রোনালদোর দেশ পর্তুগালে পুরুষের অভাবে বিয়ে হচ্ছে না সুন্দরী নারীদের। বাঙালি পুরুষদের বিয়ে করতে আগ্রহী তারা। ইউরোপের এই দেশটিতে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বেশি। যে কারণে পাত্রের অভাবে বিয়ে হচ্ছে না তাদের। দেশটিতে একজন পুরুষ কেবল একজন নারীকেই বিয়ে করতে পারে। এখানে একাধিক বিয়ে করা রীতিমতো অপরাধ।
যে কারণে পুরুষরা চাইলেও একের অধিক বিয়ে করতে পারেন না। এদিকে পুরুষের তুলনায় নারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায়, পাত্র সংকটে ভুগছেন তারা। বিবাহযোগ্য হয়েও বিয়ে করতে পারছে না নারীরা। চোখ ধাঁধানো সুন্দরীদের বসবাস এখানেই।
এরা বাধ্য হয়েই অন্য দেশের পুরুষদের জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নিচ্ছে। দেশটিতে অবস্থানরত অভিবাসী বা অন্য দেশের নাগরিকদের বিয়ে করে ঘর বাঁধছে হাজার হাজার তরুণী।শুধু তাই নয়, পাত্রের অভাবে অনেক নারী বিয়ে ছাড়াই সন্তান জন্ম দিচ্ছেন। বিবাহবহির্ভূত সন্তান জন্ম দানে শীর্ষে রয়েছে দেশটি।
কিন্তু পর্তুগালের এই সংকট নিরসন করতে পারেন বাংলাদেশের পুরুষ। পর্তুগালে বাংলাদেশিদের ব্যাপক চাহিদা।
প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে হজার হাজার লোক পর্তুগালে পাড়ি জমাচ্ছে। যার মূল কারণ পর্তুগালের জীবনযাত্রার মান বাংলাদেশ থেকে বহু গুণে উন্নত এবং সেখানকার মোটা অংকের বেতন।বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করেছে দেশটি।
স্বর্গরাজ্য খ্যাত আটলান্টিক পাড়ের এই দেশে গেলে সহজেই রেসিডেন্ট কার্ড পাওয়া যায় এবং সুযোগ হয় ইউরোপে বসবাস করার। পর্তুগালে গেলে দেখা যায়, শহরজুড়ে ব্যস্ত কফি শপ, রেস্টুরন্টে বসে তরুণদের উদ্দামতা, রাস্তায় বসে গানের আসর, স্থানীয় ও পর্যটকরা এসবে মিলে মিশে একাকার।রাতের পরিবেশ এখানে বেশ জমজমাট। তরুণ - তরুণীরা ঢল নামে রাস্তায়। হাজার হাজার তরুণ তরুণী সমবেত হয় ডিসকো এবং ডিজেতে।
দেশটিতে ভ্রমণ করলে সবকিছুর সংমিশ্রণ পাওয়া যায়। এখানে আছে পাহাড়, নদী, সাগর, দ্বীপ, গুহা, আছে বরফের শহর ছেরা দ্য এস্ত্রেলা। পর্তুগালের একমাত্র শহর ছেরা দ্য এস্ত্রেলায় ঠান্ডার মৌসুমে বরফের চাদরে ঢাকা থাকে। শহরটি সমুদ্রপৃষ্ট থেকে প্রায় ৬ হাজার ৫৩৯ ফুট উঁচু হওয়ায়, এটিই একমাত্র শহর যেখানে পর্তুগিজ ও পর্যটকেরা বরফের স্বাদ গ্রহণ করে।
এদিকে পর্তুগালের দক্ষিণ উপকূলের মাত্র কয়েক শ মিটার দূরে তাবিরা শহরটির নামকরণ করা হয়েছে ইলাহা দি তাবিরা। যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম নৌকা ও ফেরি। গ্রীষ্মকালে এ দ্বীপে জনমানুষে ভরপুর থাকে। দ্বীপটি বিখ্যাত গরমের দিনে সাঁতার কাটার জন্য, তা ছাড়া এটা এক নির্জন বালির সৈকত, যেখানে জনসমাগম কম।
বৈচিত্রতায় গড়া প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর পর্তুগালের দ্বীপ গুলোও দুর্দান্ত। পর্তুগালের সবচেয়ে বড় দ্বীপ টি আজোর্স। কয়েকটা ছোট ছোট দ্বীপ নিয়ে দ্বীপটি গঠিত। আজোর্স ভ্রমণের জন্য এক প্রাকৃতিক নৈস্বর্গিক জায়গা, যেখানে যাওয়ার একমাত্র মাধ্যম বিমান ও জাহাজ। এখানে আছে হলুদ উঁচু পাহাড়ের চূড়ার দ্বীপ, সমুদ্রসৈকত, ফিশিং গ্রাম। ডলফিন ও তিমি মাছ দেখার জন্য আছে নির্দিষ্ট দ্বীপ। আরও আছে পর্তুগালের সবচেয়ে উঁচু দ্বীপ পিকো। এর চূড়ায় উঠতে দুই ঘণ্টা সময় লাগে। এখানে উঠে খুব সহজেই অবলোকন করা যায় অন্যান্য দ্বীপ। তা ছাড়া সূর্যাস্ত দেখার দুর্দান্ত একটি স্থান।