খেলাধুলা
কাতার বিশ্বকাপে দেখা যাবে বাংলাদেশী টি-শার্ট
আর কিছুদিন পরেই কাতার বিশ্বকাপ। ভক্তদের আগ্রহ উদ্দীপনা ইতোমধ্যে বাড়তে শুরু করেছে বিশ্বকাপের বাইশতম আসর নিয়ে
২০২২ সালের এই ফিফা বিশ্বকাপে অবশ্য বাংলাদেশ ফুটবল দল খেলবে না। তবে আয়োজক দেশ কাতারে দেখা মিলবে বাংলাদেশের।
লাল-সবুজের সিল সম্বলিত 'মেইন ইন বাংলাদেশ' লোগোর অফিসিয়াল টি-শার্ট থাকবে গ্যালারির দর্শক-সমর্থকদের গায়ে।
ফুটবলের এই মহা-আসরের জন্য টি-শার্ট উৎপাদন করছে চট্টগ্রামের সনেট টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিডেটের কারখানা।
এখানে তৈরি হয়েছে প্রায় ছয় লাখ পিস ফিফার অফিশিয়াল টি-শার্ট। কারখানাটিতে বিভিন্ন বয়সীদের জন্য বানানো হয়েছে
পাঁচ ধরনের টি-শাএসব টি-শার্টে আবার ব্যবহৃত হয়েছে দেশীয় ফেব্রিক্স আর সুতা।মূলত ফিফার লাইসেন্সপ্রাপ্ত রাশিয়ান স্পোর্টস চেইন শপ স্পোর্টস মাস্টারের হয়ে এই টি-শার্ট তৈরি করেছে কারখানাটি।
বিশ্বকাপ ফুটবলে পোশাকপণ্য ও সরঞ্জাম সরবরাহের জন্য আয়োজক সংস্থা ফিফা বিশ্বখ্যাত কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে লাইসেন্স দেয়।
লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো আবার বিভিন্ন দেশের কোম্পানিকে জার্সি, টি-শার্ট, জ্যাকেটসহ নানা সরঞ্জাম তৈরির কার্যাদেশ দেয়।
রাশিয়ান স্পোর্টস চেইন শপটি প্রতিষ্ঠানটি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে গোসাইলডাঙ্গার সনেট টেক্সটাইল লিমিটেডকে
ছয় লাখ টি-শার্ট বানানোর অর্ডার দেয় গত বছরসব প্রক্রিয়া শেষে ফিফার অনুমোদনের পর এ বছরের ফেব্রুয়ারি
থেকে টি-শার্ট উৎপাদন শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি।ছয় লাখ টি-শার্টের রপ্তানিমূল্য প্রায় ১৫ লাখ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশী হিসেবে ১৩ কোটি টাকা।
এর আগেও ২০১৮ সালের রাশিয়া বিশ্বকাপে ফিফার লোগো সম্বলিত ২ লাখ পিস অফিসিয়াল জ্যাকেট তৈরি করে
সনেট টেক্সটাইল কারখানা।এছাড়া ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত ইউরো কাপের জন্য ৩ লাখ পিস টি-শার্ট তৈরির কাজ হাতে পেয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।
ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার অফিশিয়াল টি-শার্ট তৈরিতে কঠোর শর্ত মানতে হয়কোনো টি-শার্ট
বাইরের বাজারে সরবরাহ করা যায় না। আবার নকশা থেকে শুরু করে কোন কিছুই কোথাও হস্তান্তর করা যায় না।ক্রীড়া দুনিয়ার সেরা আসর উপলক্ষে পোশাক উৎপাদন করে সনেট টেক্সটাইল বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করছে।
এছাড়া বিশ্ব আসরে বাংলাদেশের সম্মান বয়ে আনছে প্রতিষ্ঠানটি। জার্সি ছাড়াও নিয়মিত বিদেশে পোশাক
রপ্তানি করে থাকে সনেট টেক্সটাইল।
সনেটের মোট ৩টি কারখানায় এখন প্রায় ১,৮০০ কর্মী কর্মরত আছেন। প্রতিষ্ঠানটির বার্ষিক উৎপাদন সক্ষমতা
১ কোটি ২০ লাখ পিস। তাদের তৈরি টি-শার্ট, জ্যাকেট, অ্যাকটিভ ওয়ার, স্পোর্টসওয়ার, স্লিপওয়ার, কিডস আইটেম, রোম্পার ইত্যাদি পণ্য যায় রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইতালিতে।
এ ছাড়া পুরুষ, নারী ও বাচ্চাদের বিভিন্ন পোশাক রপ্তানি হয় জাপানে।কারখানায় উৎপাদিত পণ্যের ৬৫ শতাংশ রাশিয়ান প্রতিষ্ঠানের কাছে রপ্তানি হয়।
২০১৮ সালে রাশিয়ায় ফুটবল বিশ্বকাপের সময় স্পোর্টস মাস্টার ফিফার লাইসেন্স পেয়েছিলএরপর থেকে তাদের হাত ধরে সনেটের তৈরি টি-শার্ট বিভিন্ন ফুটবল আসরে ব্যহৃত হচ্ছে।
এছাড়া যুক্তরাষ্ট্র, ইতালির মত উন্নত দেশের চেইন শপগুলোতেও বিক্রি হচ্ছে সনেটে তৈরি পণ্য।
২০২১ সালে ১৫.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয় হয়েছে সনেট টেক্সটাইলের২০২২ সালেও ১৫-১৬
মিলিয়ন মার্কিন ডলার রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটতবে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রপ্তানিতে কিছুটা ধীর গতি এসেছে।'
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
খেলাধুলা থেকে আরও পড়ুন
মিরাজের সঙ্গে ছবি শেয়ার করলেন জাকির নায়েক, ক্যাপশনে ভুল পরিচয় নিয়ে আলোচনা
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মেহেদী হাসান মিরাজ–এর সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করেছেন আলোচিত ইসলামি বক্তা ড. জাকির নায়েক। ছবিটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা নিয়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়।

লন্ডনে কেক কেটে সাকিবের জন্মদিন উদযাপন, ‘নবাব’ সম্বোধনে প্রশংসা আসিফ আকবরের
বাংলাদেশ ক্রিকেটের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান-এর ৩৯তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন বিসিবির পরিচালক আসিফ আকবর। লন্ডন-এ কেক কেটে এই উদযাপন করা হয়।

চেলসিতে খেলার আমন্ত্রণ নিয়ে বিতর্ক: জাইমার প্রতিভায় আস্থা শৈশবের কোচের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর কন্যা জাইমা রহমানকে ঘিরে ফুটবল ক্যারিয়ার নিয়ে আলোচনার মধ্যেই নতুন করে মন্তব্য দিয়েছেন তার শৈশবের কোচ মোহাম্মদ হাকিম। চেলসির বয়সভিত্তিক দলে খেলার আমন্ত্রণ পাওয়ার দাবিকে অস্বাভাবিক মনে করছেন না তিনি।

জাইমা রহমানের ক্রীড়া প্রতিভা নিয়ে শৈশবের কোচের স্মৃতিচারণ
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচিত নাম ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একমাত্র মেয়ে হিসেবে পরিচিত হলেও সম্প্রতি তার শৈশবের ক্রীড়া প্রতিভা নতুন করে আলোচনায় এসেছে।জাইমা রহমানে

.jpg)
.jpg)






