আন্তর্জাতিক
তানাকার মৃত্যুতে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হলেন অ্যান্ড্রে
১১৯ বছর বয়সে থেমে গেছে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির স্বীকৃতি পাওয়া জাপানের নারী কানে তানাকা’র জীবন প্রদীপ। আটদিন আগে গত ১৯ এপ্রিল মারা যান তিনি। তবে তার মৃত্যুর এক সপ্তাহ পর বিষয়টি নিশ্চিত করে জাপান কর্তৃপক্ষ।
তানাকার মৃত্যুর পর বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির তালিকায় নাম উঠে এসেছে ফ্রান্সের এক নানের। সিস্টার অ্যান্ড্রে নামের ওই নান এখন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষ।
বর্তমানে অ্যান্ড্রের বয়স ১১৮ বছর ৭৩ দিন। গত ২৫ এপ্রিল গিনেস বুকের রেকর্ডে সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হিসেবে তার নাম উঠে আসে।
যদিও ১১৭ বছর বয়সেই ইউরোপের সবচেয়ে বয়স্ক নারীর তকমা পেয়েছিলেন আন্ড্রে। আর কানে তানাকার মৃত্যুর পর এখন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির উপাধিও উঠলো তার ঝুলিতেই।
চলুন জেনে নেয়া যাক সদ্য প্রয়াত বয়স্ক ব্যক্তি কানে তানাকা এবং বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির আসনে থাকা সিস্টার আন্ড্রে সম্পর্কে:
সদ্য প্রয়াত কানে তানাকা ১৯০৩ সালের ২ জানুয়ারি জাপানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় ফুকুওকা অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন। জাপানিজ এ নারী যে বছর জন্মগ্রহণ করেন, সেই বছর রাইট ব্রাদার্স প্রথমবারের মতো বিমান উড়িয়েছিলেন ও প্রথম নারী হিসেবে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন মেরি কুরি।
তানাকা ফুকুওকার একটি নার্সিং হোমে থাকতেন। মারা যাওয়ার আগেও তিনি তুলনামূলক সুস্থ ছিলেন। নার্সিং হোমে বোর্ড গেইম খেলে, গাণিতিক সমস্যার সমাধান, সোডা এবং চকোলেট খেয়েই সময় কাটত তার।
১৯২২ সালে হাইডিও তানাকাকে বিয়ে করেন তিনি। এই দম্পতির ঘরে চার সন্তান আছে। এছাড়াও এক সন্তানকে দত্তক নেন তারা।
গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ বলছে, তানাকা’র প্রিয় বিনোদনের মাধ্যম ছিল ওথেলোর গেইম। ক্লাসিক বোর্ড গেইমেও বিশেষজ্ঞ ছিলেন তিনি।
তরুণ বয়সে নুডলস এবং চালের কেকের দোকানসহ বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা করেছিলেন তানাকা।
এদিকে বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক মানুষের তালিকায় থাকা সিস্টার আন্ড্রে ১৯০৪ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি লুসিলে রেনডনে শহরে জন্মগ্রহণ করেন। একটু বড় হওয়ার পর তিনি শিশুদের দেখাশোনার কাজ শুরু করেন।
১৯৪৪ সালে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের সময় তিনি নান হিসেবে নাম লেখান।
প্রথম বিশ্ব যুদ্ধ এবং ১৯৮১ সালের স্প্যানিস ফ্লু থেকে প্রাণে বেঁচে ফিরেছেন অ্যান্ড্রে। এমনকি ২০২১ সালে করোনা মহামারি থেকেও বেঁচে ফিরেছেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক এই ব্যক্তি।
জনপ্রিয়
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ- কোন দেশে কত নিহত, বাংলাদেশির সংখ্যা কত?
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। শুধু ইসরায়েল নয়, ইরানের পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায়ও হামলা চালানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক বিজয় হয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান-এর সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক বিজয়’ অর্জন করেছে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ‘ইরানের বিজয়’
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উত্থাপিত ১০ দফা দাবি মেনে নিয়েছেন বলে দাবি করেছে তেহরান। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে নিজেদের কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্র ‘রেড লাইন’ পার হলে সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ছড়িয়ে পড়বে: ইরান
যুক্তরাষ্ট্র যদি তেহরানের নির্ধারিত ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করে, তাহলে চলমান সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ছড়িয়ে পড়তে পারে- এমন কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

.jpg)
.jpg)






