বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের সবচেয়ে সফল ফ্রাঞ্চ্যাইজি কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। বিপিএলের তিনবারের চ্যাম্পিয়ন তারা।
প্রতি আসরেই দল গঠনে চমক দেখায় নাফিসা কামালের দল। শক্তিশালী দল গঠনের জন্য কখনোই আপোষ করে না কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।
এবারো তেমনটিই করেছে।
প্লেয়ার্স ড্রাফটের আগেই কুমিল্লা ৮ জন বিদেশি এবং ১ জন দেশি ক্রিকেটারকে সরাসরি চুক্তিতে দলে ভিড়িয়েছিল। এই নামগুলোও ছিল চমকপ্রদ।
দেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে কুমিল্লা সরাসরি দলে নিয়েছে মুস্তাফিজুর রহমানকে। আর কুমিল্লায় সরাসরি নাম লেখানো বিদেশি ক্রিকেটাররা হলেন, মোহাম্মদ রিজওয়ান, শাহীন শাহ আফ্রিদি, হাসান আলী, খুশদিল শাহ, মোহাম্মদ নবী, আবরার আহমেদ, জশ কব ও ব্রেন্ডন কিং।
ড্রাফট থেকে কুমিল্লা দলে টানে দুই বিদেশি ক্রিকেটারকে, তারা হলেন জিম্বাবুয়ের শন উইলিয়ামস ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের chadweak ওয়ালটন।
দেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে ড্রাফট থেকে কুমিল্লা দলে ভিড়িয়েছে লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, নাঈম হাসান, সৈকত আলী, আশিকুর জামান, জাকের আলী অনিক, তানভীর ইসলাম, আবু হায়দার রনি, মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন কে।
কুমিল্লার বড় শক্তি বিদেশি ক্রিকেটার। ব্যাটিং বিভাগে রিজওয়ান কুমিল্লার সবচেয়ে বড় নাম। এই পাকিস্তানি ক্রিকেটার গত দুই বছর ধরেই আছেন দুর্দান্ত ফর্মে। তার ব্যাটে বইছে রানের বন্যা।
shorboda দেশের মাটিতেই হেসেছে তার ব্যাট। তাই কুমিল্লারও অপেক্ষা- মিরপুর চট্টগ্রামের মাঠে রিজওয়ানের ব্যাটে আসবে রানের ফোয়ারা।
ওপেনিংয়ে দেখা যেতে pare ইমরুল বা লিটন এর সাথে রিজওয়ানকে। বাংলাদেশের ইনফর্ম ব্যাটার লিটন দাসের সাথে রিজওয়ানের ওপেনিং জুটি বেশ জমতে পারে।
তাছাড়া ব্যাট হাতে ঝড় তুলতে পারেন খুশদিল শাহ, জশ কব, সৈকত আলি, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতরা।
বোলিংয়ে মুস্তাফিজুর রহমানের সাথে জুটি বাঁধবেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। এছাড়া অলরাউন্ডার হিসেবে খেলতে পারেন হাসান আলিও। এছাড়াও দেশি পেসারদের মধ্যে আছেন মুকিদুল, আশিকুর ও আবু হায়দার রনি।
স্পিনার তানভীর ইসলামের একাদশে জায়গা পাওয়া মোটামুটি পাকা। এছাড়া বিদেশি অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবীও স্পিন ঘূর্ণিতে চমক দেখাতে পারেন। সেই সাথে আছে নবীর কার্যকরী ব্যাটিং।
বিপিএলের সফলতম দল ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স এর খাতা-কলমের এই শক্তি ২২ গজে কতটা দেখাতে পারবে, তা সময়ই বলে দিবে।
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ বিপিএলের নবম আসরের প্রথম ম্যাচ শুরু হবে ৬ জানুয়ারি। আগামী ৬ জানুয়ারি শুরু হয়ে বিপিএল নবম আসর চলবে ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।
এবারে টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে ৭ টি দল।
চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স, সিলেট স্ট্রাইকার্স, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস, রংপুর রাইডার্স, ঢাকা ডমিনেটরস, খুলনা টাইগার্স এবং ফরচুন বরিশাল।
গ্রুপ পর্বের ৪২ ম্যাচ শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ ৪ টি দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হবে সেমিফাইনাল। সেমিফাইনালে তিনটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রথম এলিমিনেটরি ম্যাচে মুখোমুখি হবে গ্রুপ পর্বে শীর্ষে থাকা দুটি দল।
অন্যদিকে সেমিফাইনালের প্রথম কোয়ালিফয়ার ম্যাচে মুখোমুখি হবে পয়েন্ট টেবিলে তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে থাকা দুটি দল।
এক্ষেত্রে প্রথম এলিমিনেটরী ম্যাচের জয়ী দল সরাসরি খেলবে ফাইনালে। অন্যদিকে পরাজিত দল, প্রথম কোয়ালিফায়ারএর জয়ী দলের বিপক্ষে, মুখোমুখি হবে তৃতীয় ম্যাচে।
সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় ফাইনালিস্ট হবে জয়ী দল। আগামী ১৬ ই ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে নবম আসরের ফাইনাল।
এদিকে নবম আসরের প্রথম দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে, রংপুর রাইডার্স এর মুখোমুখি হবে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।