আন্তর্জাতিক
আজভ সাগরে প্রবেশাধিকার হারালো ইউক্রেন
আজভ সাগরের উপকূলবর্তী শহর মারিউপোল রুশ বাহিনীর দখলে চলে যাওয়ায় ওই সাগরে প্রবেশাধিকার হারিয়েছে ইউক্রেন। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
বিবৃতিতে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘দখলদার বাহিনী দোনেতস্ক অপারেশনাল ডিস্ট্রিক্টে আংশিকভাবে সফল হয়েছে এবং সাময়িকভাবে আজভ সাগরে প্রবেশাধিকার হারিয়েছে ইউক্রেন।’
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও শুক্রবার এক বিবৃতিতে একই তথ্য জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, মারিউপোল থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়েছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী।
আজভ সাগরের উপকূলবর্তী মারিউপোল শহরটি রাশিয়া ও ইউক্রেন— উভয়ের কাছেই কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ শহরটির পশ্চিমদিকে আছে ক্রিমিয়া উপদ্বীপ, আর পূর্বদিকে দোনেতস্ক এলাকা, যা বর্তমানে রুশপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের নিয়ন্ত্রণে আছে।
ইউক্রেনে চলমান সামরিক অভিযানের প্রথম থেকেই শহরটিকে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছিল রুশ বাহিনী। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, মারিউপোলের ৮০ শতাংশ ভবন রুশ বাহিনীর গোলায় ধ্বংস হয়ে গেছে এবং এখনও শহরটিতে আটকা পড়ে আছেন অন্তত ১ হাজার মানুষ।
জনপ্রিয়
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ- কোন দেশে কত নিহত, বাংলাদেশির সংখ্যা কত?
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। শুধু ইসরায়েল নয়, ইরানের পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায়ও হামলা চালানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক বিজয় হয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান-এর সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক বিজয়’ অর্জন করেছে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ‘ইরানের বিজয়’
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উত্থাপিত ১০ দফা দাবি মেনে নিয়েছেন বলে দাবি করেছে তেহরান। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে নিজেদের কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্র ‘রেড লাইন’ পার হলে সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ছড়িয়ে পড়বে: ইরান
যুক্তরাষ্ট্র যদি তেহরানের নির্ধারিত ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করে, তাহলে চলমান সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ছড়িয়ে পড়তে পারে- এমন কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

.jpg)
.jpg)





