জাতীয়
২৫শে শুরু কষ্ট দিয়ে আর শান্তির হাসি ১৬ তে
তুমি আসবে ব’লে, হে স্বাধীনতা,
শহরের বুকে জলপাইয়ের রঙের ট্যাঙ্ক এলো
দানবের মত চিৎকার করতে করতে
তুমি আসবে ব’লে, হে স্বাধীনতা,
বাস্তবিক জীবনে কবির বলে যাওয়া এই লাইনগুলোর কোন ব্যত্যয় ঘটেনি। আজকে গর্ব করে বলি আমি বাঙ্গালি। আমরা বাঙ্গালি। কিন্তু যারা দেশের জন্য জীবন দিয়েছেন তাদের জীবনটা কতটুকু দূর্বিষহ ছিল তা চিন্তা করলে গা শিউরে উঠবে এটাই স্বাভাবিক।
১৯৫২ সাল থেকে অত্যাচারের শুরু হলেও তা ভয়াল রূপ ধারণ করে ১৯৭১ সালে। বাঙ্গালিদের ইতিহাসে একটি কলঙ্কিত হত্যাযজ্ঞের দিন ২৫শে মার্চ । ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ দিবাগত রাতে পাক-হানাদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চ লাইট’-এর নামে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর নির্বিচারে চালায় বিশ্ব ইতিহাসের এক নৃশংসতম গণহত্যা। তাইতো এই দিনটি গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃত।
ঐ রাতে যখন সবাই ঘুমের প্রস্তুতি নিচ্ছিল, ঠিক তখন পশ্চিম পাকিস্থানী সেনারা জেনারেল টিক্কা খানের ‘আমি পূর্ব পাকিস্তানের মাটি চাই, মানুষ চাই না’ বাস্তবায়নে এক রাতেই বাংলার মানুষদের চিরতরে শেষ করে দিতে রক্তপিপাসু হায়েনার মত ঝাপিয়ে পড়ে।
রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হয় নরঘাতক পাকিস্তানি মিলিটারি জান্তা। কিছু মুহূর্তের মাঝেই তারা ছড়িয়ে পড়ে গোটা শহরে। আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে গর্জে উঠে তাদের অত্যাধুনিক রাইফেল, মেশিনগান ও মর্টার। নিরীহ-নিরস্ত্র মানুষের আর্তনাদে ভারী হয় রাতের বাতাস। হকচকিত বাঙালি কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঢলে পড়ে মৃত্যুর কোলে। রাত শেষ হতে না হতেই ঢাকা পরিণত হয় লাশের শহরে।
রাজারবাগ পুলিশ লাইনস, পিলখানা ইপিআর সদর দপ্তর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, নীলক্ষেতসহ বিভিন্ন স্থানে নির্বিচারে হত্যা করে সেই মৃতদেহগুলো নির্দয়ের মত ফেলে রাখে স্তুপ করে।
সেদিন পাক-হানাদারদের হাত থেকে রেহাই পায়নি সাংস্কৃতিক, গণমাধ্যম জগতের লোকরাও। জাতীয় প্রেসক্লাব রূপান্তরিত হয় এক ধ্বংসস্তুপে। বেছে বেছে হত্যা করা হয় বিজ্ঞানী, গবেষক, চিকিৎসক, শিক্ষক,রাজনীতিবিদসহ দেশের বেশীরভাগ মেধাবীদের।
এরপর বাঙ্গালির রাখাল রাজা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের স্বাধীনতার ডাকে সাঁরা দিয়ে আপামর বাঙ্গালি ঝাপিয়ে পড়ে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াইয়ে। ২৬ মার্চ থেকে শুরু হয় সে যুদ্ধ। দীর্ঘ নয় পর ৭১ এর ১৬ই ডিসেম্বর বাঙ্গালিরা ছিনিয়ে আনে স্বাধীন লাল সবুজের পতাকা।
জনপ্রিয়
সর্বশেষ
জাতীয় থেকে আরও পড়ুন
‘যে যত ট্রলই করেন না কেন, সঠিক দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করতে পারবেন না’: শিক্ষামন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, তাঁকে নিয়ে যত ট্রল বা অপপ্রচারই হোক না কেন, সরকার শিক্ষার মানোন্নয়নের দায়িত্ব থেকে সরে আসবে না। তিনি বলেন, ‘আমাকে নিয়ে যারা ট্রল করল, তারা কেউ পরীক্ষার্থী না। সিটি কলেজ, আইডিয়াল কলেজ, ভিকারুননিসার মতো প্রতিষ্ঠানের কাউকে দেখিনি আন্দোলন করতে। এইভাবে আন্দোলন করে মিসগাইডেড করে কী একটা হ্যাভক (বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি) সৃষ্টি করা হলো। স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা এসেছি, এই জাতিকে সুশিক্ষিত করার দায়িত্ব পেয়েছি। যে যত ট্রলই করেন না কেন, যে যত অপবাদই দেন না কেন, সঠিক দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করতে পারবেন না।’

চীনের সঙ্গে ভূরাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে: মির্জা ফখরুল
চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চায় বিএনপি। এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

জাতি ‘অর্ধকানা’ হলে আমাদের ভবিষ্যৎ ভালো হবে না: শিক্ষামন্ত্রী
জাতি ‘অর্ধকানা’ হয়ে গেলে দেশের ভবিষ্যৎ ভালো হবে না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন।

ডিউটি শেষে ঘুম, সকালে মিলল পুলিশ কর্মকর্তার লাশ
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া থানার ব্যারাকের নিজ কক্ষ থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) আজিজুল হকের (৫০) লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

.jpg)







