রস্তুত রয়েছে এবং এমন কোনো অভিযানে ওয়াশিংটনকে কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

.jpg)
.jpg)






