জাতীয়
দক্ষিণে রাত ৮টার পর দোকানপাট বন্ধ থাকবে: তাপস
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের দয়িত্ব গ্রহণের দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। এ উপলক্ষে সিটি করপোরেশনের নানা অর্জন তুলে ধরে সোমবার (১৬ মে) নগর ভবনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন মেয়র। এতে তিনি বিগত দুই বছরে ডিএসসিসির নানা অর্জন ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি বেশ কিছু সিদ্ধান্তের কথাও জানান।
এ সময় যানজট নিয়ন্ত্রণে রাত ৮টার পর দোকানপাট বন্ধ রাখার উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান মেয়র তাপস। তিনি বলেন, রাত রাত ৮টার পর দোকানপাট বন্ধ রাখলে শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণে আসবে। এছাড়া এটি করলে মানুষ দ্রুত বাড়ি ফিরে যেতে পারবে, পরিবারকে বেশি বেশি সময় দিতে পারবে। এতে পারিবারিক বন্ধন দৃঢ় হবে। তাই আমরা দ্রুতই রাত ৮ টার পর দোকান বন্ধের বিষয়ে উদ্যোগ নেব।
কেউ নিবন্ধন ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করতে পারবে না জানিয়ে দক্ষিণের মেয়র বলেন, সবাইকে বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমোদন নিতে হবে। দক্ষিণে যত বাজার আছে সেগুলোকেও একটি নীতিমালার মাধ্যমে দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় আনা হবে। কয়টা বাজার বসবে, এগুলো কিভাবে পরিচালিত হবে এগুলো আমরাই নির্ধারণ করে বাজারগুলোকে নিবন্ধন দেব।
এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে সফলতার আশা:
সংবাদ সম্মেলনে তাপস বলেন, আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম ও ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন এনেছি। শুরু করা হয়েছে বছরব্যাপী সমন্বিত মশক নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম। নতুন এই কার্যক্রমের আওতায় পর্যাপ্ত লোকবল নিয়োগ, মানসম্পন্ন কীটনাশক ও প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি ক্রয় ও মাঠ পর্যায়ে সরবরাহ করা হচ্ছে। এ বছর জুনের মাঝামাঝি সময় থেকে আমরা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি এবং তা বাস্তবায়নে ১০ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট পদায়ন করতে মন্ত্রণালয়ে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। গতবারের চাইতে এবার আরও বেশি সফলতার সাথে এডিস মশা নিয়ন্ত্রণ করতে পারব বলে আমরা দৃঢ় প্রত্যয়ী ও আশাবাদী। তবে সেজন্য অবশ্যই ঢাকাবাসীকে সচেতন হতে হবে। বাড়ির আঙ্গিনা ও আশপাশ, বাড়ির অভ্যন্তরে যাতে এডিস মশকের প্রজননস্থল সৃষ্টি না হয় এবং ছাদবাগানগুলো যেন অপরিচর্যিত না থাকে সে বিষয়ে আমি ঢাকাবাসীর সচেতনতা ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করছি।
বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় মাস্টারপ্ল্যান:
দক্ষিণের মেয়র বলেন, আমি দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর যে ক’টি বিষয়ে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করেছি তার মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা অন্যতম। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আধুনিকায়নের লক্ষ্যে আমরা জাইকা প্রণীত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা মাস্টারপ্লান অনুযায়ী ওয়ার্ডভিত্তিক কর্মকাণ্ডে (ward-based approach) গুরুত্ব প্রদান করেছি এবং সে অনুযায়ী আমাদের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে আধুনিকায়নের লক্ষ্যে বর্জ্য সংগ্রহ ও তা সরাসরি কেন্দ্রীয় ভাগাড়ে নিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে আমরা ৩০টি কম্পেক্টর ভেহিক্যাল ক্রয় করছি। নিজস্ব অর্থায়নে প্রায় ৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে আহবান করা আন্তর্জাতিক দরপত্রের মূল্যায়ন কার্যক্রম বর্তমানে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। বর্জ্য সংগ্রহের পরিমাণ ও পরিবহন সক্ষমতা বাড়াতে আরও শতাধিক কম্পেক্টর ভেহিক্যাল ক্রয় করতে আমরা নতুন আরেকটি প্রকল্প গ্রহণ করছি। অধিকতর কার্যকরভাবে খাল হতে বর্জ্য সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করতে লং বুম, শর্ট বুমসহ বিভিন্ন আকারের প্রয়োজনীয় যান-যন্ত্রপাতি ক্রয় করাও আমাদের সক্রিয় পরিকল্পনায় রয়েছে। বর্তমানে খাল হতে বর্জ্য ও পলি উত্তোলনের পর তা খালের পাড়ে বা নির্দিষ্ট জায়গায় সংরক্ষণ করে রাখা হয়। আগামীদিনে সেসব বর্জ্য ও পলি উত্তোলনের পর উত্তোলনকৃত স্থানেই তা শ্রেণীবিভক্ত করে উত্তোলিত বর্জ্য সরাসরি কেন্দ্রীয় ভাগাড়ে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, আমাদের মাতুয়াইল কেন্দ্রীয় ভাগাড়ে নব অধিগ্রহণকৃত জায়গার মধ্য হতে ৩১ একর জায়গায় ইন্টারমিডিয়েট ট্রিটমেন্ট ফেসিলিটি সৃষ্টির পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়াও মেডিকেল বর্জ্য সংগ্রহের অধিক্ষেত্র বাড়াতে আমরা অঞ্চলভিত্তিক মেডিক্যাল বর্জ্য সংগ্রহকারী নিবন্ধনে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি। শীঘ্রই আমরা ২টি অঞ্চলে (১ ও ৪ নম্বর অঞ্চলে) মেডিক্যাল বর্জ্য সংগ্রহকারী নিবন্ধিত করব। গৃহস্থালি বর্জ্য সংগ্রহ করতে ৭৫টি ওয়ার্ডেই যেভাবে প্রাথমিক বর্জ্য সেবা সংগ্রহকারী নিবন্ধন কার্যক্রমে সফলতা পেয়েছি একইভাবে আগামীদিনে মেডিক্যাল বর্জ্য সংগ্রহ সেবায়ও আমরা ঢাকাবাসীকে সুফল দিতে পারব বলে আশাবাদী। সার্বিকভাবে বলা যায়, ২০২৩ সালের মধ্যে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবো বলে আমরা আশাবাদী।
জলাবদ্ধতা নিরসনে যত কার্যক্রম:
মেয়র বলেন, জলাবদ্ধতা নিরসন আমাদের জন্য অন্যতম এক বড় প্রতিবন্ধকতা। আমরা ২০২০ সালের ৩১ ডিসেম্বর ওয়াসার কাছ হতে ১১টি মৃত প্রায় খাল, ২টি অচল পাম্প স্টেশন এবং জমাটবদ্ধ ময়লায় আবদ্ধ ৫টি অচল বক্স কালভার্টের দায়িত্ব গ্রহণ করি। ইতোমধ্যে আমরা পাম্প হাউজ দুটিকে আংশিকভাবে চালু করতে সমর্থ হয়েছি এবং সেগুলো পুরোপুরিভাবে চালু করার লক্ষ্যে আমাদের উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। ২০২২ সালের এ পর্যন্ত ৩৭ কি.মি. এর অধিক দৈর্ঘ্যসম্পন্ন ১১টি খাল থেকে আমরা ৪ লক্ষ্য ৪৪ হাজার টন বর্জ্য ও পলি অপসারণ করেছি। জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয় এরকম ১২৫টি স্পট চিহ্নিত করে সেসব স্থানে আমরা নিজস্ব অর্থায়নে অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। স্বল্প মেয়াদী কার্যক্রমের অংশ হিসেবে প্রায় ১৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে এসব অবকাঠামো নির্মাণ কাজের প্রায় ৯০ শতাংশ সমাপ্ত হয়েছে। আগামী জুন মাসের মধ্যে এ ধরনের সকল অবকাঠামো নির্মাণ শেষ হবে বলে আশাবাদী। পাশাপাশি এ বছর নতুন আরও ১১টি স্থান/ স্পট চিহ্নিত করা হয়েছে। সেসব স্থানেও অবকাঠামো নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। এছাড়াও, ঢাকা মহানগরীর জন্য সমন্বিত মহাপরিকল্পনার আওতায় আমরা দীর্ঘ মেয়াদে জলাবদ্ধতা দূরীকরণে উদ্যোগ গ্রহণ করব।
অনিবন্ধিত যান চলবে না সড়কে:
ফজলে নূর তাপস বলেন, যানজট নিরসনে সরকারের বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা সাথে সমন্বয় রেখে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনও বৃহৎ কর্মযজ্ঞ এবং ভবিষ্যৎ কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করে চলেছে। এর মধ্যে অন্যতম- বিদ্যমান সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন, নৌ-পথে সম্ভাব্য যাত্রাপথে যান চলাচলের ব্যবস্থা, নতুন ১৮টি ওয়ার্ডসহ দক্ষিণ সিটির অন্যান্য ওয়ার্ড ঘিরে সড়ক অন্তর্জাল সৃষ্টি, ঢাকা শহরের উপর যানবাহনের চাপ কমানো, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং গণপরিবহনের শৃঙ্খলা আনয়নের লক্ষ্যে বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রম বাস্তবায়ন ইত্যাদি। দক্ষিণ এলাকায় রিক্সা, ভ্যান, ঘোড়ার গাড়ি, গরুর গাড়ি ও টালি গাড়ি ইত্যাদি ৭ লক্ষাধিক অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচল করে থাকে। আমরা সেসব অযান্ত্রিক যানবাহনকে শৃঙ্খলায় আনতে দীর্ঘ ৩৪ বছর পর নিবন্ধন ও নবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এই কার্যক্রমে ১ লাখ ৯০ হাজার ২১৭টি অযান্ত্রিক যানবাহনকে ইতোমধ্যে নিবন্ধন এবং সেগুলোর ডিজিটাল নাম্বার প্লেট প্রদান করা হয়েছে। আগামীদিনে নিবন্ধনবিহীন কোনও অযান্ত্রিক যানবাহন আমরা ঢাকা শহরে চলতে দেব না।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা শহরের গণপরিবহনে শৃঙ্খলা আনতে আমরা পরীক্ষামূলকভাবে বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রম চালু করতে সমর্থ হয়েছি। ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে ঘাটারচর থেকে কাঁচপুর যাত্রাপথে পরীক্ষামূলকভাবে বহু আকাঙ্ক্ষিত 'ঢাকা নগর পরিবহন' যাত্রা শুরু করে। ঢাকা নগর পরিবহন ইতোমধ্যে জনগণের প্রত্যাশা ধারণ করতে পেরেছে বলেই জনসাধারণের মাঝে তা সমাদৃত হয়েছে। আরও ৩টি নতুন যাত্রাপথে ঢাকা নগর পরিবহন চালু করার লক্ষ্যে আমাদের কার্যক্রম পুরোদমে এগিয়ে চলেছে।
৪টি নতুন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ:
দক্ষিণের মেয়র জানান, ঢাকা শহরে আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল থাকলেও শহরের মধ্যে চলাচল করা বাসগুলোর জন্য কোন টার্মিনাল নেই। আমরা বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যক্রমের আওতায় শহরের কোল ঘেঁষে ৪টি স্থানে ৪টি নতুন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। এর মধ্যে কামরাঙ্গীরচরের তেঘরিয়া ও কাঁচপুরে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন দুটি নতুন আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল নির্মাণ করবে। সেসব স্থানে জমি অধিগ্রহণসহ অন্যান্য কার্যক্রম শীঘ্রই শুরু করতে পারব বলে আমরা আশাবাদী। আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালগুলোর নির্মাণ সম্পন্ন হলে ঢাকার বাইরের বাসগুলোকে আর ঢাকা শহরের মধ্যে ঢুকতে দেওয়া হবে না।
তিনি বলেন, ঢাকা শহরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পার্কিং সুবিধা নেই। ফলে আমাদের মূল সড়কে যত্রতত্র যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক যানবাহনগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা হয়। সেই সমস্যা সমাধানে আমরা সকল যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক যানবাহনের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে পর্যাপ্ত পরিমাণে নির্ধারিত স্থান চিহ্নিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। চিহ্নিত সুনির্দিষ্ট স্থানেই যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক পরিবহনগুলোকে অবস্থান করতে হবে এবং যাত্রী ওঠা-নামা করাতে পারবে। নির্ধারিত স্থান ব্যতীত অন্য কোনও স্থানে কোনও ধরনের যান্ত্রিক- অযান্ত্রিক যানবাহন দাঁড়াতে কিংবা পার্ক করতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনীয়তা ও যথাযোগ্যতা বিবেচনা করে নতুন ১৮টি ওয়ার্ডের খাল ও নদীর পাড় ঘিরে চার লেন পর্যন্ত প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করা এবং ভিন্ন ভিন্ন গতির বিভিন্ন ধরনের যান্ত্রিক ও অযান্ত্রিক যানবাহনের জন্য আলাদা আলাদা লেন করার কর্মপরিকল্পনা আমাদের রয়েছে।
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
জাতীয় থেকে আরও পড়ুন
শপথের প্রয়োজন নেই, ‘হ্যাঁ’ অটোমেটিক কার্যকর হবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি
পানি সম্পদ মন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, সংসদ নির্বাচন ও শপথ সম্পন্ন হয়েছে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় এ বিষয়ে আলাদা কোনো শপথের প্রয়োজন নেই; এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে কার্যকর হবে।

মহান শহীদ দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে জনস্রোত
ভোরের আলো ফুটতেই রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ ফুলে ফুলে ভরে ওঠে। মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ভাষা শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাতে মানুষের ঢল নামে সেখানে।

তেজগাঁও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রথম কর্মদিবস তারেক রহমানের
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রথমবারের মতো রাজধানীর তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করেছেন। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে তিনি কার্যালয়ে পৌঁছালে মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন তাকে স্বাগত জানান।

মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর বাণী
মহান শহিদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে জাতির উদ্দেশে বাণী প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি মাতৃভাষা বাংলাসহ বিশ্বের সকল ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
.jpg)
.jpg)
.jpg)


.webp)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)