

বাংলাদেশের নির্বাচনী রাজনীতিতে বিরল এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। ভোটের ময়দানে দাঁড়ানো মানেই জয় এই অনন্য নজির গড়ে তিনি পাঁচটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে মোট ২৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন এবং প্রতিটিতেই বিজয়ী হয়েছেন। বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে তাঁর নামের পাশে আজও কোনো পরাজয়ের রেকর্ড নেই।
খালেদা জিয়া এমন এক নেতা, যিনি দল ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক ব্যক্তিগতভাবে কখনোই ভোটে হারেননি। ব্যালটের বাক্সে তাঁর নাম মানেই নিশ্চিত জয় এটি কেবল রাজনৈতিক প্রচারণা নয়, বরং ইতিহাসে প্রমাণিত বাস্তবতা।
স্বৈরশাসক এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়া একসঙ্গে পাঁচটি আসনে প্রার্থী হন বগুড়া–৭, ঢাকা–৫, ঢাকা–৯, ফেনী–১ ও চট্টগ্রাম–৮। প্রতিটি আসনেই তিনি বিপুল ভোটে জয়লাভ করেন। ওই নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করলে খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোর মধ্যে তিনি দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বিশেষ অবস্থান তৈরি করেন।
১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ফেনী–১ ও ২, বগুড়া–৭, সিরাজগঞ্জ–২ ও রাজশাহী–২ আসনে প্রার্থী হয়ে সব কটিতেই জয়ী হন। যদিও ওই নির্বাচন একতরফা হওয়ায় বিতর্ক তৈরি হয়, তবে সেই সংসদেই নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালুর বিল পাস হয়। শপথ নেওয়ার মাত্র ১১ দিনের মাথায় তিনি পদত্যাগ করেন এবং সংসদ ভেঙে দেওয়া হয়।
Related posts here
এরপর ১৯৯৬ সালের জুনে অনুষ্ঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করলেও খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত জয়যাত্রা থেমে থাকেনি। তিনি বগুড়া–৬, বগুড়া–৭, ফেনী–১, লক্ষ্মীপুর–২ ও চট্টগ্রাম–১—এই পাঁচটি আসনে প্রার্থী হয়ে আবারও শতভাগ সাফল্য অর্জন করেন।
২০০১ সালের ১ অক্টোবর অনুষ্ঠিত অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খালেদা জিয়া বগুড়া–৬, বগুড়া–৭, খুলনা–২, ফেনী–১ ও লক্ষ্মীপুর–২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। পাঁচটি আসনেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে তিনি তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন।
২০০৮ সালে নির্বাচন কমিশন একজন প্রার্থীর জন্য সর্বোচ্চ তিনটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সীমা নির্ধারণ করলে খালেদা জিয়া বগুড়া–৬, বগুড়া–৭ ও ফেনী–১ আসনে নির্বাচন করেন। তিনটি আসনেই তিনি জয়লাভ করেন। যদিও ওই নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারেনি, তবুও তাঁর ব্যক্তিগত নির্বাচনী রেকর্ডে কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন এক বিশ্লেষণে বলেন, খালেদা জিয়া ছিলেন ব্যতিক্রমী জনপ্রিয়তা ও দৃঢ় ব্যক্তিত্বের অধিকারী একজন রাজনৈতিক নেতা। তাঁর সংযত ভাষা, আপসহীন অবস্থান এবং আত্মমর্যাদাবোধ দল-মত নির্বিশেষে মানুষের আস্থা অর্জন করেছিল। ১৯৯১ সালের নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক হিসাব অন্যরকম হলেও, একটি টেলিভিশন ভাষণ পুরো দৃশ্যপট বদলে দেয়।
তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার ব্যক্তিত্ব, আচরণ ও বক্তব্য ভোটের রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে। সে কারণেই একাধিক আসনে দাঁড়িয়েও তিনি বারবার জনগণের রায়ে বিজয়ী হয়েছেন।
টানা ২৩ আসনে জয় এই ধারাবাহিক সাফল্য খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিণত করেছে এক অজেয় নির্বাচনী চরিত্রে, যাঁর নাম আজও পরাজয়ের কোনো ইতিহাস বহন করে না।
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’, যার আয়োজন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রজেক্ট (ALP) এবং জিআইজেড-এর Advantage প্রজেক্ট-এর আওতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সুযোগ উন্মোচনের পাশাপাশি নিয়োগদাতা ও চাকরিপ্রত্যাশীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসে।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।