
পানির উপরের যুদ্ধে সামরিক নৌবাহিনীর ব্যবহার অনেক আগে থেকেই ছিল । তবে বুদ্ধিমান মানুষ পানির উপরের যুদ্ধেই আটকে থাকেনি । আধুনিক যুদ্ধের কলাকৌশলকে নিয়ে গেছে পানির নিচ পর্যন্ত । তারই হাত ধরে এসেছে সাবমেরিন । আজকের দিনের পারমানবিক ,ইলেক্ট্রিক সাবমেরিন সহ নানা প্রকারের নানা আকারের সাবমেরিন থাকলেও ,আক্ষরিক অর্থে পানির নিচের যুদ্ধে সাবমেরিনের ব্যাবহার কিন্তু শুরু হয়েছিল আরো আগে । আজকে আমরা জানবো সেই সম্পর্কেই । বিশ্বের প্রথম মিলিটারি সাবমেরিন যিনি তৈরি করেছিলেন তার নাম ইয়াফিম নিকোনভ । তিনি রাশিয়ার জার পিটারের সময়কার একজন নিরক্ষর নৌ যান নির্মান শ্রমিক ছিলেন । কাঠ দিয়ে বিশ্বের প্রথম সাবমেরিন তৈরি করেছিলেন তিনি । তার নির্মিত সাবমেরিনের নাম ছিল “”দ্যা মোরেল “ । ১৭২৪ সালে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় । এটি ছিল ২০ ফুট লম্বা এবং ৭ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট একটি স্টিলথ ভ্যাসেল । তবে ঠিক কি কারনে এটাকে স্টিলথ ভ্যাসেল বলা হতো তা এখনো জানা যায় না । একটা পরীক্ষা চালানোর সময় নদীর নিচে আটকে যায় সাবমেরিনটি । এরপর সেটাকে আর নদীর তলদেশ থেকে ফিরিয়ে আনা যায়নি । তবে দ্যা মোরেল নামক সাবমেরিনটি আলোর মুখ না দেখলেও ১৭৭৫ সালে আমেরিকা “”টার্টল “” নামে আরেকটি সাবমেরিন তৈরি করে । বলা হয়ে থাকে এই সাবমেরিনটি মিলিটারি সাবমেরিন হিসেবে প্রথম সফল ভাবে ব্যবহার হয়েছিল বৃটেনের সাথে আমেরিকার যুদ্ধে । এটা চালাতে প্রয়োজন হতো মাত্র একজন মানুষ । সাবমেরিনটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছিল যেন এটি বোমার ব্যাগ শত্রু জাহাজের হালে লাগিয়ে আসতে পারে । এটি নির্মাণ করেছিলেন ডেভিড বাশনেল নামে একজন ব্যাক্তি , যিনি একাধারে একজন শিক্ষক ,ডাক্তার এবং মিলিটারি ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন । তার এই সাবমেরিনটি দেখতে ছিল একটা গোল বাল্বের মতো । বাশনেলকে এই কাজে সাহায্য করেছিলেন আইজ্যাক ডোলিটল নামক একজন ঘড়ির মেকানিক । বলাই বাহুল্য সাবমেরিনের মূল প্রপেলার তৈরি করেছিলেন এই মেকানিকই । সাবমেরিনের প্রোপেলার ছিল সামনের দিকে । প্রোপেলার চালানর জন্য ভেতর থেকে প্যাডেল করতে হতো ,অনেকটা সাইকেলের মতো । ভেতর থেকে বাইরে দেখার জায়গা ছিল খুবই সীমিত । এছাড়া বাতাস চলাচলের জায়গাও পর্যাপ্ত ছিল না । ১৭৭৬ সালে ৩ জন আমেরিকান সৈনিক এটি চালানোর জন্য প্রশিক্ষন দেয়া হয় । মাত্র দুই সপ্তাহ পরেই সাবমেরিনটিকে বৃটিশ যুদ্ধ জাহাজ এইচএমএস ঈগলকে ডুবিয়ে দেয়ার এসাইনমেন্ট দেয়া হয় । ১৭৭৬ সালের সেপ্টেম্বরের ৬ তারিখ সকাল ১১ টায় সার্জেন্ট এজরা লী ,বৃটিশ জাহাজ উড়িয়ে দেয়ার জন্য সাবমেরিন নিয়ে সাগরে নামেন । যেহেতু প্যাডেল দিয়ে ড্রাইভ করতে হতো এবং ভেসেলটির ভেতরে মাত্র ২০ মিনিটের অক্সিজেন মজুত থাকতো ,তাই সার্জেন্ট এজরা লী পরে গেলেন দারুন ঝামেলায় । একই সাথে গন্তব্যে পৌঁছে দেখা গেলো বোমের যে ব্যাগটা সাবমেরিনের সাথে নিয়ে আসা হয়েছিল সেটি কোন ভাবেই বৃটিশ যুদ্ধ জাহাজের হালের সাথে লাগছে না । অগত্যা সার্জেন্ট এজরা লী ,ভেসেলটিকে সেই অবস্থায় ছেড়ে ফিরে এলেন নিজের জাহাজে । তার আশা ছিল ,বৃটিশরা হয়তো কৌতূহলী হয়ে জিনিসটা নাড়াচাড়া করবে এবং তখন মারাত্মক বিস্ফোরণ হয়ে জাহাজ ধ্বংস হবে । তবে সেরকম কিছু হয়েছিল বলে ইতিহাসে জানা যায় না । অথবা হলেও বৃটিশরা হয়তো তাদের লেখা ইতিহাসে সেটা এড়িয়ে গেছে । তবে ঘটনা যাই ঘটুক না কেন ,ইতিহাসের প্রথম সাবমেরিন অভিযান মানুষকে পরবর্তিকালে পানির নিচের যুদ্ধে আরো বেশি উৎসাহিত করেছিল , যার ফলে এসেছে নতুন নতুন সব টর্পেডো আর আধুনিক সমরাস্ত্র সজ্জিত উন্নত সব সাবমেরিন ।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ইয়াবা সেবন ও ব্যবহারের অপরাধে মো. ফারুক নামে এক ব্যক্তির এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সাতক্ষীরার জেলার, তালা উপজেলার ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ১৩ জন ছাত্রীর বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।