

ফিলিপাইনে ফেরিডুবিতে অন্তত ২৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধার করা হয়েছে ৪০ জনকে। তবে ওই ফেরিতে কত যাত্রী ছিলেন এখনো নিশ্চিত হন স্থানীয় কর্মকর্তারা। টাইফুন ডকসুরির আঘাতে দেশের বিভিন্ন অংশে বিপর্যস্ত হয়েছে। এই দুর্ঘটনা তার প্রভাব রয়েছে। গতকাল ২৭ জুলাই রাজধানী ম্যানিলার পূর্বে রিজাল প্রদেশের লেগুনা ডি বেতে ডুবে যায় এম/বি প্রিন্সেস আয়া নামের ওই ফেরি।পুলিশ ও কোস্ট গার্ড এক সংবাদ সম্মেলনে জানায়, কাছের তালিম দ্বীপের উদ্দেশে ঘাট ছেড়ে যাওয়ার পর উপকূল থেকে মাত্র ৪৬ মিটার দূরে উল্টে যায় নৌযানটি। প্রবল বাতাসের মধ্যে আরোহীরা জাহাজের একপাশে ছুটে গেলে নৌকাটি হেলে পড়ে। এরপর উল্টে যায়। গতকাল রাতে উদ্ধার কাজে বিরতি নেয়া হলেও আজ শুক্রবার সকালে অনুসন্ধান আবার শুরু হয়েছে।কর্মকর্তারা বলছেন, ফেরিটি সর্বোচ্চ ৪২ জন যাত্রী ও ক্রু সদস্য বহনের উপযোগী। কিন্তু অতিরিক্ত যাত্রী বোঝাইয়ের প্রমাণ পাওয়া গেছে। নিরাপত্তা বিধি অনুযায়ী যাত্রীরা লাইফ ভেস্ট পরেছেন কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোস্ট গার্ডের প্রকাশিত একটি ভিডিওতে উদ্ধারকারীদের একটি মৃতদেহ টেনে বের করতে দেখা গেছে। অন্য একটি ভিডিওতে দেখা গেছে যে স্থানীয় জেলেরা উল্টে যাওয়া নৌকার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।টাইফুন ডকসুরি গতকাল বৃহস্পতিবার উত্তর ফিলিপাইনে আঘাত হানে। যার প্রভাবে দ্বীপপুঞ্জের একটি বড় একটি অংশে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। গতকালের ফেরিডুবি মিলিয়ে প্রধান দ্বীপ লুজোন জুড়ে ঝড়ো আবহাওয়ায় এক সপ্তাহে ৩০ জনের বেশি নিহত হয়েছেন। ডকসুরির প্রভাবে এর আগে অন্তত নয় জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বেশিরভাগই ভূমিধস, বন্যা ও গাছ ভেঙে পড়ার কারণে মারা গেছে। এছাড়া বাস্তুচ্যুত হয়েছেন হাজার হাজার মানুষ।গত মঙ্গলবার থেকে পরদিন পর্যন্ত ডকসুরি কারণে অনেক বন্দর থেকে চলাচল স্থগিত করা হলে হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্যবাহী ট্রাক আটকা পড়ে। অনেক এলাকায় আবহাওয়ার উন্নতি হওয়ায় গতকাল সেই আদেশ ধীরে ধীরে তুলে নেয়া হয়।



