
খেলা ডেস্ক
.jpg&w=3840&q=75)

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ(টিআইবি)। দায়িত্ব পালনকালে হামলার শিকার হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ছয়জন সাংবাদিক।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীতে টিআইবির কনফারেন্স রুমে ‘কর্তৃত্ববাদ পতন–পরবর্তী দেড় বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার সরাসরি গণমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার সুস্পষ্ট উদ্যোগ না নিলেও ‘মব’ সহিংসতার মাধ্যমে বিভিন্ন গণমাধ্যম কার্যালয়ে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সাংবাদিক, লেখক ও মানবাধিকারকর্মীদের ওপর হামলা ও হয়রানির ঘটনাও অব্যাহত রয়েছে।
টিআইবির তথ্যমতে, আগস্ট ২০২৪ থেকে ডিসেম্বর ২০২৫ সময়কালে গণমাধ্যমকর্মীদের বিরুদ্ধে মোট ৪৯৭টি হয়রানির ঘটনা ঘটেছে। এতে প্রায় ১ হাজার ১০৪ জন সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
প্রথম আলোদ্য ডেইলি স্টার–এর কার্যালয়ে নজিরবিহীনভাবে মব তৈরি করে হামলা, লুটপাট, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার কথাও উল্লেখ করা হয়। এসব ঘটনায় সরকারের ভূমিকা নিষ্ক্রিয় ও অকার্যকর ছিল বলে মন্তব্য করেছে টিআইবি।
এ ছাড়া জুলাই গণ-অভ্যুত্থানসংক্রান্ত হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন মামলায় ২০৪ জন সাংবাদিককে আসামি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এসব মামলায় অন্তত ৩০ জন সাংবাদিক গ্রেপ্তার হয়েছেন এবং অনেককে দীর্ঘ সময় জামিন থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে।
মতপ্রকাশের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে টিআইবি জানায়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিরোধী দল ও সরকারের বিরুদ্ধে গুজব ও মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর প্রবণতা বেড়েছে। রাজনৈতিক ‘ট্যাগ’ ব্যবহার করে ভিন্নমত দমন এবং গণমাধ্যমের ফটোকার্ড ও লোগো ব্যবহার করে অপতথ্য ছড়ানোর ঘটনাও উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নেতিবাচক প্রচারণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারের প্রবণতা বাড়লেও এ বিষয়ে কার্যকর কোনো নীতিগত বা আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
রিপোর্টারস উইদাউট বর্ডার(আরএসএফ)–এর ২০২৫ সালের প্রতিবেদনে প্রেস ফ্রিডম সূচকে বাংলাদেশ ১৬ ধাপ এগোলেও বাস্তবে গণমাধ্যমের স্বাধীনভাবে কাজ করার পরিবেশ এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি।
গণমাধ্যম সংস্কার কমিশন স্বাধীন সাংবাদিকতার অন্তরায় হিসেবে ১৩টি আইনের বিভিন্ন ধারা চিহ্নিত করলেও সেগুলো সংস্কারে যথাযথ উদ্যোগ নেওয়া হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে কমিশন প্রণীত সাংবাদিক সুরক্ষা আইনের খসড়া কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা ছাড়াই বাদ দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া তথ্য মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করতে একটি কমিটি গঠন করলেও তার কার্যকর বাস্তবায়ন হয়নি। গণমাধ্যম নিবন্ধন প্রক্রিয়াও এখনো কর্তৃত্ববাদী শাসনামলের মতোই বহাল রয়েছে বলে প্রতিবেদনে মন্তব্য করেছে টিআইবি।
‘সহজ কিস্তি’, ‘০% সুদ’ গ্রাহক আকৃষ্ট করতে এমন প্রচারণার আড়ালে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে শেষ পর্যন্ত বাড়তি টাকা গুনতে হচ্ছে কেন? চীনা স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ভিভো বাংলাদেশের কিস্তি বিক্রয়ব্যবস্থা নিয়ে এমন প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। ৯ মাসের কিস্তিতে স্মার্টফোন কিনতে গিয়ে নগদ মূল্যের তুলনায় প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ দিতে হচ্ছে গ্রাহককে। অথচ প্রচারণায় বলা হচ্ছে ‘০% সুদ’।
শুধুমাত্র বেসিক বেতন থাকে ১১ হাজার থেকে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত। অর্থাৎ চাকরির শুরুতে বেসিক বেতন হবে ১১ হাজার টাকা, এরপর সময়ের সাথে সাথে বেড়ে দাঁড়াবে ২৬ হাজার ৫৯০ টাকা পর্যন্ত।
যুক্তরাষ্ট্রে দীর্ঘ ১০ দিন নিখোঁজ থাকার পর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী জামিল আহমেদ লিমন (২৭)-এর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় তার রুমমেট ২৬ বছর বয়সী সাবেক ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ফ্লোরিডা (ইউএসএফ) শিক্ষার্থী হিশাম আবুঘারবিয়াহকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে নিখোঁজ থাকা আরেক বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা এস বৃষ্টির কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
দক্ষতা, কর্মসংস্থান এবং শিল্পখাতের চাহিদার মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করতে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘জব ফেয়ার ২০২৬’, যার আয়োজন করেছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইউসেপ বাংলাদেশ। ইউনিসেফ বাংলাদেশের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত অল্টারনেটিভ লার্নিং প্রজেক্ট (ALP) এবং জিআইজেড-এর Advantage প্রজেক্ট-এর আওতায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজন তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সুযোগ উন্মোচনের পাশাপাশি নিয়োগদাতা ও চাকরিপ্রত্যাশীদের এক ছাদের নিচে নিয়ে আসে।
ওজনে কারচুপি, মাছে কেমিক্যাল ও রং মেশানো, চিংড়িতে জেলি দিয়ে ওজন বাড়ানো এবং ক্রেতাদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি বাজারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়েও রয়েছে নানা প্রশ্ন।
তাই বর্তমানে এখন অনেকেই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারদের কাজ, তাদের বেতন, এবং মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হতে কি কি যোগ্যতা লাগে, সেসব সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী। আর তাদের জন্যই আজকের এই বিশেষ আয়োজন।
অন্যান্য বাহিনীর মতো বাংলাদেশ ফায়ারসার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সেও বিভিন্ন পদ রয়েছে। এরমাঝে একদম মাঠ পর্যায়ের পদগুলোর নাম হচ্ছে ফায়ার ফাইটার, ডুবুরী, নার্সিং এটেন্ডেন্ট ইত্যাদি। এই তিন পদের বিস্তারিত বিষয় নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের প্রতিবেদন।