আন্তর্জাতিক
বাহরাইনে ইসরায়েলি দূতাবাস লক্ষ্য করে হামলা, ইরানি ড্রোন ভূপাতিত

মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। ইরান বাহরাইনের রাজধানী মানামা–তে অবস্থিত একটি বাণিজ্যিক কমপ্লেক্স লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে দেশটির আধা সরকারি সংবাদমাধ্যম ফারস নিউজ এজেন্সি।
বৃহস্পতিবার রাতে চালানো ওই হামলার লক্ষ্য ছিল ‘ফাইন্যান্সিয়াল হারবার টাওয়ারস’ নামের একটি বাণিজ্যিক ভবন। ভবনটির ভেতরেই ইসরায়েল–এর দূতাবাস অবস্থিত বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দূতাবাসের উপস্থিতির কারণেই ভবনটিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
অন্যদিকে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, হামলার সময় ওই এলাকার আকাশে একটি ইরানি ড্রোন শনাক্ত করা হয়। পরে নিরাপত্তা বাহিনী সেটিকে ভূপাতিত করে।
তবে হামলায় কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে পুরো অঞ্চলে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ ধরনের হামলা আঞ্চলিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।
তথ্যসূত্র: আল–জাজিরা
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
আন্তর্জাতিক থেকে আরও পড়ুন
নিরাপত্তা শঙ্কায় ইরান থেকে কূটনীতিকদের প্রত্যাহার করছে আজারবাইজান
নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে ইরান থেকে নিজেদের কূটনীতিকদের ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আজারবাইজান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেইহুন বাইরামভ জানিয়েছেন, নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

যুদ্ধে প্রথম ১০০ ঘণ্টায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যয় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার
যুক্তরাষ্ট্র–এর ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের প্রথম ১০০ ঘণ্টায় ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩.৭ বিলিয়ন ডলার। গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই সময় গড়ে প্রতিদিন প্রায় ৮৯১.৪ মিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে।

পূর্বের বক্তব্য থেকে সরে ইরানে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ইঙ্গিত দিলেন ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সামরিক অভিযানের সময়সীমা নিয়ে নিজের আগের অবস্থান থেকে সরে এসে দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধের ইঙ্গিত দিয়েছেন। শুরুতে অভিযান দ্রুত শেষ করার কথা বললেও এখন তিনি জানিয়েছেন, লক্ষ্য পূরণ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধ চলবে।

মার্কিন স্থলবাহিনীর জন্য আমরা অপেক্ষা করছি: আরাঘচি
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য স্থল অভিযানের গুঞ্জনের মধ্যে কঠোর বার্তা দিয়েছেন সৈয়দ আব্বাস আরাঘচি। তিনি বলেছেন, সম্ভাব্য মার্কিন স্থলবাহিনীর জন্য ইরান প্রস্তুত রয়েছে এবং এমন কোনো অভিযানে ওয়াশিংটনকে কঠিন পরিণতির মুখোমুখি হতে হবে।


.jpg)






