
দূরবীন ডেস্ক


রাষ্ট্র পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন সংসদ সদস্য (এমপি) ও মন্ত্রীরা। কিন্তু তাদের চলাফেরা, সরকারি গাড়ি কিংবা সরকারি বাসভবন দেখে সাধারণ মানুষের মনে প্রায়ই একটি প্রশ্ন জাগে রাষ্ট্র থেকে তারা আসলে কত টাকা বেতন ও সুযোগ-সুবিধা পান?
বাংলাদেশে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের বেতন-ভাতা ও অন্যান্য সুযোগ–সুবিধা নির্ধারিত রয়েছে ‘দ্য মিনিস্টার্স, মিনিস্টার্স অব স্টেট অ্যান্ড ডেপুটি মিনিস্টার্স (রিমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) অ্যাক্ট’ অনুযায়ী। এই আইনের আওতায় তাদের মাসিক বেতন, চিকিৎসা, ভ্রমণ, পরিবহন ও আবাসনসহ বিভিন্ন খাতে রাষ্ট্রীয় ব্যয়ের কাঠামো নির্ধারণ করা হয়েছে।
সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী একজন মন্ত্রীর মাসিক বেতন ১ লাখ ৫ হাজার টাকা। প্রতিমন্ত্রী পান ৯২ হাজার টাকা, উপমন্ত্রী ৮৬ হাজার ৫০০ টাকা এবং একজন সংসদ সদস্যের মাসিক বেতন ৫৫ হাজার টাকা।
বেতনের বাইরে মন্ত্রিসভার সদস্যরা অসুস্থ হলে তাদের চিকিৎসা-সংক্রান্ত সম্পূর্ণ ব্যয় সরকার বহন করে। সরকারি কাজে বিদেশ সফরের সময় মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা দৈনিক ৫০০ থেকে ৭০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভ্রমণভাতা পেয়ে থাকেন।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা সরকারি খরচে একটি করে গাড়ি ব্যবহার করার সুযোগ পান। অন্যদিকে সংসদ সদস্যরা শুল্কমুক্ত গাড়ি আমদানির সুবিধা পেয়ে থাকেন।
জ্বালানি বাবদ মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা দৈনিক ১৮ লিটার তেলের সমপরিমাণ অর্থ পান। এছাড়া পরিবহন ভাতা হিসেবে মাসে ৭০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী এলাকায় যাতায়াতের জন্য মাসে ১২ হাজার ৫০০ টাকা নির্ধারিত রয়েছে।
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা সাধারণত সরকারি বাসভবন পান। এসব বাসার বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও টেলিফোনের খরচও সরকার বহন করে। কেউ সরকারি বাসায় না থাকলে মন্ত্রী মাসে ৮০ হাজার টাকা এবং প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা ৭০ হাজার টাকা করে বাড়িভাড়া পান।
এ ছাড়া সরকারি বাসভবনের সাজসজ্জার জন্য মন্ত্রী বছরে ৫ লাখ টাকা এবং প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীরা ৪ লাখ টাকা করে পান।
সংসদ সদস্যদের ক্ষেত্রে আবাসনের জন্য সরকারের কাছ থেকে প্লট বরাদ্দ পাওয়ার সুযোগ রয়েছে। মন্ত্রিসভার সদস্য ও সংসদ সদস্যদের জন্য আরও কিছু নিয়মিত ভাতা নির্ধারিত রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে- সম্মানী ভাতা: মাসে ৫ হাজার টাকা, টেলিফোন ভাতা: ৭ হাজার ৮০০ টাকা, লন্ড্রি ভাতা: ১ হাজার ৫০০ টাকা, ক্রোকারিজ ও টয়লেট্রিজ খরচ: মাসে ৬ হাজার টাকা, নির্বাচনী এলাকার অফিস খরচ (এমপি): মাসে ১৫ হাজার টাকা।
এ ছাড়া আপ্যায়ন ভাতা হিসেবে মন্ত্রী মাসে ১০ হাজার টাকা, প্রতিমন্ত্রী ৭ হাজার ৫০০ টাকা এবং উপমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা ৫ হাজার টাকা করে পান।
নিজ নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য মন্ত্রী বছরে ১০ লাখ টাকা, প্রতিমন্ত্রী সাড়ে ৭ লাখ টাকা, উপমন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা ৫ লাখ টাকা করে পান। পাশাপাশি স্বেচ্ছাধীন তহবিল হিসেবে বছরে আরও ৫ লাখ টাকা বরাদ্দ রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এসব বেতন ও সুবিধা রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনের ব্যয় নির্বাহের জন্য নির্ধারিত হলেও, এগুলো জনগণের করের অর্থ থেকেই আসে। তাই এই ব্যয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি।
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’, যার আয়োজন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রজেক্ট (ALP) এবং জিআইজেড-এর Advantage প্রজেক্ট-এর আওতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সুযোগ উন্মোচনের পাশাপাশি নিয়োগদাতা ও চাকরিপ্রত্যাশীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসে।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।