জাতীয়
সব সূচকেই এগিয়ে বাংলাদেশ, পিছিয়ে পাকিস্তান
বাংলাদেশিরাও অধিকার আদায়ে সংগ্রাম শুরু করে। অন্যদিকে চলে পাকিস্তানি নিপীড়ন। তবে, এই সংগ্রাম ও রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে পেরে উঠেনি পাকিস্তানি হানাদর বাহিনী। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পৃথিবীর বুকে জন্ম নেয় লাল-সবুজের ‘বাংলাদেশ’।
যুদ্ধ বিধ্বস্ত বাংলাদেশের চেয়ে পাকিস্তানের অর্থনীতি প্রতিটি সূচকে এগিয়ে ছিল তখন। তবে ৫২ বছরে সে অবস্থা বদলেছে। আর্থ-সামাজিক প্রায় বেশিরভাগ সূচকেই পাকিস্তানকে পেছনে ফেলেছে বাংলাদেশ। আর তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।
এই দেশ এখন বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল'। বিশ্ব নেতাদের কেউ কেউ বলছেন, বাংলাদেশ এখন দক্ষিণ এশিয়ার ‘তেজি ষাঁড়’। আবার কারো মতে, অফুরন্ত সম্ভাবনার এক দেশ। এমনকি পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানও বাংলাদেশের প্রশংসা করেছেন।
এবার সূচকের দিকে একটু নজর দেয়া যাক। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ছিল ১২০ মার্কিন ডলার, আর পাকিস্তানের ছিল ১৮০। বর্তমানে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এখন ২ হাজার ৭৬৫ ডলার। সেখানে পাকিস্তানের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৪৭১ ডলার।
২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট জাতীয় উৎপাদনের (জিডিপি) আকার ৪৬০ বিলিয়ন ডলার। পাকিস্তানের জিডিপির আকার ৩৪৮ বিলিয়ন ডলার।
রপ্তানিতেও এগিয়ে আছে বাংলাদেশ। ২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ৫ হাজার ৫৫৬ কোটি মার্কিন ডলার। সেখানে পাকিস্তানের রপ্তানি আয় ২ হাজার ৭৪০ কোটি ডলার। বিজয়ের পর ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৩৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার। বিপরীতে পাকিস্তানের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৭৬ কোটি ডলার।
বাংলাদেশের মুদ্রার মানও পাকিস্তানের চেয়ে অনেক বেশি, ১৯৭২ সালে যা বেশ কম ছিল। বর্তমানে ১ মার্কিন ডলারের সমান বাংলাদেশের ১১০ টাকা আর পাকিস্তানের ২৮৩ রুপি।
২০২৩ সালের ডিসেম্বরের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুত ১৯ বিলিয়ন ডলার, পাকিস্তানের ১২ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ পাকিস্তানের চেয়ে বাংলাদেশের রিজার্ভ বেশি রয়েছে। এখন বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির হার সাড়ে ১২ শতাংশ, একই সময় পাকিস্তানের মূল্যস্ফীতির হার ২৯ শতাংশ।
যুক্তরাজ্যের অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ইকোনমিক অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চের দেয়া পূর্ভাবাস বলছে, ২০২০ সালের সূচক অনুযায়ী এখন বিশ্বের ৪১তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উন্নয়নই বলে দিচ্ছে দেশটি বৃহৎ অর্থনীতির দেশের দিকে ধাপে ধাপে এগিয়ে যাচ্ছে। ২০৩৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্বের ২৫তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হবে।
জনপ্রিয়
জাতীয় থেকে আরও পড়ুন
শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ছে, ৪৩টি ক্ষেত্র চিহ্নিত করে বাস্তবায়ন করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাকে জাতির শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচনা করে এবং একটি গুণগত, জীবনমুখী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানিয়েছেন।

৫ বছর টিকাদান ক্যাম্পেইন না হওয়ায় হামের ঝুঁকি বেড়েছে: সংসদে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি ও টিকার সংকটের জন্য পূর্ববর্তী সরকারের নীতিগত ব্যর্থতাকে দায়ী করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি জানিয়েছেন, গত সাড়ে পাঁচ বছর হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন না হওয়ায় বিপুলসংখ্যক শিশু টিকার বাইরে থেকে গেছে, যার ফলেই বর্তমানে সংক্রমণ বেড়েছে।

হামের টিকা বিতর্কে ড. ইউনূসসহ ২৪ উপদেষ্টার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আইনি নোটিশ
দেশে হামের প্রাদুর্ভাব এবং টিকাদান কর্মসূচি ঘিরে বিতর্কের মধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূসসহ ২৪ জন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

দোকানপাট ও শপিং মল খোলা রাখার নতুন সময় জানালেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী
দেশের সব দোকানপাট ও শপিং মল খোলা রাখার সময় এক ঘণ্টা বাড়িয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে সন্ধ্যা ৬টার পরিবর্তে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ব্যবসা পরিচালনা করা যাবে। রোববার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

.jpg)
.jpg)





