বিনোদন
কেন বারবার দুবাই যাচ্ছেন মারিয়া মীম।
অভিনেতা সিদ্দিকের সাবেক স্ত্রী মডেল মারিয়া মিম। সোশাল মিডিয়ায় বেশ গ্ল্যামারাস লুকে ধরা দেন তিনি। কিছু দিন পরপর ছুটে যান দুবাই, সিঙ্গাপুর, ফ্রান্স সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে।
কিন্তু কিভাবে পান তিনি এতো টাকা। কার সাথে এক দেশ থেকে আরেক দেশে ছুটে যান, এমন প্রশ্ন দেখা যায় ভক্তদের মাঝে।
মারিয়া মিম প্রায়ই বিভিন্ন পার্টিতে গা দুলিয়ে দেন। যা ফুটে ওঠে তার ফেসবুক পেইজ এর বিভিন্ন রিল এবং ভিডিও ক্লিপে।
রাজধানীর বিভিন্ন অভিজাত এলাকা বিশেষ করে গুলশান, বারিধারা, বনানীর পার্টি বা ডিজে পার্টিতে দেখা যায় তাকে। আর্কষনীয় লুক ফুটে ওঠে তার প্রত্যেক ছবিতে।
বিভিন্ন দেশে গিয়ে একের পর এক ছবি শেয়ার করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। খোলামেলা পোশাকের জন্য সমালোচিত হন তিনি।
ব্যাংককের একটি হোটেলে পুলের পাশে হালকা পিঙ্ক কালারের পোশাকে আবেদনময়ী লুকে দাড়িয়ে থাকতে দেখা যায় তাকে। ঘুড়ে বেড়ান সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন পার্কে।
মারিয়া মিম চড়েছেন সুইজারল্যান্ডের বিলাসবহুল ট্রেনে। তারই ভিডিও শেয়ার করেছেন ভক্তদের মাঝে। ইতালির ভেনিসে গিয়ে বোটের উপরও পোজ দিতে দেখা গেছে তাকে। তার শেয়ার করা ছবিতে ফুটে উঠেছে ইতালির বিভিন্ন স্থাপনা।
গিয়েছেন মালয়েশিয়ার টুইন টাওয়ারের সামনেও। থেকেছেন বিভিন্ন আভিজাত হোটেলে। উড়ে বেড়িয়েছেন আমিরাতের A380 বিমানে।
ফ্রান্সের আইফেল টাওয়ারের সামনে স্লিভলেস সবুজ টপস্ এ আকর্ষনীয় ভঙ্গিমায় পোজ দিতে দেখা গেছে তাকে।
কিন্তু এতো কিছুর মাঝেও চলে আসে অতীত। ২০১২ সালের ২৪ মে মারিয়া মিমকে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন সিদ্দিক। প্রায় ৮ বছর এক ছাদের নিচে কাটিয়েছেন তারা।
মারিয়া মিম বিয়ের আগে থেকেই মডেলিংয়ের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। তিনি চাইছিলেন নিয়মিত কাজ করতে।
তবে সিদ্দিক চাইছিলেন না তার স্ত্রী মিডিয়াতে কাজ
করুক। চাইছিলেন সংসার আর বাচ্চা দেখাশোনা করুক। কিন্তু মারিয়া মীম কোনো ভাবেই তার কথায় রাজি ছিলেন না।
তখন মিমও সংবাদ মাধ্যমে একই কথা জানান দেন। তিনি বলেছিলেন, "সিদ্দিক চায় না মিডিয়াতে আমি ক্যারিয়ার গড়ি, প্রতিষ্ঠা পাই। সিদ্দিকের কারণে অনেকদিন কাজ থেকে দূরে ছিলাম।
সিদ্দিক আমার প্রতিটা কাজে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আমাকে কোনো কাজ করতে দেয় না। আমি যেখানেই কাজ করতে যাই, সেটা জানার পর সেখানে সে না করে দেয়। "
সিদ্দিক চাচ্ছিলেন না তার বাচ্চা বুয়ার কাছে বড় হোক, সিদ্ধান্তে ছিলেন অনড়।
কিন্তু এক পর্যায়ে মিম বাসা থেকে রাগ করে চলে যান তার ভাইয়ের বাসায়। জানান ডিভোর্স দেয়ার কথা।
তবুও মিডিয়ায় কাজ করার ব্যাপারে রাজি ছিলেন না সিদ্দিক।
সেসময় তিনি বলেন, "সে যদি আমাকে ডিভোর্স দেয় তবে তার ব্যাপার। ডিভোর্স দিয়ে কাজ করুক। তার আগে কোনোভাবেই কাজ করতে পারবে না। তবে আমি চাই, তার সঙ্গে সংসার করতে। কিন্তু মিডিয়াতে কাজ করতে পারবে না।"
এদিকে মীম সিদ্দিকের বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগও তুলেন। ২০১৯ সালে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
তারপর থেকে ছেলেকে নিয়ে আলাদা থাকছেন মিম।
বেশ কিছু বিজ্ঞাপন, ধারাবাহিক ও খণ্ড নাটকে ইতোমধ্যে অভিনয় করেছেন তিনি। একটু একটু করে নিজেকে প্রস্তুত করছেন চলচ্চিত্রের জন্য।
তার ফেইসবুক পেইজ পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, কোবিড পরবর্তী সময় থেকে তার বিদেশ যাওয়ার মাত্রা বেড়ে গেছে। নিয়মিত আকর্ষনীয় লুকে ধরা দিচ্ছেন এই মডেল।
জনপ্রিয়
বিনোদন থেকে আরও পড়ুন
১৪ বোতল অবৈধ মদসহ আটক অভিনেত্রী মেহজাবীন, আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই মুক্তি
রাজধানীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর–এ বিদেশ থেকে ফেরার সময় ১৪ বোতল অ্যালকোহলসহ আটক হন দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তবে আইন অনুযায়ী মামলা হওয়ার বিধান থাকলেও রহস্যজনকভাবে মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ডিভোর্স হয়নি, দাবি বুবলীর- শাকিব খানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা
ফের মাতৃত্বের গুঞ্জন, তার আগেই বিচ্ছেদের আলোচনা ব্যক্তিজীবন নিয়ে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে ঢালিউড অভিনেত্রী শবনম বুবলী। প্রশ্ন উঠেছে, যদি বিচ্ছেদ হয়ে থাকে, তবে নতুন করে মাতৃত্বের গুঞ্জন কেন? আর যদি না হয়ে থাকে, তবে সম্পর্কের বর্তমান অবস্থান কী?
.jpg)
হঠাৎই খালি পায়ে কেন সালমান মুক্তাদির ও দিশা ইসলাম?
বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের বিশেষ আয়োজন ‘ভালোবাসার আড্ডা ইন নাম্বার ওয়ান স্টাইল’-এ হঠাৎই খালি পায়ে হাজির হয়ে কৌতূহলের ঝড় তুলেছেন সালমান মুক্তাদির ও দিশা ইসলাম। তাদের এই অপ্রত্যাশিত উপস্থিতি মুহূর্তেই দর্শক ও সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।

বিয়ের গুঞ্জনে নীরবতা ভাঙলেন মৌসুমী
সন্তানদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী। সম্প্রতি গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে—অভিনয়শিল্পী ও পরিচালক হাসান জাহাঙ্গীরকে তিনি বিয়ে করেছেন। যদিও হাসান জাহাঙ্গীর বিষয়টিকে ‘মিথ্যা’ বলে দাবি করেন।
.jpg)
.jpg)
.jpg)

.webp)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)