বাংলাদেশ
নগদ উদ্যোক্তার ‘সন্তানের কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত’ প্রতিযোগিতা

ছবি: সংগৃহীত
দেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা তিন লাখেরও বেশি উদ্যোক্তার (এজেন্ট) সন্তানদের অংশগ্রহণে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে মোবাইল আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদ।
‘সন্তানের কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত’ নামের এই প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করছে নগদ ইসলামিক। ইতিমধ্যে প্রতিযোগিতাটি নগদ উদ্যোক্তার সন্তানদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য পবিত্র রমজান মাসের মহিমা শিশুদের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া এবং নতুন প্রজন্মকে ধর্মীয় ও নৈতিক মূল্যবোধে উৎসাহিত করা।
প্রতিযোগিতাটি মোট তিনটি বয়সভিত্তিক বিভাগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রথম বিভাগে তিন থেকে ছয় বছর বয়সের শিশুরা অংশ নিতে পারবে। দ্বিতীয় বিভাগে অংশ নেবে ছয়-এর ওপর থেকে ১১ বছরের বাচ্চারা। আর তৃতীয় বিভাগের জন্য ১১-এর ওপর থেকে ১৬ বছর বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। অংশগ্রহণের নিয়ম অনুযায়ী, নগদের উদ্যোক্তারা তাদের সন্তানের পবিত্র কুরআন তিলাওয়াতের এক থেকে দুই মিনিটের একটি ভিডিও রেকর্ড করে নির্ধারিত গুগল ফর্ম লিঙ্কে আপলোড করবেন। আপলোডের সময় আরো কিছু প্রয়োজনীয় তথ্যও সেখানে প্রদান করতে হবে। এই সহজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ব্যবাসায়িক কার্যক্রম পরিচালনার সুবিধার জন্য ভাগ করা দেশের ১০টি অঞ্চলের সকল নগদ উদ্যোক্তার সন্তানেরা নিজ নিজ অবস্থান থেকেই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে পারবে।
গত ৫ ফেব্রুয়ারি প্রতিযোগিতা উন্মুক্ত হওয়ার পর এ পর্যন্ত তিন হাজারেরও বেশি উদ্যোক্তার সন্তান প্রতিযোগিতায় তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেছে। প্রতিদিনই নিবন্ধনের অঙ্ক বৃদ্ধি পাচ্ছে।
প্রাপ্ত সকল ভিডিও রেকর্ডগুলো নগদ ইসলামিক-এর শরীয়াহ সুপারভাইজরি কমিটির তত্ত্বাবধানে বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রথম পর্যায়ে প্রতিটি অঞ্চলের প্রতি বয়স শ্রেণী থেকে তিন জন করে মোট ৯০ জনকে নির্বাচিত করা হবে। এরমধ্যে প্রতিটি অঞ্চলের প্রতি বয়স শ্রেণীর শুধু প্রথম হিসেবে মোট ৩০ জন প্রতিযোগী ঢাকায় নগদের প্রধান কার্যালয়ে গ্র্যান্ড ফিনালেতে অংশ নেবে। আর দ্বিতীয় ও তৃতীয় হওয়া মোট ৬০ জনকে বিশেষ সনদ প্রদান করা হবে।
চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় প্রতিটি বয়স শ্রেণী থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী মোট ৯ জন জাতীয় পর্যায়ের বিজয়ী হবে। বিজয়ীদের আকর্ষণীয় নগদ অর্থ পুরস্কারের সঙ্গে ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট প্রদান করবে নগদ ইসলামিক। চূড়ান্ত পর্যায়ের জন্য নির্বাচিত ফাইনালিস্টের সঙ্গে তাদের একজন অভিভাবককে সমাপনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ জানাবে কর্তৃপক্ষ।
পুরো আয়োজন সম্পর্কে নগদ ইসলামিক শরীয়াহ সুপারভাইজারি কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এইচ এম শহীদুল ইসলাম বারাকাতি বলেন, “বিগত আয়োজনের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় আমাদের উদ্যোক্তাদের সন্তানদের জন্য আবারও এই উদ্যোগ নিয়েছি। প্রতিযোগিতাটি শিশুকে শুদ্ধভাবে কুরআন তিলাওয়াত শিখতে সাহায্য করবে বলে আমি বিশ্বাস করি। এর মাধ্যমে ছোটবেলা থেকেই তাদের মনে ভালো কাজের প্রতি আগ্রহ তৈরি হবে এবং তারা সুন্দর ও সুশৃঙ্খল মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার অনুপ্রেরণা পাবে। মূলত একটি আদর্শ জীবন গড়ার প্রাথমিক অনুপ্রেরণা হিসেবেই নগদ ইসলামিক এই আয়োজনটি করে থাকে।”
এর আগেও নগদ উদ্যোক্তার সন্তানদের নিয়ে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতা “সন্তানের কণ্ঠে কুরআন তিলাওয়াত”-এর আয়োজন করা হয়। তখনো আয়োজনটি সবার মাঝে ইতিবাচক সাড়া ফেলে।
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
বাংলাদেশ থেকে আরও পড়ুন
হামে শিশুমৃত্যু ৫১২, একদিনে মারা গেছে আরও ১৩ শিশু
দেশে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫১২ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ২ হাজার ১৩২ শিশু। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রকাশিত সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পল্লবীতে শিশু হত্যা: সামাজিক মাধ্যমে কেন আলোচনায় ‘দ্য ডিসাপেয়ারেন্স অব উইলি বিংহাম’?
রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছর বয়সি শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দার ঝড় উঠেছে। এই নৃশংসতার পরিপ্রেক্ষিতে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি যখন তুঙ্গে, তখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ২০১৫ সালের বহুল আলোচিত অস্ট্রেলিয়ান স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দ্য ডিসাপেয়ারেন্স অব উইলি বিংহাম’ (The Disappearance of Willie Bingham)। মাত্র ১২ মিনিটের এই মনস্তাত্ত্বিক সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ম্যাথু রিচার্ড।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদ জানাল জামায়াতে ইসলামী
ধর্ষকের প্রকাশ্য শাস্তি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শুক্রবার দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এক বিবৃতিতে এ প্রতিক্রিয়া জানান।

রাত বাড়লেই সুনামগঞ্জ শহরে চুরির আতঙ্ক, অতিষ্ঠ বাসিন্দারা
সুনামগঞ্জ শহরে ধারাবাহিকভাবে বেড়ে চলেছে চুরির ঘটনা। বাসাবাড়ির পাশাপাশি সরকারি, আধাসরকারি ও বিচারিক প্রতিষ্ঠানেও হানা দিচ্ছে চোরচক্র। চিহ্নিত চিচকে চোরদের দৌরাত্ম্যে শহরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ও উদ্বেগ বাড়ছে।









