ক্যাম্পাস


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ ও হলসংসদ নির্বাচন, প্রণয়ন হচ্ছে গঠনতন্ত্র


সহ-সম্পাদক

শাহারিয়া নয়ন

প্রকাশিত:১৪ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ ও হলসংসদ নির্বাচন, প্রণয়ন হচ্ছে গঠনতন্ত্র
প্রতিষ্ঠার চার দশক পর প্রথমবারের মতো ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে হতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ ও হলসংসদ নির্বাচন। এরই মধ্যে গঠনতন্ত্রের খসড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে প্রণয়ন করা হয়েছে।

১৯৭৯ সালে প্রতিষ্ঠার পর দীর্ঘ চার দশকেও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কখনও হয়নি কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ নির্বাচন। প্রথমবারের মতো কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ ও হলসংসদ নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগে উচ্ছ্বসিত সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
শিক্ষার্থীদের মতে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হলে প্রতিষ্ঠিত হবে ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ, আর জবাবদিহিতা।

ইবি শিক্ষার্থীদের মধ্যে একজন বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে ছাত্র ইউনিয়নের ভূমিকা অন্যান্য রাজনৈতিক সংগঠনের থেকে অনেক বেশি। অন্য আরেকজন বলেন, ‘প্রশাসনের কাছে আমার আবেদন থাকেবে যেন তারা সব জটিলতা দূর করে অতি দ্রুতসময়ের মধ্যে আমাদের ইকসু বাস্তবায়ন করে।

নির্বাচন বাস্তবায়নে গঠনতন্ত্র ও সংবিধানের খসড়া বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে জমা দিয়েছে প্রশাসন। এরপর শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মন্ত্রীসভা ও আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন পাস হতে আর সময় লাগবে না বলে জানিয়েছেন গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান।

তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের কাজটি করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দিয়েছি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন মঞ্জুরি কমিশনের কাছে পাঠিয়েছে। সেটি সেখানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। দ্রুতসময়ের মধ্যে অনুমোদিত হয়ে আমাদের কাছে আসলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ নির্বাচন দেবে। ছাত্রদের দাবি অনুযায়ী ইকসু নির্বাচন হবে।’

আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পেলেই কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ ও হলসংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক করতে প্রশাসন সব ধরনের প্রস্তুতি নেবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ‘নির্বাচন সুষ্ঠু করতে হলে সদিচ্ছা এবং সততা নিষ্ঠা থাকতে হবে। শিক্ষার্থীদের ভালো নেতৃত্ব বের হয়ে আসুক এভাবেই প্রশাসন কাজ করবে।’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম নির্বাচন ঘিরে শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা-গণতান্ত্রিক চর্চা, স্বচ্ছতা ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে এ উদ্যোগ।


জনপ্রিয়


ক্যাম্পাস থেকে আরও পড়ুন

একুশে ফেব্রুয়ারি: শহীদদের রক্ত থেকে মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার শিক্ষা

১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি বাঙালি জাতির জন্য শুধুই একটি তারিখ নয়, এটি ছিল মাতৃভাষার জন্য জীবন উৎসর্গের দিন। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মাতৃভাষার মর্যাদা, ভাষার সঠিক ব্যবহার ও শহিদ মিনারের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের গুরুত্ব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

ফুলের শ্রদ্ধা নাকি জ্ঞানের ভাষা? খুবিতে বাংলার অবস্থান

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ২১ ফেব্রুয়ারির সকাল শুরু হয় নীরব শ্রদ্ধায়। শহীদ মিনারের পাদদেশ পুষ্পস্তবকে ভরে ওঠে, শিক্ষার্থীদের সাদা-কালো পোশাক আর কালো ব্যাজে ফুটে ওঠে শোকের প্রতীক। ভাষা শহীদদের স্মরণে ধ্বনিত হয় প্রতিজ্ঞা।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ দলের কর্মীর নাক ফাটিয়ে পালানোর অভিযোগ ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়-এর আবাসিক হল শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হল-এ ছাত্রদলের এক নেতার বিরুদ্ধে নিজ দলের কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে হলের তিন তলার ছাদে এ ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত তিন শিক্ষার্থী আহত হন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিষ্কারের দশ বছর পর ন্যায়বিচারের আশায় দুই শিক্ষার্থী

দীর্ঘ এক দশক পর ছাত্রত্ব ফিরে পেতে এবং অনার্স সনদ সংগ্রহের সুযোগ পেতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) দুই বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছেন। ইসলামী ছাত্র সংস্থার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে ২০১৭ সালে বহিষ্কৃত সীমা আক্তার (১২০৬৪৬) ও মাইশা ইসলাম (১৩১১০৫) গত বছরের ১ জানুয়ারি রেজিস্ট্রারের কাছে বহিষ্কার আদেশ প্রত্যাহার, বিএসসি সনদপত্র উত্তোলনের ব্যবস্থা এবং ক্ষতিপূরণের জন্য আবেদন করেন।