রাজনীতি


‘উইন্টার ইজ কামিং’: চট্টগ্রামে গেম অব থ্রোন্সের আদলে জামায়াত আমিরের ব্যানার, কে লাগাল—জানে না দল


খেলা ডেস্ক

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৭:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার

‘উইন্টার ইজ কামিং’: চট্টগ্রামে গেম অব থ্রোন্সের আদলে জামায়াত আমিরের ব্যানার, কে লাগাল—জানে না দল

ছবি: সংগৃহীত


জনপ্রিয় টিভি সিরিজ গেম অব থ্রোন্স-এর আদলে তৈরি করা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমানের ছবি সংবলিত একটি ব্যানার চট্টগ্রাম নগরীতে টানানো হয়েছে। ব্যানারগুলো নগরীর বড়পোল ও চকবাজার এলাকায় দেখা গেছে। বিষয়টি ঘিরে স্থানীয়ভাবে যেমন আলোচনা শুরু হয়েছে, তেমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও এটি ব্যাপক কৌতূহল ও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

 

ব্যানারগুলোতে শফিকুর রহমানকে তলোয়ার আকৃতির দাঁড়িপাল্লা হাতে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। ব্যানারের ওপরের অংশে বড় করে লেখা ‘উইন্টার ইজ কামিং’। নিচের অংশে লেখা রয়েছে ‘দাদু ফ্যান ক্লাব চট্টগ্রাম’। তবে এসব ব্যানারের সঙ্গে দলীয় বা সাংগঠনিক কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেছেন জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের নেতারা।

 

নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে দেশব্যাপী সফরে রয়েছেন জামায়াত আমির শফিকুর রহমান। সফরের ধারাবাহিকতায় আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজার হয়ে চট্টগ্রামে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাঁর। কক্সবাজারের মহেশখালী ও সদর, চট্টগ্রামের লোহাগাড়ার পদুয়া, সীতাকুণ্ড এবং চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠসহ মোট পাঁচটি জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

 

এই সফরকে কেন্দ্র করেই ব্যানারগুলো টানানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে ইসলামী ছাত্রশিবির চট্টগ্রাম মহানগর দক্ষিণ শাখার প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক জাহিদুল আলম জয় বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি ফ্যান পেজে এসব ছবি আগে থেকেই ঘুরছিল। সেখান থেকেই কেউ হয়তো উদ্যোগ নিয়ে ব্যানার ছাপিয়ে লাগিয়েছে। এর সঙ্গে সংগঠনের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি বলেন, ‘আমিরে জামায়াতের কিছু ভক্ত বা ফ্যান গ্রুপ আছে। তারা হয়তো নিজেদের আগ্রহ বা ক্রেইজ প্রকাশ করতে গিয়ে এমনটি করেছে। এর আলাদা কোনো রাজনৈতিক অর্থ আমি দেখি না।’

 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘দাদু ফ্যান ক্লাব’ লিখে খোঁজ করলে একাধিক পেজ ও গ্রুপ পাওয়া যায়। সেখানে শফিকুর রহমানকে ঘিরে এ ধরনের নানা গ্রাফিক্স ও ছবি শেয়ার হচ্ছে। কেউ এসব ছবি আগ্রহ নিয়ে ছড়াচ্ছেন, আবার কেউ সমালোচনাও করছেন।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি মোরশেদুল আলম চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। সাংগঠনিকভাবে এমন কোনো ব্যানার লাগানোর সিদ্ধান্ত হয়নি। তারপরও বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।’

 

উল্লেখ্য, গেম অব থ্রোন্স সিরিজে ‘উইন্টার ইজ কামিং’ সংলাপটি মূলত এক ধরনের সতর্কবার্তা হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যা সামনে আসন্ন সংকট ও বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। সেই জনপ্রিয় সংলাপ ও ভিজ্যুয়াল ধাঁচ ব্যবহার করে রাজনৈতিক ব্যানার তৈরি হওয়ায় এটি নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও আলোচনা আরও বেড়েছে।


সম্পর্কিত

জামায়াত ইসলামীজামায়াতগেম অব থ্রোন্সশফিকুর রহমান

জনপ্রিয়


রাজনীতি থেকে আরও পড়ুন

সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপি থেকে এগিয়ে যারা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠনের পর সংরক্ষিত নারী আসনকে ঘিরে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক তৎপরতা বেড়েছে। দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সাধারণ আসনে প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের ভাগে ৫০টির মধ্যে ৩৭টি সংরক্ষিত নারী আসন আসতে পারে। নির্বাচন কমিশন রমজান মাসের মধ্যেই এ নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে।

নির্বাচনের পর অন্তত ১৫ জেলায় খুলেছে আওয়ামী লীগ কার্যালয়, বাড়ছে রাজনৈতিক আলোচনা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর পরিবর্তিত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দেশের বিভিন্ন স্থানে আওয়ামী লীগের বন্ধ থাকা কার্যালয়গুলো পুনরায় খোলার উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ থাকা এসব কার্যালয় খুলে দিচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা। এ পর্যন্ত অন্তত ১৫টি জেলায় এমন ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।

পুরোনো স্বৈরাচার থেকে শিক্ষা না নিলে একই পরিণতি হবে: এনসিপি

টেলিভিশন সাংবাদিকদের শোকজ নোটিশ প্রদান এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)-এর এমডি মাহবুব মোর্শেদকে ঘিরে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। একই সঙ্গে পুরোনো স্বৈরাচারের পরিণতি থেকে শিক্ষা না নিলে নতুন স্বৈরাচারকেও একই পরিণতি বরণ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে দলটি।

খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা নিয়ে বিএনপিতেও ‘বিস্ময়’

সদ্য বিদায় নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ড. খলিলুর রহমানকে বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী করা হয়েছে। তার এ নিয়োগে খোদ বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যেই বিস্ময় ও অস্বস্তি দেখা দিয়েছে। বিরোধী দলও বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করেছে।