
নিজস্ব প্রতিবেদক
.jpg&w=3840&q=75)

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে একটি বিস্তৃত ও বহুমাত্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। তিনি বলেন, এই পরিকল্পনার একমাত্র লক্ষ্য হলো শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করা।
মঙ্গলবার রাজধানীর ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সেন্ট্রাল কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি তুলে ধরতেই এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।
আইজিপি জানান, এবারের নির্বাচনে পুলিশের মোট ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৩ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। পূর্ববর্তী নির্বাচনের অভিজ্ঞতা, বিভিন্ন অংশীজনের পরামর্শ এবং স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকে এই নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনী নিরাপত্তা তিন স্তরে পরিচালিত হবে। প্রথম স্তরে দেশের ৮৩ হাজার ৭৮৯টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতে স্ট্যাটিক ফোর্স মোতায়েন থাকবে, যাতে ভোট গ্রহণ সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হয়। দ্বিতীয় স্তরে থাকবে মোবাইল পুলিশ টিম, যারা নিয়মিত টহল ও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবে। তৃতীয় স্তরে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্ট্রাইকিং ফোর্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রযুক্তির ব্যবহারও বাড়ানো হয়েছে বলে জানান আইজিপি। তাঁর ভাষায়, নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের মাধ্যমে ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পুলিশ সদস্যরা বডি-ওয়ার্ন ক্যামেরা ব্যবহার করবেন। পাশাপাশি জেলা পুলিশ সুপারদের অধীন থাকা ড্রোন ক্যামেরাও প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করা হবে।
আইজিপি আরও জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বৈধ অস্ত্র জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ পর্যন্ত ২৭ হাজার ৯৯৫টি লাইসেন্সকৃত অস্ত্র থানায় জমা নেওয়া হয়েছে।
নির্বাচনী নিরাপত্তায় পুলিশের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও আনসার বাহিনীও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলে জানান তিনি। আইজিপি বলেন, নিরাপত্তায় নিয়োজিত সবচেয়ে বড় বাহিনী হচ্ছে আনসার, যার সদস্য সংখ্যা প্রায় ৬ লাখ।
রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাদের কার্যালয়ের মাধ্যমে সব বাহিনীর সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, ‘লক্ষ্য একটাই শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট গ্রহণ নিশ্চিত করা।’
সংবাদ সম্মেলনে তফসিল ঘোষণার পর সহিংসতার চিত্রও তুলে ধরেন আইজিপি। তিনি জানান, গত ১১ ডিসেম্বর থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে মোট ৩১৭টি সহিংস ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় ৬০৩ জন আহত এবং ৫ জন নিহত হয়েছেন। তিনি বলেন, প্রতিটি মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক এবং পুলিশের সর্বোচ্চ চেষ্টা থাকে যেন কোনো প্রাণহানি না ঘটে। সহিংসতা কমিয়ে আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’, যার আয়োজন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রজেক্ট (ALP) এবং জিআইজেড-এর Advantage প্রজেক্ট-এর আওতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সুযোগ উন্মোচনের পাশাপাশি নিয়োগদাতা ও চাকরিপ্রত্যাশীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসে।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।