জাতীয়
শিশুদের জন্য সুন্দর ভবিষ্যতের অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক: শিশুদের জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ রেখে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী এবং জাতীয় শিশু দিবস ২০২২ উদযাপন উপলক্ষে ‘হৃদয়ে পিতৃভূমি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা জাতির পিতার জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদযাপন করছি। উদযাপন করছি এই টুঙ্গিপাড়ার মাটিতে। কারণ তার জন্মস্থানে আমরা এই অনুষ্ঠানটি করতে চাই।
জাতীয় শিশু দিবসকে স্মরণ করে বঙ্গবন্ধুকন্যা বলেন, আজকের শিশু দিবস সফল হোক। এই শিশুর জন্য আমরা সুন্দর একটি ভবিষ্যৎ রেখে যেতে চাই। তার জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা দিয়ে গেলাম। আমরা উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এই মর্যাদা আর ধরে রেখে আগামী দিনে বাংলাদেশকে আমরা উন্নত সমৃদ্ধ সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলবো- এটাই হচ্ছে আমাদের আমাদের অঙ্গীকার। আজকের শিশুরা হবে আগামী দিনের কর্ণধার। শিশুদের ভবিষ্যৎ যাতে উজ্জ্বল হয়, সুন্দর হয় সেদিকে লক্ষ্য রেখে আমাদের সকল কর্ম পরিকল্পনা।
শেখা হাসিনা বলেন, করোনাভাইরাসের সময় স্কুল বন্ধ ছিল। এখন সব স্কুল খুলে গেছে। কাজেই এখন স্কুলে পড়াশোনার সুযোগ আবার এসেছে। তারা পড়াশোনা করবে, সেটাই আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। শিখনমূলক নানা ধরনের গ্রাফিক্স ও কার্টুন আমরা করেছি। যখন করোনা ছিল আমরা অনলাইনে ক্লাস নিয়েছি। শিশুরা যাতে বঞ্চিত না হয় সেদিকে ব্যবস্থা নিয়েছি। প্রতিটি উপজেলায় একটি করে মিনি স্টেডিয়াম তৈরি করে দিচ্ছি। যেখানে শিশুরা খেলাধুলা করতে পারবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে শিশুরা সুরক্ষিত থাকবে, সুন্দর জীবন পাবে। জাতির পিতা এদেশের শিশুদের খুবই ভালোবাসতেন। আমার ছেলে জয়ের সৌভাগ্য হয়েছে আমার বাবার কোলে চড়ে খেলা করতে। তিনি যখন বাচ্চাদের সঙ্গে খেলতেন মনে হতো তিনি নিজেই যেন শিশু। এটাই ছিল তার চরিত্রে সব থেকে বড় দিক। দুর্ভাগ্য এই বাংলার মাটিতে যাদের জন্য আমার বাবা জীবন উৎসর্গ করেছেন, বছরের পর বছর কারাগারে ছিলেন, যাদের একটি জাতি হিসেবে মর্যাদা দিয়ে গেছেন, সেই বাঙালিদের হাতে তাকে জীবন দিতে হয়েছে, এটাই হচ্ছে সবচেয়ে কষ্ট সবচেয়ে দুঃখ।
এ সময় আগামী ২১ থেকে ২৬ মার্চ টুঙ্গিপাড়ায় অনুষ্ঠিতব্য লোকজ মেলার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
তিনি বলেন, এই টুঙ্গিপাড়ার মাটিতে মুজিববর্ষ লোকজ মেলার আয়োজনের আইডিয়াটি এসেছে শেখ রেহানার চিন্তা থেকে। জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন জাতীয় কমিটি এ মেলার আয়োজন করছে। আগামী ২১ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত টুঙ্গিপাড়ার সরকারি শেখ মুজিবুর রহমান কলেজ মাঠে মেলা অনুষ্ঠিত হবে। আমাদের গ্রাম বাংলা নানা বৈচিত্র্যে ভরা। এই বৈচিত্র্যময় বাংলার চিরায়ত সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে এই মেলায় ঐতিহ্যবাহী লোকজ পণ্যের প্রদর্শনী সহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে নিয়ে নানা ধরনের আয়োজন থাকবে। ওই সময় থাকতে পারবো না বলে আমি আজ এই মেলার উদ্বোধন ঘোষণা করছি।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, মুহাম্মদ ফারুক খান, মুজিববর্ষ উদযাপন জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, উত্তর গোপালগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী শেখ মুনিয়া ইসলাম।
অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতা ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জনপ্রিয়
জাতীয় থেকে আরও পড়ুন
ঈদযাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়ার অভিযোগ নেই: কোথাও কোথাও নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও কম নেওয়া হচ্ছে- সড়কমন্ত্রী
আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে রাজধানী থেকে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা শুরু হলেও বাস টার্মিনালগুলোতে এখন পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সড়ক ও সেতু, রেল ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

আওয়ামী লীগ আমলের ভাতাভোগীদের তথ্য যাচাইয়ের দাবি সংসদে
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সরকারি ভাতা ও বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তথ্য যাচাইয়ের দাবি উঠেছে জাতীয় সংসদে। কুষ্টিয়া–১ আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ এ দাবি জানান।

‘মাননীয় স্পিকার’-এর বদলে ‘মাই লর্ড’, তবু সংসদে প্রাণবন্ত জবাব দিলেন প্রতিমন্ত্রী শারমিন পুতুল
জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্বোধন করতে গিয়ে ‘মাননীয় স্পিকার’-এর পরিবর্তে কয়েকবার ‘মাই লর্ড’ বলে ফেলেন সমাজকল্যাণ ও নারীবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন পুতুল। তবে পরে তিনি বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং সাবলীলভাবে প্রশ্নের উত্তর দেন।

সংবিধান অনুযায়ী ‘সংস্কার পরিষদ’-এর অস্তিত্ব নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ
সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর কোনো অস্তিত্ব নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, বিষয়টি এখনো বিচারাধীন এবং এটি আইনে পরিণত হলে তখন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।

.jpg)
.jpg)






