পঞ্চগড় সদর উপজেলায় গোলাম মোস্তফা (৩৫) নামের এক ব্যক্তির পুরুষাঙ্গ কাটার অভিযোগ উঠেছে তাঁর স্ত্রী সারমিন আক্তার সাথী (২৯)-এর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় পুলিশ সাথীকে আটক করেছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সদর উপজেলার চাকলাহাট ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত মোস্তফা ওই গ্রামের সুজাউল হকের ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক ও দিনমজুর।
বর্তমানে সারমিন আক্তার সাথী পঞ্চগড় সদর থানায় পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন। গুরুতর আহত মোস্তফাকে প্রথমে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার দিবাগত রাতে সেহরি খেয়ে বাড়ির সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। সকাল ৬টার দিকে মোস্তফা চিৎকার করে পরিবারের সদস্যদের ডাকতে শুরু করেন। পরিবারের সদস্যরা ঘর থেকে বের হয়ে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পান। তবে ঘটনার সুনির্দিষ্ট কারণ বা বিস্তারিত সম্পর্কে কেউ স্পষ্ট করে কিছু জানাতে পারেননি।
প্রায় ১২ বছর আগে মোস্তফা ও সাথীর বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।
পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘অভিযুক্ত নারীকে আটক করা হয়েছে। তবে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি কোনো কথা বলছেন না। ভুক্তভোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

.jpg)
.jpg)


.webp)




.jpg)

.jpg)
