পড়াশোনা
সিরাজগঞ্জে বই মেলার শেষ প্রহরে দর্শকদের উপচেপরা ভীড়
রেজাউল করিম সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা আয়োজনে পালিত হয়েছে অমর একুশে বই মেলা। প্রতি বছরের ন্যায় এবারেও চলছে জাকজমকপুর্ণ বই মেলা। গত ১৮ ফেব্রুয়ারি সলঙ্গা হাইস্কুল মাঠে নবজাগরন ক্লাবের আয়োজনে শুরু হয় এই বই মেলা। ৯ দিনব্যাপী "অমর একুশ বই মেলার" উদ্বোধন করেন, রায়গঞ্জ,তাড়াশ-সলঙ্গার মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা: আব্দুল আজিজ। সকাল ১০ টা হতে রাত ৮ টা পর্যন্ত চলে এই বই মেলা।
এবারের বইমেলায় ৩০টি স্টল স্থান পেয়েছে।
বাংলা উপন্যাস,কবিতার বই, ইসলামি বই,শিশু-কিশোরদের গল্প ও ছড়ার বই মেলায় স্থান পায়। আরও পাওয়া যায় ম্যাগাজিন,মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের বই,রাজনৈতিক বই,ইতিহাসের বই,খ্যাতিমান সাহিত্যিকদের বই।প্রতিদিন বিকেলে মেলামঞ্চে চলে শিক্ষার্থীদের কুইজ ও শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা।মেলার দর্শনার্থীদের আনন্দ বিনোদনের কমতি ছিল না। প্রতিদিন সন্ধ্যায় স্থানীয় ও আঞ্চলিক শিল্পীদের নিয়ে চলে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
মা-বাবার সাথে মেলায় এসে অনেক শিশু-কিশোররাই তাদের পছন্দের বই কিনেছে। অনেকেই আবার বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে দেখছে।বইয়ের স্টল ছাড়াও বিভিন্ন প্রসাধনী,কাপড়ের স্টল,রকমারি খাবার,মিস্টান্ন দই ঘর,কফি হাউস,হালিম, ফুচকার দোকান,রাজশাহীর কালাই রুটি,ফুলের দোকান,মৃৎ শিল্প,স্টেশনারি ও খেলনার দোকাগুলোতে ভীড় ছিল চোখে পড়ার মত।
আয়োজক কমিটি জানান,প্রতি বছরই এ মেলা চলবে বলে আমরা আশা করছি।মেলায় আগত শিশু-কিশোর ও ক্রেতা-দর্শনার্থীদের চিত্ত-বিনোদনের জন্য মেলা মাঠের দক্ষিন পার্শ্বে বিনোদন স্পটের ব্যবস্থা ছিল। শেষ সময়ে মেলায় যতই দর্শক-ক্রেতাদের সমাগম হচ্ছিল,বিনোদন স্পটে ততই ভীড় বাড়ছিল। মেলা কমিটির সভাপতি রিয়াদুল ইসলাম ফরিদ জানান, নবজাগরণের সদস্যরা মেলায় অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে নিরাপত্তা দিচ্ছেন।তাই মেলায় কোন প্রকার অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটার সুযোগ নাই। এবারের বই মেলায় পাঠক ও দর্শকদের আশানুরুপ সাড়া পেয়েছি।
এবারের বইমেলায় ৩০টি স্টল স্থান পেয়েছে।
বাংলা উপন্যাস,কবিতার বই, ইসলামি বই,শিশু-কিশোরদের গল্প ও ছড়ার বই মেলায় স্থান পায়। আরও পাওয়া যায় ম্যাগাজিন,মুক্তিযুদ্ধ ও ভাষা আন্দোলনের বই,রাজনৈতিক বই,ইতিহাসের বই,খ্যাতিমান সাহিত্যিকদের বই।প্রতিদিন বিকেলে মেলামঞ্চে চলে শিক্ষার্থীদের কুইজ ও শিশু-কিশোরদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগীতা।মেলার দর্শনার্থীদের আনন্দ বিনোদনের কমতি ছিল না। প্রতিদিন সন্ধ্যায় স্থানীয় ও আঞ্চলিক শিল্পীদের নিয়ে চলে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
মা-বাবার সাথে মেলায় এসে অনেক শিশু-কিশোররাই তাদের পছন্দের বই কিনেছে। অনেকেই আবার বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে দেখছে।বইয়ের স্টল ছাড়াও বিভিন্ন প্রসাধনী,কাপড়ের স্টল,রকমারি খাবার,মিস্টান্ন দই ঘর,কফি হাউস,হালিম, ফুচকার দোকান,রাজশাহীর কালাই রুটি,ফুলের দোকান,মৃৎ শিল্প,স্টেশনারি ও খেলনার দোকাগুলোতে ভীড় ছিল চোখে পড়ার মত।
আয়োজক কমিটি জানান,প্রতি বছরই এ মেলা চলবে বলে আমরা আশা করছি।মেলায় আগত শিশু-কিশোর ও ক্রেতা-দর্শনার্থীদের চিত্ত-বিনোদনের জন্য মেলা মাঠের দক্ষিন পার্শ্বে বিনোদন স্পটের ব্যবস্থা ছিল। শেষ সময়ে মেলায় যতই দর্শক-ক্রেতাদের সমাগম হচ্ছিল,বিনোদন স্পটে ততই ভীড় বাড়ছিল। মেলা কমিটির সভাপতি রিয়াদুল ইসলাম ফরিদ জানান, নবজাগরণের সদস্যরা মেলায় অতন্ত্র প্রহরী হিসেবে নিরাপত্তা দিচ্ছেন।তাই মেলায় কোন প্রকার অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটার সুযোগ নাই। এবারের বই মেলায় পাঠক ও দর্শকদের আশানুরুপ সাড়া পেয়েছি।
জনপ্রিয়
পড়াশোনা থেকে আরও পড়ুন
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জাকসু নির্বাচনের ভোট গণনায় ধীরগতি, রাতভর চলছে হাতে গণনা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনায় ধীরগতি দেখা দিয়েছে। ওএমআর মেশিনে আপত্তির কারণে চলছে হাতে গণনা, যা সময়সাপেক্ষ হয়ে পড়েছে।
রাবেয়া-আলী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার-২০২৪ এর চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা পর্ব অনুষ্ঠিত
রাবেয়া-আলী গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে স্টুডেন্ট অব দ্য ইয়ার-২০২৪ এর চূড়ান্ত প্রতিযোগিতা পর্ব অনুষ্ঠিত
এবারের অমর একুশে বইমেলা অধিবর্ষের বইমেলা
এবারের অমর একুশে বইমেলা অধিবর্ষের বইমেলা
দেশে চালু হতে যাচ্ছে জাপানী শিক্ষা পদ্ধতি 'কুমন', কেমন পদ্ধতি এটি?
নতুন এই শিক্ষা পদ্ধতি আসলে কি? এটি কিভাবে কাজ করে? দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় এটি কতটা পরিবর্তন আনতে পারে?
.jpg)
.jpg)


.webp)

.jpg)

