ভোলায় বিএনপির একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে ককটেল বিস্ফোরণ ও বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) কার্যালয়ে ভাঙচুরের ঘটনায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটনায় ভোলা শহরজুড়ে সাময়িক আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ভোলা শহরের নতুন বাজার এলাকায় এ সহিংস ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভোলা-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম নবী আলমগীর মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। একই আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থও মনোনয়ন জমা দেন। পার্থকে জোটের প্রার্থী করা হয়েছে এমন গুঞ্জনের প্রতিবাদে সোমবার বিকেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
মিছিলটি শহরের সদর রোড প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে ঘুরে নতুন বাজার এলাকায় অবস্থিত জেলা বিজেপি কার্যালয়ের সামনে পৌঁছালে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ সময় বিক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা কার্যালয়ে ভাঙচুর চালায় এবং কয়েকটি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটে। তবে ঘটনার সময় বিজেপি কার্যালয়টি তালাবদ্ধ ছিল বলে জানা গেছে।
খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষ এড়াতে পুলিশ টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে এলাকাটি নিরাপদ করে তোলে।
এ ঘটনায় বিজেপির নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, বিএনপির সমর্থকরাই এ হামলা ও ভাঙচুরে জড়িত। অন্যদিকে বিএনপির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম এবং সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আরিফুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।


.jpg)


.webp)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)
.jpg)