আন্তর্জাতিক


বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক গভীর করার পদক্ষেপ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলছে যুক্তরাষ্ট্র


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:২৩ জানুয়ারি ২০২৪, ১২:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার

বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক গভীর করার পদক্ষেপ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলছে যুক্তরাষ্ট্র
বাংলাদেশের সাথে অংশীদারত্ব গভীর করার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের অনেকগুলো পদক্ষেপ রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রধান মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।
 
 স্থানীয় সময় সোমবার পররাষ্ট্র দপ্তরের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, জলবায়ু ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বাংলাদেশের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হওয়া দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর স্টেট ডিপার্টমেন্টের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র অবাধ ও উন্মুক্ত ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল নিশ্চিত করে এই অঞ্চলে উভয় দেশের স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অংশীদারত্বের অপেক্ষা করছে। বিষয়টি উল্লেখ করে ম্যাথিউ মিলারের কাছে জানতে চাওয়া হয়, এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব আরও গভীর করতে যুক্তরাষ্ট্র কোন কোন সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের কথা ভাবছে? 

জবাবে ম্যাথিউ মিলার বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের অংশীদারত্ব আরও গভীর করার ক্ষেত্রে আমাদের অনেকগুলো পদক্ষেপ আছে এবং এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া অব্যাহত থাকবে। আপনি জানেন, আমি আগেও বলেছি—গত বছর বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের বার্ষিকী (৫০ বছর পূর্তি) ছিল।’ 

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, ‘আমাদের মধ্যে সহযোগিতার বেশ কয়েকটি ক্ষেত্র রয়েছে, বিশেষ করে জলবায়ু সহযোগিতা, নিরাপত্তা সহযোগিতার মতো বিষয়গুলোতে আমরা সহযোগিতা করতে পারি। আমরা বিশ্বাস করি, সে সুযোগ আছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অবশ্যই এর মাধ্যমে সেখানে (বাংলাদেশে) সরকারের বাইরেও বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গেও যুক্ত হওয়ার সুযোগ আছে আমাদের। আমরা বিশ্বাস করি, বিষয়টি এই সম্পর্ককে আরও গভীর করার গুরুত্বপূর্ণ চাবিকাঠি।’ 

এর আগে, গত বৃহস্পতিবার ম্যাথিউ মিলার জানিয়েছিলেন—দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো উদ্বিগ্ন। পাশাপাশি হাজারো বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তারের খবরেও উদ্বিগ্ন দেশটি। তারা বলেছে, নির্বাচনের আগে ও নির্বাচনের দিন যেসব সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, সেগুলোর ব্যাপারে তারা বাংলাদেশ সরকারকে বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ তদন্ত করতে উৎসাহিত করছে। 

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশে হাজারো বিরোধী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার এবং নির্বাচনে অনিয়মের খবরে এখনো উদ্বিগ্ন। পর্যবেক্ষকদের মতো আমরাও বিশ্বাস করি, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। আমরা হতাশ, নির্বাচনে সব দল অংশ নেয়নি ও নির্বাচনের আগের কয়েক মাসে ও নির্বাচনের দিন যেসব সহিংস ঘটনা ঘটেছে, আমরা সেসব ঘটনার নিন্দা জানাই। আমরা এখন বাংলাদেশ সরকারকে এসব সহিংস ঘটনার বিশ্বাসযোগ্য ও স্বচ্ছ তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনতে উৎসাহিত করছি। আমরা সব দলকে রাজনৈতিক সহিংসতা পরিহার করার আহ্বান জানাচ্ছি।’ 

অন্য এক প্রশ্নে ম্যাথিউ মিলারকে বলা হয়, আপনি যেহেতু বলেছেন বাংলাদেশে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য হয়নি। তার মানে কি এটা যে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার টানা চতুর্থ মেয়াদকে যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দেবে না? জবাবে মিলার শুধু বলেন, ‘না, না।’

জনপ্রিয়


আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন

কোরবানি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের উদাহরণ টানলেন হায়দরাবাদের ইসলামিক স্কলার

ভারতের হায়দরাবাদ–এর ইসলামিক স্কলার মাওলানা মোহাম্মদ জাফর পাশা কোরবানির পশু নিয়ে মুসলিমদের হেনস্তার অভিযোগ তুলে পশ্চিমবঙ্গের মুসলিমদের উদাহরণ অনুসরণের আহ্বান জানিয়েছেন।

আল-আকসা প্রাঙ্গণে পশু জবাইয়ের চেষ্টায় আটক ১৩

পবিত্র আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ইহুদি ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী পশু জবাইয়ের চেষ্টা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় জড়িত অভিযোগে ১৩ জনকে আটক করেছে ইসরায়েলি পুলিশ। শুক্রবার ইহুদিদের ধর্মীয় উৎসব শাভুত উপলক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

এএপিআই হেরিটেজ মাসে নিউ জার্সি সিনেটের সম্মাননা পেলেন বাংলাদেশি-আমেরিকান অধ্যাপক শোয়েব ভূঁইয়া

যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে এশিয়ান আমেরিকান অ্যান্ড প্যাসিফিক আইল্যান্ডার (এএপিআই) হেরিটেজ মাস উপলক্ষে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশি-আমেরিকান অধ্যাপক শোয়েব আহমেদ ভূঁইয়া। নিউ জার্সি স্টেট সিনেট ও জেনারেল অ্যাসেম্বলির পক্ষ থেকে তাকে যৌথ আইনসভা প্রস্তাবনার (Joint Legislative Resolution) মাধ্যমে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। তিনি প্রথম বাংলাদেশি-আমেরিকান হিসেবে এই মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করলেন।

বিজেপিকে ছাড়িয়ে ভাইরাল “তেলাপোকা পার্টি”

ভারতে হঠাৎ করেই তুমুল আলোচনায় উঠে এসেছে একটি ব্যতিক্রমধর্মী অনলাইন আন্দোলন “ককরোচ জনতা পার্টি” বা সিজেপি। কয়েকদিন আগেও যেটিকে অনেকে নিছক মিম, ট্রল কিংবা ব্যঙ্গাত্মক ক্যাম্পেইন হিসেবে দেখছিলেন, সেটিই এখন দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে অস্বস্তির বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ার সংখ্যার দিক থেকে এই নতুন আন্দোলন ইতোমধ্যেই ক্ষমতাসীন বিজেপিকেও ছাড়িয়ে গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত সিজেপির অনুসারী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ কোটি ২২ লাখে, যেখানে বিজেপির অফিশিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে রয়েছে প্রায় ৮৭ লাখ ফলোয়ার। মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে এমন বিস্ফোরক উত্থান ভারতের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।