আন্তর্জাতিক
জরুরি অবতরণের সময় ভেঙ্গে দুই টুকরো কার্গো বিমান
রানওয়ে থেকে স্বাভাবিকভাবেই টেক অফ করে জার্মান লজিস্টিক জায়ান্ট ডিএইচএল এর একটি কার্গো বিমান। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই বিমানটিতে দেখা দেয় যান্ত্রিক ত্রুটি। তাই জরুরি অবতরণের জন্য ফের বিমানবন্দরে ফিরে আসে। কিন্তু অবতরণের সময় রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে দুই টুকরো হয়ে যায় হলুদ রঙের বিমানটি।
কোস্টারিকার সান জোসে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) সকালে এই দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এতে কেউ হতাহত হয়নি। তবে দুর্ঘটনার কারণে ওইদিন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বিমানবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, বোয়িং-৭৫৭ বিমানটি সকালে সান জোসের বাইরে জুয়ান সান্তামারিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ণ করে। কিন্তু যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে তা মিনিট পরেই আবার সান জোসে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফিরে আসে।
খবরে আরো বলা হয়, জরুরি অবতরণের সময় ডিএইচএল এর ওই বিমানটি থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছিল। এক পর্যায়ে বিমানটি রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়ে দুই টুকরো হয়ে যায়।
এ বিষয়ে কোস্টারিকার দমকল বাহিনীর প্রধান হেক্টর শ্যাভেস জানিয়েছেন, বিমানটিতে দুইজন ক্রু ছিল। দুইজনেই ভালো আছেন।
জনপ্রিয়
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
নিরাপত্তা শঙ্কায় ইরান থেকে কূটনীতিকদের প্রত্যাহার করছে আজারবাইজান
নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে ইরান থেকে নিজেদের কূটনীতিকদের ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আজারবাইজান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেইহুন বাইরামভ জানিয়েছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

যুদ্ধে প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার
যুক্তরাষ্ট্র–এর ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সময় গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৮৯১.৪ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে।

পূর্বের বক্তব্য থেকে সরে ইরানে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সামরিক অভিযানের সময়সীমা নিয়ে নিজের আগের অবস্থান থেকে সরে এসে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ইঙ্গিত দিয়েছেন। শুরুতে অভিযান দ্রুত শেষ করার কথা বললেও এখন তিনি জানিয়েছেন, লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে।

মার্কিন স্থলবাহিনীর জন্য আমরা অপেক্ষা করছি: আরাঘচি
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযানের গুঞ্জনের মধ্যে কঠোর বার্তা দিয়েছেন সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। তিনি বলেছেন, সম্ভাব্য মার্কিন স্থলবাহিনীর জন্য ইরান প্রস্তুত রয়েছে এবং এমন কোনো অভিযানে ওয়াশিংটনকে কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।

.jpg)
.jpg)






