আন্তর্জাতিক
ন্যাটোর নাকের ডগায় পরমাণু অস্ত্র স্থাপন করছে রাশিয়া
ইউক্রেন বলছে, রাশিয়ার এমন সিদ্ধান্ত তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার জন্য হুমকি স্বরূপ। বেলারুশকে ব্যবহার করে মস্কো এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও মনে করছে কিয়েভ।
কার্যত টানা ১৩ মাসেরও বেশি সময় ধরে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে রাশিয়া। দীর্ঘ এই আগ্রাসন মোকাবিলায় লড়ছে পশ্চিমা সামরিক সহায়তায় পুষ্ট ইউক্রেন। অবশ্য ইউক্রেনীয় বাহিনী সম্মুখসমরে লড়লেও পেছনে কার্যত রুশ বাহিনী লড়াই করছে সামরিক জোট ন্যাটোর সঙ্গে।
এই পরিস্থিতিতে রাশিয়া তার পরমাণু অস্ত্রগুলোকে ন্যাটোর সীমান্তে নিয়ে যাচ্ছে। অর্থাৎ ন্যাটোর নাকের ডগায় পরমাণু অস্ত্র স্থাপন করতে চলেছে রাশিয়া। আর এ কাজে পুরোপুরি প্রস্তুত রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র ও ন্যাটো সীমান্তবর্তী দেশ বেলারুশ।
ন্যাটোর দ্বারপ্রান্তে পরমাণু অস্ত্র স্থাপনের এই পদক্ষেপ এমন একটি বিষয় যা পশ্চিমা দেশগুলোর সঙ্গে রাশিয়ার উত্তেজনা আরও বাড়াতে পারে।
এর আগে মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহে বেলারুশে পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপনের ঘোষণা দেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। নিজের সর্বশেষ এই পদক্ষেপটি পারমাণবিক অপ্রসারণ চুক্তি লঙ্ঘন করবে না বলেও সে সময় জানান রাশিয়ার এই প্রেসিডেন্ট।
একইসঙ্গে বেলারুশে কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্র স্থাপনের এই সিদ্ধান্তকে ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র স্থাপনের সাথেও তুলনা করেন পুতিন।
রয়টার্স বলছে, এই দুই স্লাভ প্রতিবেশী আনুষ্ঠানিকভাবে একটি ‘ইউনিয়ন স্টেট’-এর অংশ এবং আরও একীভূত করার জন্য বছরের পর বছর ধরে আলোচনা চলছে। গত বছর মিনস্ক মস্কোকে ইউক্রেনে সৈন্য পাঠানোর জন্য বেলারুশিয়ান অঞ্চল ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়ার পর এই প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হয়েছে।
অবশ্য রাশিয়ার এই অস্ত্র কোথায় স্থাপন করা হবে তা নির্দিষ্ট করেননি বরিস গ্রিজলভ। কিন্তু তিনি নিশ্চিত করেছেন, প্রেসিডেন্ট পুতিনের নির্দেশ অনুসারে অস্ত্র রাখার স্থাপনা বা স্টোরেজ সুবিধা আগামী পহেলা জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে এবং তারপর অস্ত্রগুলো বেলারুশের পশ্চিমে স্থানান্তরিত হবে।
জনপ্রিয়
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ- কোন দেশে কত নিহত, বাংলাদেশির সংখ্যা কত?
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। শুধু ইসরায়েল নয়, ইরানের পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায়ও হামলা চালানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক বিজয় হয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরান-এর সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক বিজয়’ অর্জন করেছে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ‘ইরানের বিজয়’
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উত্থাপিত ১০ দফা দাবি মেনে নিয়েছেন বলে দাবি করেছে তেহরান। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে নিজেদের কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্র ‘রেড লাইন’ পার হলে সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ছড়িয়ে পড়বে: ইরান
যুক্তরাষ্ট্র যদি তেহরানের নির্ধারিত ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করে, তাহলে চলমান সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ছড়িয়ে পড়তে পারে- এমন কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।

.jpg)
.jpg)





