আন্তর্জাতিক


গাজায় অন্তত ৪৭টি মসজিদ ধ্বংস করেছে ইসরায়েলি বাহিনী


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:০৩ নভেম্বর ২০২৩, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার

গাজায় অন্তত ৪৭টি মসজিদ ধ্বংস করেছে ইসরায়েলি বাহিনী
সম্প্রতি নতুন করে শুরু হওয়া হামলায় ফিলিস্তিনের গাজায় অন্তত ৪৭টি মসজিদ ধ্বংস করেছে দখলদার ইসরায়েল। গাজায় ইসরায়েলের হামলার তিন সপ্তাহ পেরিয়েছে। এরমধ্যে এসব মসজিদ ধ্বংস করে ইসরায়েলি বাহিনী। গাজার সরকারি কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।

আরও জানায়, ইসরায়েলি বাহিনীর একের পর এক হামলা থেকে বিদ্যালয়, হাসপাতাল, সরকারি দপ্তর, উপাসনালয়— কিছুই বাদ যায়নি। গত তিন সপ্তাহে সেখানে ২০৩টি বিদ্যালয় ভবনে হামলা হয়েছে। ধ্বংস হয়েছে ৮০টি সরকারি দপ্তর। ২ লাখ ২০ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে অন্তত ৩২ হাজার আবাসিক ভবন।

ইসরায়েল ৭ অক্টোবর হামলা শুরুর পর ২ নভেম্বর পর্যন্ত ৯ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলে গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়মিত ব্রিফিংয়ে জানিয়েছে। এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে প্রায় এক হাজার মরদেহ পড়ে আছে। এছাড়া পশ্চিম তীরেও হামলা বাড়িয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।

সম্পর্কিত

আন্তর্জাতিক

জনপ্রিয়


আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন

৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ- কোন দেশে কত নিহত, বাংলাদেশির সংখ্যা কত?

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। শুধু ইসরায়েল নয়, ইরানের পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায়ও হামলা চালানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক বিজয় হয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান-এর সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক বিজয়’ অর্জন করেছে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ‘ইরানের বিজয়’

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উত্থাপিত ১০ দফা দাবি মেনে নিয়েছেন বলে দাবি করেছে তেহরান। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে নিজেদের কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্র ‘রেড লাইন’ পার হলে সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ছড়িয়ে পড়বে: ইরান

যুক্তরাষ্ট্র যদি তেহরানের নির্ধারিত ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করে, তাহলে চলমান সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ছড়িয়ে পড়তে পারে- এমন কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।