.jpg&w=3840&q=75)

চা–বাগানের সরু পথ। ভোরের আলো তখনো পুরোপুরি মাটিতে নামেনি। কুয়াশার ভেতর দিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছেন এক নারী, হাতে ধরা আরেকজনের হাত। তিনি পথ দেখান, আর যিনি তাঁর হাত ধরে হাঁটছেন, তিনি জন্মান্ধ। পৃথিবী দেখেন না চোখে, দেখেন অনুভবে।
এই হাত ধরা শুধু পথ চলার নয়; ২৫ বছরের এক সংসার, এক ভালোবাসা আর এক জীবনের দায় কাঁধে নেওয়ার প্রতীক।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার পালকিছড়া চা–বাগানের ছোট্ট টিনের ঘরে থাকেন বাসমতি রানী রবিদাস ও তাঁর স্বামী রামনারায়ণ রবিদাস। এলাকায় বাসমতিকে অনেকে ‘পাগলি’ বলে ডাকেন। কিন্তু সেই ‘পাগলিই’ হয়ে উঠেছেন এক জন্মান্ধ মানুষের চোখ, ভরসা আর জীবনসঙ্গী।
চা–বাগানে কাজের ফাঁকে ফাঁকে কথা হতো তাঁদের। একসময় সেই কথাই রূপ নেয় ভালোবাসায়।
বাসমতি বলেন, ‘ওর সঙ্গে কথা বললে মন ভরে যেত। কিন্তু আমার পরিবার কেউ তাকে মেনে নেয়নি। সবাই আমাকে পাগলি বলত। একদিন ঘর থেকেই বের করে দিল।’
আশ্রয়ের খোঁজে তিনি যান রামনারায়ণের কাছে। কিন্তু সেখানেও ঠাঁই হয়নি।
রামনারায়ণ বলেন, ‘বাবা বললেন তোমার জন্মের ভাগী আমি, কিন্তু কর্মের ভাগী না। তারপর আমাকেও বাড়ি থেকে বের করে দিলেন।’
দুজনেই হয়ে গেলেন ঘরছাড়া শুধু ভালোবাসার অপরাধে।
প্রথম কয়েক মাস কেটেছে বাজারের গাছতলায়। ভিক্ষায় পাওয়া কাপড়েই দিন চলত। পরে এক দয়ালু মানুষ নিজের বারান্দায় আশ্রয় দেন।
বাসমতির দিন শুরু হতো স্বামীকে দিয়ে নাস্তা তৈরি, স্নান করানো, পোশাক পরানো। তারপর তাঁর হাত ধরে ভিক্ষায় বের হওয়া।
হেসে বাসমতি বলেন, ‘আমার মতো পাগলির কথা কেউ না শুনলেও, একজন তো শুনে।’
বাসমতি রানী রবিদাস ও তাঁর স্বামী রামনারায়ণ রবিদাস
রামনারায়ণের প্রথম স্ত্রী প্রায় ৩০ বছর আগে সন্তান প্রসবের সময় মারা যান। এরপর তিনি হয়ে পড়েন একা ও ছন্নছাড়া। হঠাৎ দেখা পান বাসমতির।
‘আমার মতো অন্ধ মানুষকে আবার কেউ ভালোবাসবে, ভাবতেই পারিনি,’ বলেন তিনি।
স্ত্রীর কথা বলতে গিয়ে তাঁর কণ্ঠ কেঁপে ওঠে। ‘ওর কাঁধে হাত রেখেই চলি। ওর চোখই আমার ভরসা।’
বিয়ের এক বছরের মাথায় জন্ম নেয় প্রথম সন্তান, পরে আরেক পুত্র। তখন চরম অভাব।
বাসমতি বলেন, ‘অনেক সময় খাবার অভাবে বুকে দুধ হতো না।’ প্রতিবেশীরা কখনো দুধ খাইয়ে দিতেন, কখনো সন্তান উপোষেই ঘুমিয়ে পড়ত।
তবু মানুষের দয়া তাঁদের বাঁচিয়ে রেখেছে। কেউ শিশুকে দেখে খাবার দিত, কেউ খোঁজ নিত।
ভিক্ষার থালা নামিয়ে রাখার স্বপ্ন ছিল দুজনেরই। এক লাখ টাকা ঋণ নিয়ে একটি অটোরিকশা কেনেন। পরিকল্পনা ছিল, ছেলে চালাবে, সংসার চলবে।
কিন্তু স্বপ্নটা টিকল মাত্র ছয় মাস।
গত ৩১ ডিসেম্বর ভোরে ঘুম ভেঙে দেখেন, তালা ভাঙা অটোরিকশা নেই।
রামনারায়ণের কণ্ঠ ভেঙে যায়। ‘ভাবছিলাম আর ভিক্ষা করতে হবে না… কিন্তু ভগবান সে সুখও দিল না।’
পাশে দাঁড়িয়ে বাসমতি বলেন, ‘এই অটোরিকশাটাই আছিল ভরসা। চোরে মরা মানুষরে মারিয়া গেল।’
স্বজনদের অপমান, সমাজের তাচ্ছিল্য সবই সহ্য করেছেন তাঁরা।
প্রতিবেশী সুমন যাদব বলেন, ‘এত অভাব, অপমান সত্ত্বেও শুধু ভালোবাসার জন্য সংসারটা ২৫ বছর টিকে আছে। বাসমতিকে না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন।’
আজও ভোর হলে বাসমতি স্বামীর হাত ধরেন, পথ দেখান।
চোখে দেখতে পান না রামনারায়ণ, কিন্তু ভালোবাসা অনুভব করেন।
আর বাসমতি সমাজের চোখে ‘পাগলি’, কিন্তু এক জন্মান্ধ মানুষের জীবনে তিনি আলো হয়ে আছেন।
গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ আরও সহজ ও কার্যকর করতে রূপায়ণ সিটি উত্তরা এবং বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেডের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ফার্নিচার ব্র্যান্ড নাভানা ফার্নিচার সাভারে তাদের নতুন শো-রুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নাভানা ফার্নিচারের প্রতিনিধিবৃন্দ, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। ফিতা কাটা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’, যার আয়োজন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রজেক্ট (ALP) এবং জিআইজেড-এর Advantage প্রজেক্ট-এর আওতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সুযোগ উন্মোচনের পাশাপাশি নিয়োগদাতা ও চাকরিপ্রত্যাশীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসে।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।