রাজনীতি
জাতীয় সংসদ নির্বাচন: ভোলার চার আসনে ১ নারীসহ ৩১ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা
.webp)
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোলা জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ৩১ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। এর মধ্যে একজন নারী প্রার্থী রয়েছেন। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
জেলা নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, দাখিল হওয়া মনোনয়নপত্রগুলোর মধ্যে বিএনপি থেকে ৪ জন, জাতীয় পার্টি থেকে ৩ জন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি—বিজেপি থেকে ১ জন, জামায়াতে ইসলামী থেকে ৩ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে ৩ জন, আম জনতার দল থেকে ২ জন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি থেকে ১ জন, গণ অধিকার পরিষদ থেকে ২ জন, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশ থেকে ১ জন, খেলাফত মজলিস থেকে ১ জন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি থেকে ১ জন, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে ১ জন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে ১ জন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৬ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
ভোলা-১ (ভোলা সদর)
এই আসনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা হলেন— বিএনপির গোলাম নবি আলমগীর, জামায়াতে ইসলামীর মো. নজরুল ইসলাম, বিজেপির চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, জাতীয় পার্টির মো. আকবর হোসেন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. মিজানুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. ওবায়দুর রহমান, গণ অধিকার পরিষদের মো. আইনুর রহমান জুয়েল, ইসলামী ফ্রন্ট বাংলাদেশের মোহাম্মদ আশরাফ আলী এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রফিজুল হোসেন।
ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন–দৌলতখান)
এ আসনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন— বিএনপির মো. হাফিজ ইব্রাহিম, জামায়াতে ইসলামীর মো. ফজলুর করিম, জাতীয় পার্টির অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম রিটু, এলডিপির মোকফার উদ্দিন চৌধুরী, আম জনতার দলের মো. আলাউদ্দিন, খেলাফত মজলিসের মো. আবদুস সালাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. জাকির হোসেন খন্দকার, মহিবুল্লাহ খোকন ও তাসলিমা বেগম।
ভোলা-৩ (লালমোহন–তজুমুদ্দিন)
এই আসনে ৬ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। তারা হলেন— বিএনপির হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, জাতীয় পার্টির মো. কামাল উদ্দিন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মুহা. নাজিমুল হক, গণ অধিকার পরিষদের আবু তৈয়ব, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মেসলে উদ্দিন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী রহমত উল্লাহ।
ভোলা-৪ (চরফ্যাশন–মনপুরা)
এ আসনে ৭ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। তারা হলেন— বিএনপির মো. নুরুল ইসলাম নয়ন, জামায়াতে ইসলামীর মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল, জাতীয় পার্টির মো. মিজানুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবুল মোকাররম মো. কামাল উদ্দিন, আম জনতার দলের মো. জালাল উদ্দিন রুনী, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের আবুল কালাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রফিকুল ইসলাম।
ভোলা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ডা. শামীম রহমান জানান, নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময় অনুযায়ী মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও প্রতীক বরাদ্দের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরু হবে।
সম্পর্কিত
জনপ্রিয়
রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন
যুবদলের জরুরি সভায় সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের তর্কাতর্কি, বৈঠক পণ্ড
সদ্য ঘোষিত যুবদলের নির্বাহী কমিটিতে নিষ্ক্রিয় ও বিতর্কিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর তা নিয়ে আলোচনা করতে ডাকা জরুরি সভায় সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের মধ্যে তর্কাতর্কির ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে বৈঠকের পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠায় সভা স্থগিত করা হয়।

আওয়ামী লীগের সাবেক মন্ত্রী ফারুক খানের ঘনিষ্ঠ প্রকৌশলী আমিনুলকে পদোন্নতি দিল বেবিচক
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) প্রকৌশলী আমিনুল হাসিবকে সুপারিনটেনডেন্ট পদে পদোন্নতি দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের একটি অংশের মধ্যে সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

বিএসএফের ‘পুশ ইন’ তৎপরতা মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে: সাইফুল হক
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্টে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের ‘পুশ ইন’ তৎপরতার ফলে সীমান্ত এলাকায় মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক। তিনি দাবি করেছেন, শিশু ও নারীসহ কয়েকশ মানুষকে জোরপূর্বক বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঠেলে দিয়ে বিএসএফ চরম অমানবিক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে।

বিসিবি নির্বাচন নিয়ে এনসিপির অভিযোগ, ‘ক্রিকেটকে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হচ্ছে’
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং ক্রিকেট প্রশাসনকে দলীয় নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার অভিযোগ তুলেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার দাবি করেছেন, দেশের ক্রিকেটকে দুর্বল করে দেওয়ার একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়া চলছে, যেখানে দেশীয় রাজনৈতিক শক্তির পাশাপাশি বিদেশি প্রভাবও কাজ করছে।








