.webp&w=3840&q=75)

বাংলাদেশে সরকারি সেবা নিতে গিয়ে সবচেয়ে বেশি ঘুষ দেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে নোয়াখালী ও কুমিল্লা জেলার মানুষের মধ্যে। একই সঙ্গে আয়ের ভিত্তিতে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে ধনী শ্রেণির মানুষেরাই বেশি ঘুষ দেওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ সিটিজেন পারসেপশন সার্ভে (সিপিএস) ২০২৫–এর চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।
বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিসংখ্যান ভবনে জরিপের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিবিএস। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব আলেয়া আক্তার। বিবিএসের মহাপরিচালক মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা বিভাগের সচিব এস এম শাকিল আখতার এবং পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ মাসুদ রানা চৌধুরী।
জরিপে দেখা যায়, গত ১২ মাসে যারা সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন, তাদের মধ্যে জাতীয়ভাবে গড়ে ৩১ দশমিক ৬৭ শতাংশ ঘুষ দেওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তবে জেলা পর্যায়ে এই হার আরও বেশি। নোয়াখালীতে সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগকারী নাগরিকদের মধ্যে ৫৭ দশমিক ১৭ শতাংশ ঘুষ দেওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন, যা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে কুমিল্লা, যেখানে এই হার ৫৩ দশমিক ৪৭ শতাংশ। এরপর ফরিদপুরে ৫১ দশমিক ৭০ শতাংশ, ভোলায় ৪৯ দশমিক ০১ শতাংশ এবং সিরাজগঞ্জে ৪৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ মানুষ ঘুষ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন। এসব জেলায় ঘুষ প্রদানের হার জাতীয় গড়ের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।
Related posts here
অন্যদিকে, তুলনামূলকভাবে কম ঘুষ দেওয়ার হার দেখা গেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় এখানে হার ১০ দশমিক ৪৯ শতাংশ। এরপর মাগুরা (১৩ দশমিক ৯৮ শতাংশ), লালমনিরহাট (১৪ দশমিক ৫০ শতাংশ), গাজীপুর (১৫ দশমিক ২৪ শতাংশ) ও সিলেট (১৫ দশমিক ৬১ শতাংশ) জেলার অবস্থান। এসব জেলায় ঘুষ প্রদানের হার জাতীয় গড়ের অনেক নিচে।
আয়ভিত্তিক বিশ্লেষণে আরও ভিন্ন চিত্র উঠে এসেছে। জরিপ অনুযায়ী, সবচেয়ে ধনী শ্রেণির ৩৫ দশমিক ১৬ শতাংশ মানুষ ঘুষ দেওয়ার অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন। বিপরীতে সবচেয়ে দরিদ্র শ্রেণিতে এই হার ২৫ দশমিক ৯২ শতাংশ। মধ্যম আয়ের ক্ষেত্রে ঘুষ দেওয়ার হার ৩২ দশমিক ২৪ শতাংশ এবং উচ্চ-মধ্যম আয়ের ক্ষেত্রে ৩৩ দশমিক ৬০ শতাংশ। অর্থাৎ, আয়ের পরিমাণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘুষ দেওয়ার প্রবণতাও বাড়ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই তথ্য প্রচলিত ধারণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সাধারণভাবে মনে করা হয়, দরিদ্র জনগোষ্ঠীই বেশি ঘুষ দিতে বাধ্য হয়। কিন্তু বিবিএসের জরিপে দেখা যাচ্ছে, উচ্চ আয়ের মানুষ সরকারি কাজ দ্রুত সম্পন্ন করতে বা বাড়তি সুবিধা নিশ্চিত করতে তুলনামূলকভাবে বেশি ঘুষ দিচ্ছেন অথবা তাঁদের কাছ থেকেই বেশি ঘুষ নেওয়া হচ্ছে। এতে স্পষ্ট হয়, দুর্নীতি কেবল দারিদ্র্যজনিত সমস্যা নয়; এটি একটি গভীর প্রাতিষ্ঠানিক ও আচরণগত সংকট।
বিবিএস জানায়, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশের ৬৪ জেলার ৪৫ হাজার ৮৮৮টি খানায় ১৮ বছর ও তদূর্ধ্ব বয়সী ৮৪ হাজার ৮০৭ জন নারী ও পুরুষ এই জরিপে অংশ নেন। নাগরিকদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে নিরাপত্তা, সুশাসন, সরকারি সেবার মান, দুর্নীতি, ন্যায়বিচারে প্রবেশাধিকার ও বৈষম্য জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) ১৬–এর ছয়টি সূচকের অগ্রগতি মূল্যায়নে এই জরিপ পরিচালিত হয়।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ইয়াবা সেবন ও ব্যবহারের অপরাধে মো. ফারুক নামে এক ব্যক্তির এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সাতক্ষীরার জেলার, তালা উপজেলার ইসলামকাটি মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির ১৩ জন ছাত্রীর বাল্যবিয়ে সম্পন্ন হওয়ার চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।