আন্তর্জাতিক


মিসরে নতুন রাজধানী নির্মাণের কাজ শুরু


হেড অফ ডিজিটাল মিডিয়া

শামসুল আলম

প্রকাশিত:০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৪:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার

মিসরে নতুন রাজধানী নির্মাণের কাজ শুরু
মিসর নতুন রাজধানী নির্মাণের কাজ শুরু করেছে, যার স্যাটেলাইট ইমেজ প্রকাশ করেছে নাসা। মিসরের বর্তমান রাজধানী কায়রো, যা বিশ্বের প্রাচীনতম শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম, এক হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের রাজধানী হিসেবে কাজ করে আসছে।
কায়রোর ওপর চাপ কমানোর উদ্দেশ্যে মিসরের সরকার নতুন রাজধানী স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। নতুন এই রাজধানীর নাম দেওয়া হয়েছে নিউ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ক্যাপিটাল (ন্যাক)। ন্যাক কায়রো থেকে ৪৫ কিলোমিটার পূর্বে মরুভূমির মধ্যে অবস্থিত এবং এর আয়তন ৭৩৫ বর্গকিলোমিটার, যা সিঙ্গাপুরের সমান।
মিসরের মোট আয়তন ১০ লাখ ১০ হাজার ৪৮ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা প্রায় ১০ কোটি ৭৭ লাখ ৮৫ হাজার। এর বিশাল একটি অংশই কায়রোতে বসবাস করে, যেখানে দেশের বেশিরভাগ সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত। কায়রোর ২ হাজার ৭৩৪ বর্গকিলোমিটার আয়তনের শহরটি জনসংখ্যার চাপে প্রায় ধসে পড়ার অবস্থায় পৌঁছেছিল।
এই পরিস্থিতি বিবেচনায় ২০১৫ সালে মিসরের সরকার রাজধানী স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়। ২০১৭ সালে নতুন রাজধানী নির্মাণের কাজ শুরু হলেও, করোনা মহামারির কারণে তা কিছুটা বিলম্বিত হয়।
মহামারি পরবর্তী সময়ে প্রকল্পের কাজ আবার শুরু হয়ে বর্তমানে তা প্রায় সম্পন্ন হওয়ার পথে। মিসরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের মধ্যে প্রকল্পটি সমাপ্ত হবে। ইতোমধ্যে ১ হাজার ৫০০ এরও বেশি পরিবার কায়রো থেকে ন্যাকে স্থানান্তরিত হয়েছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা মিসরের নতুন রাজধানীর দুটি স্যাটেলাইট ইমেজ প্রকাশ করেছে—একটি ২০১৭ সালের, যখন প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছিল, এবং অপরটি ২০২৪ সালের আগস্টের।
মিসরের কর্মকর্তাদের মতে, নতুন এই রাজধানীতে বহুতল ভবন, পার্ক এবং কৃত্রিম হ্রদ থাকবে। সবচেয়ে বড় পার্ক, গ্রিন রিভার, ১০ কিলোমিটার আয়তনের হবে, যার চিহ্ন নাসার স্যাটেলাইট ইমেজে দেখা গেছে। ইতোমধ্যে অনেক মন্ত্রণালয় ও সরকারি দপ্তরের প্রধান কার্যালয় ন্যাকে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

জনপ্রিয়


আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন

৪০ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ- কোন দেশে কত নিহত, বাংলাদেশির সংখ্যা কত?

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পর পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। শুধু ইসরায়েল নয়, ইরানের পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে থাকা মার্কিন সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায়ও হামলা চালানো হয়।

যুক্তরাষ্ট্রের সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক বিজয় হয়েছে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরান-এর সঙ্গে দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র ‘সম্পূর্ণ ও সর্বাত্মক বিজয়’ অর্জন করেছে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে ‘ইরানের বিজয়’

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের উত্থাপিত ১০ দফা দাবি মেনে নিয়েছেন বলে দাবি করেছে তেহরান। এর পরিপ্রেক্ষিতে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে নিজেদের কূটনৈতিক বিজয় হিসেবে দেখছে ইরান।

যুক্তরাষ্ট্র ‘রেড লাইন’ পার হলে সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ছড়িয়ে পড়বে: ইরান

যুক্তরাষ্ট্র যদি তেহরানের নির্ধারিত ‘রেড লাইন’ অতিক্রম করে, তাহলে চলমান সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ছড়িয়ে পড়তে পারে- এমন কঠোর সতর্কবার্তা দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)।