আন্তর্জাতিক
ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবি, শতাধিক অভিবাসন প্রত্যাশীর মৃত্যু
লিবিয়া থেকে ইউরোপের উদ্দেশ্যে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দেওয়ার সময় যাত্রীবোঝাই নৌকা ডুবে প্রায় ১শ অভিবাসন প্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস (এমএসএফ) এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
শনিবার ভোরে ভূমধ্যসাগরে ভাসতে থাকা একটি লাইফ ভেলা থেকে চারজনকে জীবিত উদ্ধার করেছে। খবর এএফপির।
আলেগ্রিয়া-১ এর বরাত দিয়ে এক টুইট বার্তায় এমএসএফ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত চারজন প্রায় একশ লোকের সঙ্গে একটি নৌকায় কমপক্ষে চারদিন সমুদ্রে ভাসছিলো। আলেগ্রিয়া-১ ট্যাঙ্কারের লগবুক অনুযায়ী এই নৌকাডুবির ঘটনায় প্রায় ৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে,জাতিসংঘ শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার- ইউএনএইচসিআর'র প্রধান ফিলিপ্পো গ্রান্ডি বোরবার এক টুইট বার্তায় জানান, ভূমধ্যসাগরীয় আরেকটি ট্র্যাজেডিতে ৯০ জনেরও বেশি লোক মারা গেছে।
ইউএনএইচসিআর এরন তথ্য মতে এ বছর ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবির ঘটনায় ৩৬৭ জনের মৃত্যু রেকর্ড করেছে।
জনপ্রিয়
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
ইরানি ড্রোন হামলার পর ৪ ঘণ্টা বন্ধ, ফের চালু দুবাই বিমানবন্দর
ইরানি ড্রোন হামলায় সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডের কারণে প্রায় চার ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর আবার চালু হয়েছে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত বিমানবন্দর দুবাই ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট। সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টা (বাংলাদেশ সময় দুপুর ১২টা) থেকে সীমিত আকারে বিমানবন্দরটির ফ্লাইট পরিচালনা পুনরায় শুরু হয়েছে।

খামেনির ব্যবহৃত বিমান ধ্বংসের দাবি ইসরায়েলের
তেহরানের মেহরাবাদ বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আলি খামেনির ব্যবহৃত একটি বিমান ধ্বংস করা হয়েছে বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। সোমবার (১৬ মার্চ) রাতে চালানো এই হামলার বিষয়ে আইডিএফ আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য প্রকাশ করেছে।

ভয়ের রাজনীতিতে স্তব্ধ ইরান? আন্দোলন না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা ট্রাম্পের
ইরানে বড় ধরনের গণ-অভ্যুত্থান কেন দেখা যাচ্ছে না এ প্রশ্নের জবাবে নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরান সরকারের কঠোর দমন-পীড়ন এবং সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তাহীনতাই দেশটিতে বড় আকারের আন্দোলন গড়ে ওঠার পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা: কৌশলগত দ্বীপ নিয়ন্ত্রণে ২,৫০০ মেরিন পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে প্রায় ২,৫০০ মার্কিন মেরিন সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’ নামে পরিচিত এই বিশেষ বাহিনীকে মূলত হরমুজ প্রণালী ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পাঠানো হচ্ছে বলে সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

.jpg)
.jpg)




