আন্তর্জাতিক
আবারও ঘুরে দাঁড়াবে ইউক্রেন: বরিস জনসন
যুদ্ধ বিধ্বস্ত ইউক্রেন আবারও ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। এছাড়াও রাশিয়ার ওপর চাপ প্রয়োগ করবেন বলেও জানান তিনি।
শনিবার হঠাৎ করেই কিয়েভ সফরে যান বরিস।
রোববার সংবাদ মাধ্যম বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।
বরিস জনসন বলেন, ইউক্রেনীরা তাদের সাহসিকতা দ্বারা মাতৃভূমি রক্ষা করবে এবং স্বাধীন স্বার্বভৌম ইউক্রেন আবারও ঘুরে দাঁড়াবে।
ইউক্রেনের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করতেই পূর্ব ঘোষণা ছাড়া কিয়েভ সফরে যান বরিস জনসন। এ সফরে যুক্তরাজ্য আর্থিক ও সামরিক সহায়তার প্যাকেজ দেয়ার কথাও জানান।
গত ২৪ ফেব্রুয়ারী থেকে ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে অভিযানে চালায় পুতিন বাহিনী। প্রথম থেকেই এ হামলার বিরোধিতা করে আসছে ব্রিটেন।
এছাড়াও রাশিয়ার সৈন্যদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইউক্রেন সরকাকে অস্ত্র ও গোলাবারদ সরবরাহ করছে বরিস সরকার।
জনপ্রিয়
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
ভয়ের রাজনীতিতে স্তব্ধ ইরান? আন্দোলন না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা ট্রাম্পের
ইরানে বড় ধরনের গণ-অভ্যুত্থান কেন দেখা যাচ্ছে না এ প্রশ্নের জবাবে নিজের বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, ইরান সরকারের কঠোর দমন-পীড়ন এবং সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তাহীনতাই দেশটিতে বড় আকারের আন্দোলন গড়ে ওঠার পথে প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা: কৌশলগত দ্বীপ নিয়ন্ত্রণে ২,৫০০ মেরিন পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মধ্যে প্রায় ২,৫০০ মার্কিন মেরিন সদস্য মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ‘৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট’ নামে পরিচিত এই বিশেষ বাহিনীকে মূলত হরমুজ প্রণালী ঘিরে সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে পাঠানো হচ্ছে বলে সামরিক বিশ্লেষকদের ধারণা।

ইরানে যুদ্ধের ১২ দিনে ধ্বংস ২৪ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা: ইরনা
তেহরান: যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর পর গত ১২ দিনে ইরানে অন্তত ২৪ হাজার ৫৩১টি বেসামরিক স্থাপনা সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে ধ্বংস হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি সংবাদমাধ্যম। আন্তর্জাতিক মানবিক সহায়তা সংস্থা রেড ক্রিসেন্টের তথ্যের বরাত দিয়ে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন চ্যানেল ইরনা এ তথ্য প্রকাশ করেছে।

ইরানে ক্ষমতাসীনদের হত্যা করা ‘খুবই সম্মানজনক’ : ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের হত্যা করা “খুবই সম্মানজনক” বলে মন্তব্য করেছেন। তিনি এই মন্তব্য করেছেন নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে।

.jpg)
.jpg)





